header image
 

অনলাইন ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে আয় করুন ঘরে বসেই

আউটসোর্সিং বলতে আমরা মুলত বুঝি যখন একটি বিদেশী প্রতিষ্ঠান আর কাজসমূহ তুলনামূলক কম খরচে বা সস্তায় করার জন্য কাজ গুলো অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের প্রতিষ্ঠান বা জনশক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে করে থাকে তাকে।
এরফলে একদিকে ক্লায়েন্ট যেমন কম খরচে কাজকরিয়ে নিয়ে লাভবান হয় অন্যদিকে উক্ত দেশেরও এর মাধ্যমে বৈদেশীক মুদ্রা আয় হয়। বর্তমানে ইন্টারনেটের যুগে আপনি ঘরেই ইন্টারনেটে বসে ফ্রি ল্যান্স কাজ করে আয় করতে পারেন। এধরনের ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং কাজের সহায়তার জন্য বেস কিছূ সাইট গড়ে উঠেছে।
যেমনঃ
www.joomlancers.com - এতে শুধু ওপেনসোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম জুমলার কাজ পাওয়া যায়

www.getafreelancer.com - এই সাইটে রয়েছে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অসংখ্য কাজ। এখানে আপনি বিভিন্ন ক্যাটাগরির কাজ পাবেন যেমন ডাটা এন্ট্রি,ওয়েব ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিকসডিজাইনিং, এনিমেশন সহ জুমলায় ওয়েবডেভলপমেন্টের কাজ।

কাজ পেতে হলে আপনাকে প্রথমে উক্ত সাইটে রেজিষ্টার করতে হবে। তারপর আপনি করতে পারবেন এমন কাজ গুলোর জন্য বিড করতে হবে, বিড করলে ক্লায়েন্ট বুঝবে যে আপনি সেই কাজ করতে ইচ্ছুক , এখন ক্লায়েন্ট যদি আপনাকে সেই কাজের জন্য যোগ্য মনে করে তাহলে সে কাজটা আপনাকে করতে দেবে। আর সাধারন মেম্বারদের কাজ হতে প্রাপ্ত অর্থের ১০ শতাংশ সাইটটির সার্ভিস চার্জ হিসেবে দিতে হবে। তবে গোল্ড মেম্বারদের এই চার্জ নেই , তাদের শুধু মাসে ১২ ডলার দিতে হবে।
দেশীয় আইটি পত্রিকা কম্পিউটার জগতে এ বিষয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন দিয়েছে এখান থেকে দেখতে পারেন।

কাজ করার পর এখান থেকে টাকা কয়েক ভাবে পাওয়া যাবে। একটি হল ব্যাংক টু ব্যাংক ওয়্যার ট্রান্সফার , যার জন্য আপনার কোন ব্যাংকে একটি সেভিংস এক্যাউন্ট থাকলেই হল। আরেকটি হল Payoneer ডেবিট কার্ড
এটি getafreelancer.com ই দিয়ে থাকে তবে এটি অর্ডার করতে হলে আপনার getafreelancer.com এর একাউন্টে কমপক্ষে 30$ থাকতে হবে। এই পদ্ধতিতে আপনি অর্থ কুব দ্রুত পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে এটিএম এর মাধ্যমে তুলতে পারবেন। কার্ড পাবার পর সেটি একটিভেট করতে কিছু টাকা খরচ হবে।

