Harddisk Partitioning using Parted Magic

হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং হচ্ছে আপনার হার্ডডিস্ক কে কয়েকটি ভাগ করা।অর্থাৎ আপনার কম্পিউটার বুঝবে আপনার হার্ডডিস্কটি কয়েকটি ভাগে বিভক্ত । এর ফলে আপনি একটি পার্টিশনে আপনার ওএস টি ইনস্টল করে অন্য পার্টিশনে রাখতে পারেন। Non-technical user বা যে সকল কম্পিউটার ব্যবহারকারী কম্পিউটার চালনায় খুব একটা অভিজ্ঞ নয় তারা হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং ব্যাপারটাকে ভয় পেয়ে থাকে, এইবুঝি তাদের মুল্যবান ডাটা মুছে গেল। ব্যাপারটি লিনাক্স ইনস্টলের সময়ও ঘটে থাকে। যেমন লিনাক্সের জন্য ext3 পার্টিশন তৈরী করতে হয়। অনেকে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করতে গিয়ে ভূল বসত নিজের ডাটাফাইল সমূহ মুছে ফেলতে পারেন। এক্ষেত্রে ব্যবহারবান্ধব একটি ডিস্ক পার্টিশনিং সফটওয়্যার রয়েছে যার নাম হচ্ছে “নরটন পার্টিশন ম্যাজিক” তবে এটি ফ্রি নয়। তবে এমন একটি ব্যাবহার বান্ধব ফ্রি ও ওপেনসোর্স হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং সফটওয়্যার রয়েছে যার নাম Gnome Partition Editor বা সংক্ষেপে “GParted“এটি বিভিন্ন ফাইলসিস্টেমের পার্টিশন তৈরী করতে পারে ext2,ext3,fat16,fat32,hfs,jfs,linux-swap,ntfs,reiserfs,reiser4,xfs লিনাক্সের ক্ষেত্রে ext3 পার্টিশন তৈরী করতে হয়। আপনারা কেউ যদি পূর্বে উবুন্টুলিনাক্স ইনস্টল করে থাকেন তবে ইনস্টলের সময় যে হার্ডডিস্ক পার্টিশন টুল ব্যবহার করা হয় সেটি হল “GParted“। আর এই “GParted” এর উপর ভিত্তি করে আরেকটি ডিস্ক পার্টিশন টুল তৈরী হয়েছে যার নাম হল ”

Parted Magic

মজার ব্যাপার হল এটি চালাতে আপনার কোন অপারেটিং সিস্টেমের উপর নির্ভর করতে হবেনা কারন এটিই একটি ছোটখাটো লাইভ অপারেটিং সিস্টেমের মত যেটি সিডি থেকে বা ইউএসবি ড্রাইভ থেকে বুট করা যায়। এতে ডিস্ক পার্টিশনিং টুল “GParted” ছাড়াও আরও নানান টুল রয়েছে ।

এবার দেখা যাক কিভাবে এর দ্বারা হার্ডডিস্ক পার্টিশন করা যায়। এজন্য আপনাকে “Parted Magic” এর iso ইমেজ ডাউনলোড করতেহবে। তারপর এই ইমেজটি সিডি রাইটিং সফটওয়্যার দ্বারা বার্ন করতে হবে অর্থাৎ .iso ডিস্ক ইমেজটিকে শুধু সিডিতে কপি করলে কাজ হবেনা সিডি রাইটিং সফটওয়্যার গুলোতে একটি অপশন থাকে যার মাধ্যমে .iso এর মত ডিস্ক ইমেজকে বার্ন করা যায়। বার্ন করা হলে বুটেবল সিডি তৈরী হবে । আপনি সিডিটি কোন একটি ড্রাইভে ঢুকিয়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিয়ে বায়োস থেকে কোন সিডিরম থেকে বুট হবে তা নির্দিষ্ট করেদিন। তার পর পার্টেড ম্যাজিক সিডি থেকে বুট করুন। বুট হলে নিম্নোক্ত অপশন সমূহ মনিটরে ভেসে উঠবে