আমি এ নিয়ে একটি ফোরামে পোষ্ট করেছি । এখানে দেখতে পারেন

Harddisk Partitioning using Parted Magic

হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং হচ্ছে আপনার হার্ডডিস্ক কে কয়েকটি ভাগ করা।অর্থাৎ আপনার কম্পিউটার বুঝবে আপনার হার্ডডিস্কটি কয়েকটি ভাগে বিভক্ত । এর ফলে আপনি একটি পার্টিশনে আপনার ওএস টি ইনস্টল করে অন্য পার্টিশনে রাখতে পারেন। Non-technical user বা যে সকল কম্পিউটার ব্যবহারকারী কম্পিউটার চালনায় খুব একটা অভিজ্ঞ নয় তারা হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং ব্যাপারটাকে ভয় পেয়ে থাকে, এইবুঝি তাদের মুল্যবান ডাটা মুছে গেল। ব্যাপারটি লিনাক্স ইনস্টলের সময়ও ঘটে থাকে। যেমন লিনাক্সের জন্য ext3 পার্টিশন তৈরী করতে হয়। অনেকে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করতে গিয়ে ভূল বসত নিজের ডাটাফাইল সমূহ মুছে ফেলতে পারেন। এক্ষেত্রে ব্যবহারবান্ধব একটি ডিস্ক পার্টিশনিং সফটওয়্যার রয়েছে যার নাম হচ্ছে “নরটন পার্টিশন ম্যাজিক” তবে এটি ফ্রি নয়। তবে এমন একটি ব্যাবহার বান্ধব ফ্রি ও ওপেনসোর্স হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং সফটওয়্যার রয়েছে যার নাম Gnome Partition Editor বা সংক্ষেপে “GParted“এটি বিভিন্ন ফাইলসিস্টেমের পার্টিশন তৈরী করতে পারে ext2,ext3,fat16,fat32,hfs,jfs,linux-swap,ntfs,reiserfs,reiser4,xfs লিনাক্সের ক্ষেত্রে ext3 পার্টিশন তৈরী করতে হয়। আপনারা কেউ যদি পূর্বে উবুন্টুলিনাক্স ইনস্টল করে থাকেন তবে ইনস্টলের সময় যে হার্ডডিস্ক পার্টিশন টুল ব্যবহার করা হয় সেটি হল “GParted“। আর এই “GParted” এর উপর ভিত্তি করে আরেকটি ডিস্ক পার্টিশন টুল তৈরী হয়েছে যার নাম হল “

Parted Magic

মজার ব্যাপার হল এটি চালাতে আপনার কোন অপারেটিং সিস্টেমের উপর নির্ভর করতে হবেনা কারন এটিই একটি ছোটখাটো লাইভ অপারেটিং সিস্টেমের মত যেটি সিডি থেকে বা ইউএসবি ড্রাইভ থেকে বুট করা যায়। এতে ডিস্ক পার্টিশনিং টুল “GParted” ছাড়াও আরও নানান টুল রয়েছে ।

এবার দেখা যাক কিভাবে এর দ্বারা হার্ডডিস্ক পার্টিশন করা যায়। এজন্য আপনাকে “Parted Magic” এর iso ইমেজ ডাউনলোড করতেহবে। তারপর এই ইমেজটি সিডি রাইটিং সফটওয়্যার দ্বারা বার্ন করতে হবে অর্থাৎ .iso ডিস্ক ইমেজটিকে শুধু সিডিতে কপি করলে কাজ হবেনা সিডি রাইটিং সফটওয়্যার গুলোতে একটি অপশন থাকে যার মাধ্যমে .iso এর মত ডিস্ক ইমেজকে বার্ন করা যায়। বার্ন করা হলে বুটেবল সিডি তৈরী হবে । আপনি সিডিটি কোন একটি ড্রাইভে ঢুকিয়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিয়ে বায়োস থেকে কোন সিডিরম থেকে বুট হবে তা নির্দিষ্ট করেদিন। তার পর পার্টেড ম্যাজিক সিডি থেকে বুট করুন। বুট হলে নিম্নোক্ত অপশন সমূহ মনিটরে ভেসে উঠবে