এখান থেকে 1 নং অপশন টি সিলেক্ট করে এন্টার দিন তবে পার্টেড ম্যাজিক লোড হবে । একপর্যায়ে সিডিটি বের হয়ে আসবে। এখন পার্টেড ম্যাজিক আপনার র্যাম থেকে লোড হবে তাই সিডিটির আর প্রয়োজন হবেনা। তারপর পার্টেড ম্যাজিক এর ডেস্কটপ এমনটি দেখা যাবে

এটি আপনার হার্ডওয়্যার , হার্ডডিস্ক , ইউএসবি ড্রাইভ সমূহ ডিটেক্ট করে ডেক্সটপে ড্রাইভ গুলো দেখাবে। মনে রাখবেন আপনার পার্টিশন গুলো উইন্ডোজের মত C,D,F ড্রাইভ নাতে দেখাবেনা । এখানে hda,hdb1,hdb2 ,hdb5 এভাবে দেখাবে ড্রাইভ গুলো।

[ উল্ল্যেখ্যঃ
primary Maste = hda
primary slave = hdb
Secondary Master = hdc
Secondary slave = hdd
]

এখন কিভাবে বুঝবেন কোনটা আপনার ড্রাইভ?

ধরুন আপনার আমার মত লিনাক্সের পার্টিশন গুলো বাদে মোট ৮ টি পার্টিশন আছে।

তবে C drive টি হবে = hdb1
D drive = hdb5 [ C drive এর পরের ড্রাইভ গুলো শুরু হবে hdb5 থেকে ]

এরপর বাকি গুলো যথাক্রমে
E drive = hdb6
F drive = hdb7
G drive = hdb8
H drive = hdb9
I drive = hdb10
J drive = hdb11

ধরুন আমার একটি পার্টিশনের ৬গিগার মত ফ্রি স্পেস আছে এখন আমি ফ্রি স্পেসটিকে লিনাক্স ইনস্টলের জন্য ext3 পার্টিশন তৈরী করবো। তাই আমি সেই পার্টিশনটিতে রাইট ক্লিক করে Resize/Move অপশন টি সিলেক্ট করলাম।


তারপর পরবর্তী উইন্ডোতে আমি Free Space Following : এ কতটুক যায়গা আমার খালি করা দরকার না উল্যেখ করে দিলাম। তার পর Resize/Move বাটনে ক্লিক করলে উল্ল্যেখিত ডিস্ক স্পেস খালি হবে অর্থাৎ unallocated হিসেবে দেখাবে। ভয় নেই এতে আপনার উক্ত ড্রইভের ফাইল গুলো মুছে যাবেনা যতক্ষন না আপনি তা ফরমেট করছেন।

মনে রাখবেন আমি এখন যেকাজ গুলো করছি তা সম্পন্ন হবে না যতক্ষন না আমি উপরের Apply বাটনে ক্লিক করছি। এগুলো আপাতত টাস্ক হিসেবে জমা হচ্ছে যা উইন্ডোর নিচের অংশে দেখা যাচ্ছে।


এবার unallocated স্পেসটি রাইটক্লিক করে New এ ক্লিক করলাম

তারপর পরবর্তী উইন্ডোতে New Size এ পার্টিশন এর আকার নির্দেশ করে দিলাম (এখানে ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট) তার পর ফাইল সিস্টেম থেকে লিনাক্সের ফাইল সিস্টেম ext3 সিলেক্ট করে দিলাম। তারপর Add এ ক্লিক করি।

এবার আগের মতই অবশিষ্ট ৪০০ এমবি স্পেসটি রাইটক্লিক করে New এ ক্লিক করলাম এবং এখানে শুধুমাত্র File System থেকে linux-swap সিলেক্ট করেদিলাম (উল্ল্যেখ্য linux-swap হল উইন্ডোজের pagefile এর মত যা মূল ram থেকে চাপ কমিয়ে নির্দিষ্ট হার্ডডিস্ক স্পেস কে সহকারী হিসেবে ব্যাবহার করে)

এবার চিত্রে দেখতে পাচ্ছেন 3 operation pending অর্থাৎ আমি এতক্ষন যে কাজ গুলো করার নির্দেশ দিলাম তা এখনো সম্পন্ন হয়নি অর্থাৎ আমি এখন চাইলে edit মেনু থেকে undo এর মাধ্যমে কোন অপারেশন বাদদিতে পারি। এবার উপরের Apply বাটনে ক্লিক করলে টাস্ক গুলো সম্পন্ন হওয়া শুরু হবে।

উক্ত টাস্ক গুলো সম্পন্ন হবার পর দেখাবে “All operations successfully completed” তো লিনাক্সের জন্য আমি পূর্বেই পার্টিশন গুলো তৈরি করে ফেললাম।

দেখলেন তো “Parted Magic” দিয়ে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করা কত সহজ।

তো এবার জোরসে বলুন Opensource Rulzzzz…. 😉

ইশতিয়াক আহমেদ (ফয়সাল)

http://mukto.org

Advertisements

Joomla CMS installation guide in bangla

জুমলা হচ্ছে একটি Content Management System বা সংক্ষেপে CMS । সিএমএস হচ্ছে এমন একটি সিস্টেম যা দ্বারা কন্টেন্ট তৈরী এবং তা ম্যানেজ করা যায়। যেমন ধরুন জুমলায় আপনি কোন লেখা , আর্টিকেল আপনার জুমলার হোমপেইজে প্রকাশ করবেন। এখন সেই লেখা বা অর্টিকেলটি হচ্ছে কন্টেন্ট আর লেখাটি কোথায় বসবে , এডিট করে পরিবর্তন করা , মুছে ফেলা ইত্যাদিকে ম্যানেজ করা বলে। জুমলা দিয়ে যেহেতু এমন কাজ করা যায় তাই জুমলাও একটি কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এটি ফ্রি এবং ওপেনসোর্স এবং GPL লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহার করা যায়।

ইনস্টলেশন

সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট

+ PHP ভার্সন4.1.2 বা এর চেয়ে নতুন ভার্সন
+ MySQL ভার্সন 3.23.x বা এর চেয়ে নতুন ভার্সন এবং কমপক্ষে ১টি MySQL ডেটাবেজ ( তবে দুটি হলে ভালো হয়)
+ Apache ভার্সন1.13.19 বা এর চেয়ে নতুন ভার্সন

মনে রাখতে হবে PHP র জন্য MySQL , XML , Zlib (এই লাইব্রেরি টি পিএইচপি কে কমপ্রেসড Zip আর্কাইভ হতে ফাইল পড়তে সহায়তা করে ) এর সাপোর্ট থাকতে হবে। আপনার হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছ থেকে এ ব্যাপারে জেনে নিন। তবে জুমলা ইনস্টলেশনের সময় জুমলা এগুলোর সাপোর্ট আছে কিনা দেখাবে । না থাকলে আপনি জানতে পারবেন ইনস্টলেশনের শুরুতেই। আর জুমলা লিনাক্স ভিত্তিক সার্ভারে ইনস্টল করার পরামর্শ দেব।

পূর্ব প্রস্তুতি

# FTP এর মাধ্যমে ফাইল পারমিশন পরিবর্তন করা জানতে হবে।
# Mysql ডেটাবেজ তৈরী করা জানতে হবে
# Mysql ডেটাবেজ এর Host Name জানুন এবং সে সম্পর্কে নিশ্চিত হোন । প্রয়োজনে হোস্টিং প্রোভাইডারের সহায়তা নিন।
# Mysql ডেটাবেজ এর ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড মনে রাখুন ।
#FTP Hostname,Username,Password জানা থাকতে হবে।

আসুন আমরা প্রথমেই জুমলার জন্য একটি ডেটাবেজ তৈরী করে ফেলি। এটি ইনস্টলেশনের পূর্বেই করতে হবে। আমি এখানে XAMPP ওয়েবসার্ভার ব্যবহার করছি যেখানে Mysql ডেটাবেজ এ্যাডমিনিস্ট্রেশনের জন্য phpMyadmin ব্যবহার করা হয়, তবে লিনাক্স ভিত্তিক ওয়েবসার্ভার গুলোতে মাইএসকিউএল এ্যাডমিনিস্ট্রেশনের জন্য phpMyadmin এর আধিপত্যই লক্ষ করা যায় ।