এখান থেকে 1 নং অপশন টি সিলেক্ট করে এন্টার দিন তবে পার্টেড ম্যাজিক লোড হবে । একপর্যায়ে সিডিটি বের হয়ে আসবে। এখন পার্টেড ম্যাজিক আপনার র্যাম থেকে লোড হবে তাই সিডিটির আর প্রয়োজন হবেনা। তারপর পার্টেড ম্যাজিক এর ডেস্কটপ এমনটি দেখা যাবে

এটি আপনার হার্ডওয়্যার , হার্ডডিস্ক , ইউএসবি ড্রাইভ সমূহ ডিটেক্ট করে ডেক্সটপে ড্রাইভ গুলো দেখাবে। মনে রাখবেন আপনার পার্টিশন গুলো উইন্ডোজের মত C,D,F ড্রাইভ নাতে দেখাবেনা । এখানে hda,hdb1,hdb2 ,hdb5 এভাবে দেখাবে ড্রাইভ গুলো।

[ উল্ল্যেখ্যঃ
primary Maste = hda
primary slave = hdb
Secondary Master = hdc
Secondary slave = hdd
]

এখন কিভাবে বুঝবেন কোনটা আপনার ড্রাইভ?

ধরুন আপনার আমার মত লিনাক্সের পার্টিশন গুলো বাদে মোট ৮ টি পার্টিশন আছে।

তবে C drive টি হবে = hdb1
D drive = hdb5 [ C drive এর পরের ড্রাইভ গুলো শুরু হবে hdb5 থেকে ]

এরপর বাকি গুলো যথাক্রমে
E drive = hdb6
F drive = hdb7
G drive = hdb8
H drive = hdb9
I drive = hdb10
J drive = hdb11

ধরুন আমার একটি পার্টিশনের ৬গিগার মত ফ্রি স্পেস আছে এখন আমি ফ্রি স্পেসটিকে লিনাক্স ইনস্টলের জন্য ext3 পার্টিশন তৈরী করবো। তাই আমি সেই পার্টিশনটিতে রাইট ক্লিক করে Resize/Move অপশন টি সিলেক্ট করলাম।


তারপর পরবর্তী উইন্ডোতে আমি Free Space Following : এ কতটুক যায়গা আমার খালি করা দরকার না উল্যেখ করে দিলাম। তার পর Resize/Move বাটনে ক্লিক করলে উল্ল্যেখিত ডিস্ক স্পেস খালি হবে অর্থাৎ unallocated হিসেবে দেখাবে। ভয় নেই এতে আপনার উক্ত ড্রইভের ফাইল গুলো মুছে যাবেনা যতক্ষন না আপনি তা ফরমেট করছেন।

মনে রাখবেন আমি এখন যেকাজ গুলো করছি তা সম্পন্ন হবে না যতক্ষন না আমি উপরের Apply বাটনে ক্লিক করছি। এগুলো আপাতত টাস্ক হিসেবে জমা হচ্ছে যা উইন্ডোর নিচের অংশে দেখা যাচ্ছে।


এবার unallocated স্পেসটি রাইটক্লিক করে New এ ক্লিক করলাম

তারপর পরবর্তী উইন্ডোতে New Size এ পার্টিশন এর আকার নির্দেশ করে দিলাম (এখানে ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট) তার পর ফাইল সিস্টেম থেকে লিনাক্সের ফাইল সিস্টেম ext3 সিলেক্ট করে দিলাম। তারপর Add এ ক্লিক করি।

এবার আগের মতই অবশিষ্ট ৪০০ এমবি স্পেসটি রাইটক্লিক করে New এ ক্লিক করলাম এবং এখানে শুধুমাত্র File System থেকে linux-swap সিলেক্ট করেদিলাম (উল্ল্যেখ্য linux-swap হল উইন্ডোজের pagefile এর মত যা মূল ram থেকে চাপ কমিয়ে নির্দিষ্ট হার্ডডিস্ক স্পেস কে সহকারী হিসেবে ব্যাবহার করে)