নীচের চিত্রে দেখতে পাচ্ছেন পিএইচপি ম্যাই এ্যাডমিন দ্বারা আমি joomla নামে একটি নতুন ডেটাবেজ তৈরী করেছি।

এখানে MySQL connection collation:utf8 unicode ci দেয়াই ভাল । এখানে Create new database এ আপনি জুমলার জন্য যেই ডেটাবেজ ব্যবহার করবেন তার নাম দিয়ে দিন্ তারপর Create এ ক্লিক করলে উক্ত ডেটাবেজটি তৈরী হয়ে যাবে এবং পাশের সাইডবারে দেখাবে। এখানে joomla(0) দেয়া আছে কারন এই ডেটাবেজটি এখনো ব্যবহার করা হয়নি। তাই এতে কোন এন্ট্রি না থাকাতে 0 দেখাচ্ছে। আর উপরে যে “localhost” দেখছেন সেটি হচ্ছে Mysql ডেটাবেজ এর Host Name । এটির কথাই পূর্বে বলেছিলাম। অতএব আপনাকে Mysql ডেটাবেজ এর Host Name , username এবং password সম্পর্কে জেনে রাখা লাগবে।


চিত্রঃ ১ PHPMyadmin

এবার চলুন জুমলা ডাউনলোড করে ফেলি । এখানে জুমলার সবগুলো ভার্সন আছে । আপনার পছন্দ অনুযায়ী কোন একটি ডাউনলোড করে নিন। তবে জুমলার সর্বশেষ স্টেবল ভার্সনটি হচ্ছে 1.0.13 এটিও ডাউনলোড করতে পারেন। ডাউনলোডিং এর সময় দেখবেন
তিনটি আর্কাইভঃ

১. Joomla_1.0.13-Stable-Full_Package.tar.gz
২. Joomla_1.0.13-Stable-Full_Package.tar.bz2
৩. Joomla_1.0.13-Stable-Full_Package.zip

আপনি লিনাক্স ব্যবহারকারী হলে প্রথমটি বা দ্বিতীয় টি ডাউনলোড করতে পারেন বা উইন্ডোজ ব্যবহারকারী হলে Joomla_1.0.13-Stable-Full_Package.zip ফাইলটি ডাউনলোড করুন।

ডাউনলোড করার পর ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করুন কোন আর্কাইভার দিয়ে।

এক্সট্রাক্ট বা আনকমপ্রেসের পর ফোল্ডারটির নাম joomla দিয়ে দিলাম। ফোল্ডারের ভেতর ঠিক এরকম ফাইল সমূহ দেখাবে।

চিত্রঃ ২ জুমলা ফাইল

এখন এই ফাইল গুলো কে কপি করে কোন এফটিপি সফটওয়্যার দিয়ে তা আপনার ওয়েব সার্ভারে আপলোড করতে হবে। তার আগে বলে নেই আপনার ওয়েবসাইটে যদি পূর্ব থেকেই ওয়েবপেজ থেকে থাকে তবে উপরের ফাইলগুলোকে আমার মত একটি ফোল্ডারে রেখে আপলোড করতে পারেন । বা যদি উক্ত ওয়েবসার্ভার কে শুধূ জুমলা সাইটের জন্য ব্যবহার করতে চান তবে শুধূ উপরের ফাইল গুলোকে কপি করে ওয়েব সার্ভারের রুট ফোল্ডারে (এফটিপিতে লগইনের পর যেই ফোল্ডার দেখা যায়) পেষ্ট করতে হবে। আপনি এজন্য পছন্দমত এফটিপি ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে পারেন। এখানে আমি ব্যবহার করেছি FileZilla FTP Client 3.0 ব্যবহার করেছি।


চিত্রঃ ৩ এফটিপি এ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য প্রদান

এখন আপনার এফটিপি ক্লায়েন্ট চালু করে নতুন এ্যাকাউন্ট তৈরী করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিন যেমন Ftp hostname (জেনেনিন আপনার হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছ থেকে) , Username , Password দিয়ে। তারপর লগইন করুন ।