এবার চিত্রে দেখতে পাচ্ছেন 3 operation pending অর্থাৎ আমি এতক্ষন যে কাজ গুলো করার নির্দেশ দিলাম তা এখনো সম্পন্ন হয়নি অর্থাৎ আমি এখন চাইলে edit মেনু থেকে undo এর মাধ্যমে কোন অপারেশন বাদদিতে পারি। এবার উপরের Apply বাটনে ক্লিক করলে টাস্ক গুলো সম্পন্ন হওয়া শুরু হবে।

উক্ত টাস্ক গুলো সম্পন্ন হবার পর দেখাবে “All operations successfully completed” তো লিনাক্সের জন্য আমি পূর্বেই পার্টিশন গুলো তৈরি করে ফেললাম।

দেখলেন তো “Parted Magic” দিয়ে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করা কত সহজ।

তো এবার জোরসে বলুন Opensource Rulzzzz…. ;)

ইশতিয়াক আহমেদ (ফয়সাল)

http://mukto.org

মু্ক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে পরিকল্পনা

আজ আমি যে বিষয় নিয়ে লিখছি সেটি আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে। বেশ কিছুদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ভাবছিলাম। একমাত্র তাদের জন্যই আজ আমরা স্বাধীন দেশের স্বাধীন মাটিতে দাড়িয়ে আছি , দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে জীবন মৃত্যুর চিন্তাভাবনা না করে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়া অনেক বড় ব্যাপার। অথচ তারা রক্ত দিয়ে জীবন দিয়ে যে বাংলাদেশকে পাবার স্বপ্ন দেখেছিলেন আমরা কি তাদের সেই বাংলাদেশ দিতে পেরেছি!!?? তারা দেশ কে স্বাধীন করে গেছেন কিন্তু সেই দেশ কে এগিয়ে নিয়ে যাবার দ্বায়িত্ব পরবর্তী প্রজন্মের। স্বাধীনতার প্রায় ৩৭ বছর পার হতে চলল……এরমধ্যে কিছূ কিছূ ঘটনা ঘটে গেছে যা যারা দেশকে ভালোবাসে তাদের জন্য তা পীড়াদায়ক। দূর্নীতিতে আমরা চ্যাম্পিয়ন, আরও পীড়াদায়ক আমাদের দেশের মানুষই অন্যের উসকানিতে গার্মেন্স শিল্পের মত বৃহৎ শিল্পকে ধ্বংষের পায়তারা করেছিল একসময়। একাধারে বিভিন্ন গার্মেন্টসে ভাংচুর করা ভুলে যাননি নিশ্চয়। আজ একাত্তুরের রাজাকারেরা বুকচিতিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে গৃহযুদ্ধ বলে। মুক্তিযোদ্ধারা বুঝতে পেরেছেন যে যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি। আমাদের প্রজন্মের এখন উচিত তাদের পাশে এসে দাড়ানো।

এখন আসি মূল বিষয়ে। আমি বেশ কিছুদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে একটা কিছু করার পরিকল্পনা করছিলাম। পরিকল্পনাটা কিছুটা দাড় করানোর পর আজ ব্লগে লিখছি

পরিকল্পনাটা হল আমার ইচ্ছা আছে দেশের ‘যত’ মুক্তিযোদ্ধা আছেন তাদের ব্যাক্তিগত ভাবে সাক্ষাতকার নেয়া। তারা কিভাবে সাধারন একজন মানুষ থেকে মুক্তি যোদ্ধা হলেন, যুদ্ধ করলেন , দেশ স্বাধীন করলেন , দেশের মানুষের প্রতি তার কি বলার আছে এগুলোর ভিডিও করে সাক্ষাতকারটি সংরক্ষন করা। এভাবে একে একে প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে গিয়ে তাদের মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী তাদের জীবনের কাহিনী, তারা এখন কেমন আছেন এসকল বিষয় ভিডিও করে তা যথাযথ ভাবে সংরক্ষন করা।

এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য:

১) দেশের এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের জীবন কাহিনী ক্যামেরার ফ্রেমে বন্ধী করা

২) আমরা বা আমাদের সন্তানেরা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে কিভাবে জানছি? বই পড়ে, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে গিয়ে…
তবে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম যদি মুক্তিযুদ্ধের কথা স্বয়ং একজন মুক্তি যোদ্ধার কাছ থেকে শুনতে পারে জানতে পারে তাহলে তারা মুক্তিযুদ্ধকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কে আরো ভালো ভাবে উপলব্ধি করতে পারবে। আমার মনে হয় এর মাধ্যমে শৈশব থেকেই তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের মনোভাব সৃষ্টি করা যাবে।

৩) আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের বিরত্বের কাহিণী দেশের মানুষের পাশাপাশি বহির্বিশ্বের কাছে তুলে ধরা যাবে।

সাক্ষাৎকার নেয়ার পর পরবর্তী পরিকল্পনা গুলো হল

১) সাক্ষাতকারের ভিডিও গুলো যথাযথ সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা।

২) ভিডিও সংগ্রহের পর বক্তব্যগুলোর ইংরেজী সাবটাইটেলের ব্যবস্থা করা । যাতে ভিন্ন ভাষাভাষীর বা বহির্বিশ্বের মানুষ আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের বিরত্বের কাহিনী জানতে পারে।

৩) সাক্ষাৎকারের ভিডিওকে সিডি আকারে প্রকাশ করা বা দেশের মানুষকে তা দেখানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা। এক্ষেত্রে কোন অর্থ প্রাপ্ত হলে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যানের কাজে ব্যায় করা হবে।

৪) সিডির পাশাপাশি এই ভিডিও ইন্টারনেটে ও ছাড়া যেতে পারে যাতে বিশ্বের যেকোন স্থানে বসেই এই ভিডিও সংগ্রহ করা যায়।

এই হল এতদিন ভেবেচিন্তে করা আমার পরিকল্পনা। এখন এব্যাপারে আপনাদের মতামতের অপেক্ষায় রাইলাম……..

ধন্যবাদ
__________

Kuakata vromon

অনেকদিন ধরে ব্লগে লিখিনা, আসলে ব্যাস্ততার কারনে লিখা হয়নি। তবে এখন থেকে নিয়মিত লিখার চেষ্টা করবো।কয়েকদিন আগে বরিশাল কুয়াকাটায় বেড়াতে গিয়েছিলাম family সাথে। সবরকম ব্যবস্থা করেছিলেন আমার এক আংকেল। আসলে এর মধ্যেই হয়ে গেল আমার জীবনের প্রথম লঞ্চ ভ্রমন এবং সরাসরী সমূদ্র দেখা। গিয়েছিলাম পারাবাত-১১ লঞ্চে তবে পারাবাত - ৭ আর সুন্দরবন - ১১ খুব হাইফাই লঞ্চ। যা হোক রাতে রওনা দেয়ায় নদী ঠিকমত দেখা হয়নি। তবে লঞ্চে সারারাত ঘুমাইনি। লঞ্চের ডেকে বসে সারারাত মজা করেছি। আমরা ছিলাম ভিআইপি কেবিনে, তবে লঞ্চের নীচ তলায় শুয়ে শুয়ে যাবার মজাই আলাদা।

সকালে পৌছাইলাম বরিশালে। সেখানে আংকেলের ডাক বাংলোয় কিছুক্ষন রেস্ট নিয়ে মাইক্রোতে রওনা দিলাম কুয়াকাটার উদ্দ্যেশ্যে। প্রায় ১০০ কিমি দূরত্ব মনেহয়। আর রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। এই দূরত্বের অর্ধেকের বেশী রাস্তাই ভাঙ্গাচোরা। ঝাকি খেতে খেতে পেটের খাবার বের হওয়ার উপক্রম। তাই বলেরাখি কেউ গেলে রাস্তাঘাটের এই অবস্থা মোকাবেলা করার মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে যেতে হবে নাহলে তা আপনার ভ্রমনের মজা নষ্ট করে দিতে পারে। প্রায় সাড়ে চার ঘন্টার পথ পাড়ি দিয়ে পাচটি ফেরী পার হয়ে অবশেষে পৌছালাম কুয়াকাটা সি-বীচে । হোটেলে গিয়ে ক্লান্তি দূর করতে সোজা সমূদ্রে ডুব দিলাম। অনেক মজা হল। সাতার জানিনা তবে জোয়ার চলছিল বলে বুক পানি পর্যন্ত নেমেছিলাম। সমুদ্রের লবনাক্ত আয়োডিন যুক্ত লবন পানি খেয়ে মনে হল বুদ্ধি বাড়ছে :)

কুয়াকাটা এমন একটা যায়গা যেখানে সমূদ্রের তীরে দাড়িয়ে বাম দিক থেকে সূর্যদয় এবং ডান দিকে সূর্য অস্ত যেতে দেখতে পারবেন। আমি দুটোই দেখেছি। তবে সমূদ্রে তেমন কোন ভিড় দেখলাম না। আসলে যাতায়াত ব্যবস্থার তেমন ভালো সুবিধা না থাকায় হয়তো পর্যটক দের কাছে এটি তেমন জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। রাতের দিকে আবারো সী-বিচে গিয়ে ছিলাম। কি অসাধারন বাতাস আর সমূদ্রের গর্জন আর আকাশে তারার মেলা যেন একেবারে খাটি রোমান্টিক যায়গা :)

পরদিন সকালে উঠে রাখাইন বৌদ্ধ মন্দির দেখতে বের হলাম। এটি নাকি এশিয়া অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ মুর্তি, পুরনোও বটে। সী-বীচ থেকে কয়েক কিলোমিটার দুরে এটি, ভ্যানে যেতে আপডাউন ভাড়া ২০০ টাকা। নীচে ছবি দিয়েছি মুর্তি টার। দেখার মত সমুদ্র আর এই বৌদ্ধ মূর্তিই দেখেছি। কেউ যদি এখানে দেখার মত আরো কিছু যায়গার কথা বলতে পারেন তবে ভালো হয়। ভ্রমন শেষে রওনা দিলাম ঢাকার উদ্দ্যেশ্যে স্টিমারে করে রাতে। সেদিন সম্ভবত ঢাকায় ঝড়তুফান হয়েছিল। আমরা নদীর মোহনায় ছিলাম। তখন হঠাৎ জোরে বাতাস বইতে শূরু করে। বাতাস এমন জোরে হচ্ছিল যে স্টিমারের ডেকের দুটা চেয়ার এবং আমার কাজিনের একটি সেন্ডেল উড়িয়ে নিয়েযায়। আমরা তাড়াতাড়ি কেবিনে চলে এলাম। আমাদের মা খালারা তো তসবিহ্ গনা শুরু করেছে। তবে পরে বাতাস থেমে বৃষ্টি হওয়া শুরু করে, যাক জানে বাচলাম।

এই হইলো গিয়া কুয়াকাটা ভ্রমন কাহিনী। নীচে কিছূ ছবি দিলাম দেখেন। ছবি অনেক গোলো তুলেছি কিন্তু নীচের ছবি গুলা পছন্দ হয়েছে। আমার ফটোগ্রাফির চোখ ছে মনে হয়। :)

ছবি:

শুটকি মাছ, উফ্ গন্ধ

বাচ্চা আনারস অনেক পুরোনো বৌদ্ধ মন্দির সী-বিচ থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে। �্যানে আপডাউন ২০০ টাকা জানামতে এটি এশিয়া অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ মূর্তি

Flock blog editior setup

test……………………….Flock Rock’s বাংলা কম্পিউটিং