এফটিপি সার্ভারে লগইনের পর আপনার ওয়েবসার্ভারের রুট ফোল্ডার দেখাবে এবং ফাইল সমূহ দেখাবে।

চিত্রঃ ৪ এফটিপি সার্ভারে লগইন করার পর

এখান থেকে আপনি যেকোন ফাইল ডিলিট করতে পারেন মুভ করতে পারেন এবং ফাইলের Permission পরিবর্তন করতে পারেন।
এখন আমরা যে জুমলার ফাইলগুলো joomla নামে একটি ফোল্ডারে রেখেছিলাম তা এখন ওয়েবসার্ভারে কপি করব।

চিত্রঃ ৫ ট্রান্সফার টাইপ বা মোড Ascii তে পরিবর্তন

তবে কপি করার আগে একটি গুরত্বপূর্ন বিষয় পিএচপির মত ওয়েবস্ক্রিপ্ট বা কোড ফাইল গুলো অবশ্যই এফটিপিতে Ascii মোডে আপলোড করতে হবে। Binary মোডে করা যাবেনা । নতুবা স্ক্রিপ্ট গুলো কাজ করবে না। এই অপশনটি এফটিপি ক্লায়েন্ট গুলোর সেটিংস বা প্রেফারেন্স অপশন হতে পাওয়া যেতে পারে আপনি খূজে দেখুন এবং তা Ascii মোডে করে দিন। এবার জুমলার ফাইলগুলো আপনার ওয়েব সার্ভারে আপলোড করে ফেলুন(আমি joomla ফোল্ডারটিকেই আপলোড করে দিলাম)।
আপলোড হয়ে গেলে এবার আপনার ওয়েবসাইটের url অনুযায়ী http://www.yoursitename.com/joomla/installation/index.php
অর্থাৎ জুমলার ফাইল গুলোর মধ্যে installation ফোল্ডারে index.php ফাইলের সঠিক এ্যাড্রেস ব্রাউজারে টাইপ করে এন্টার দিন তবে নীচের মত Joomla web installer উইজার্ড এর প্রথম ধাপ pre-installation checkআসবে। এখানে জুমলা ইনস্টলের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিষ গুলো উপস্থিত আছে কিনা দেখা হবে।

চিত্রঃ ৬ জুমলা pre-installation check উইজার্ড

উপরে যে লিস্ট দেখতে পাচ্ছেন এবং ডানের সবুজ রং এর দ্বারা বোঝানো হচ্ছে উক্ত বিষয় গুলির সাপোর্ট আছে। তবে এখানে একটা বিষয় আপনি যদি লিনাক্স সার্ভারে জুমলা ইনস্টল করেন তবে ৩ নং অংশে Directory and File Permissions Check: এ ডান পাশের স্টেটাস গুলি লাল রং এ দেখাতে পারে । এর অর্থ হচ্ছে আপনাকে উক্ত ফোল্ডার/ডিরেক্টরীর ফাইল পারমিশন পরিবর্তন করতে হবে। এটি এফটিপি ক্লায়েন্টের মাধ্যমেও করা যায় ।

চিত্রঃ ৭ ফাইল পারমিশন পরিবর্তন

তাই স্টেটাস লাল রং এ দেখা গেলে আপনার এফটিপি ক্লায়েন্টের ( FileZilla FTP Client 3.0 ) থেকে উক্ত ফোল্ডারগুলোর উপর রাইট ক্লিক করে File Attributes.. এ ক্লিক করে Owner permissions Read = Write = Execute এ টিক মার্ক দিয়ে দিন। তারপর http://www.yoursitename.com/joomla/installation/index.php
পেজটি পূনরায় রিফ্রেশ করে দেখূন লাল লেখা গুলো সবুজ হয়েছে কিনা। তবে ফাইল পারমিশন পরিবর্তনের ক্ষেত্র্রে অহেতুক ঝুঁকি এড়াতে অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিলে ভালো হয়।

এবার সব ঠিক থাকলে Next >> এ ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যান। license পেজ দেখে আবার Next >> এ ক্লিক করুন।

এবার আসবে জুমলা ইনস্টলেশনের প্রথম ধাপ MySQL database configuration: এটিই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

চিত্রঃ ৮ ১ম ধাপ MySQL database configuration

এখানে
Hostname: আপনার MySQL database এর হোস্টনেম যেটা পূর্বেই জেনে রাখতে বলেছিলাম

MySQL User Name: আপনার MySQL database এর ইউজারনেম

MySQL Password: আপনার MySQL database এর পাসওয়ার্ড

MySQL Database Name: এখানে সেই ডেটাবেজটির নাম দিতে হবে যেটি আমরা জুমলার জন্য ব্যবহার করব। মনে আছে তো আমরা জুমলা ইনস্টলের পূর্বেই joomla নামে একটি ডেটাবেজ তৈরী করে নিয়েছিলাম তাই ডেটাবেজটির নাম হুবহু এখানে উল্ল্যেখ করা হয়েছে। এই তথ্যগুলি দেবার পর বাকি সবকিছু অপরিবর্তিত রেখে Next >> বাটনে ক্লিক করুন। তখনই জুমলার ডেটাবেজে জুমলার প্রয়োজনীয় এন্ট্রি ঢোকা শুরু হয়ে যাবে । তা শেষ হয়ে গেলে পরবর্তী ধাপ আসবে।

চিত্রঃ ৯ ২য় ধাপ জুমলা সাইটের নাম দিন

এখানে আপনার জুমলার সাইটের জন্য একটি নাম দিতে হবে যা সাইটটির টাইটেল নেম হিসেবে এবং ইমেইলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে । নামদিয়ে আবার Next >> বাটনে ক্লিক করুন।

চিত্রঃ ১০ ৩য় ধাপ

এবার আসবে ৩য় ধাপ। এখানে আপনার ইমেইল এ্যাড্রেস এবং admin paassword চাওয়া হবে। এখানে আপনার ইমেইল এ্যাড্রেস দিয়ে দিন যেটি এ্যাডমিন এর ইমেইল এ্যাড্রেস হিসেবে ব্যবহৃত হবে এবং Admin password এ মনে রাখতে পারবেন এমন পাসওয়ার্ড দিন । এই পাসওয়ার্ড টি পরবর্তী তে আপনার জুমলার এ্যাডমিন প্যানেলে ঢোকার ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে। বাকি অপশন গুলো অপরিবর্তীত রেখে Next >> বাটনে ক্লিক করুন ।

চিত্রঃ ১১ ৪র্থ ধাপ ইন্সটলেশন সম্পন্ন

এটিই শেষ ধাপ অর্থাৎ আপ্নার জুমলার ইনস্টলেশন শেষ হয়েছে এবং ব্যবহারের জন প্রস্তুত । এবার আপনাকে জুমলার installation
ডিরেক্টরি/ ফোল্ডার কে মুছে ফেলতে হবে বা সার্ভার থেকে অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে হবে। এখানে আপনাকে লগইনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য অর্থাৎ ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দেখানো হবে । চিত্রে উপরে View Site এ ক্লিক করলে জুমলার ডিফল্ট থিমে আপনার বহু আকাঙ্খিত জুমলা ওয়েবসাইটটি দেখতে পারবেন এবং Administration এ ক্লিক করলে লগইন পেজে চলে যাবেন।

এবার চলুন জুমলা সাইটটি কেমন দেখা যাকঃ

চিত্রঃ ১২ জুমলা হোমপেজ

 

চিত্রঃ ১৩ জুমলা এ্যাডমিন প্যানেল

টরেন্ট তৈরী এবং শেয়ারিং এর টিউটোরিয়াল

টিউটোরিয়ালটি পড়ার আগেই টরেন্ট সম্পর্কে সাধারন ধারনা পাবার জন্য [[ এই ]] পোষ্টটি দেখুন:

এবার আসুন শুরু করি –

যা যা লাগবে –

১. শুধু একটি টরেন্ট ক্লায়েন্ট যা দিয়ে টরেন্ট ডাউনলোড করার পাশাপাশি টরেন্ট তৈরী করা যায়। আমি এক্ষেত্রে ব্যবহার করছি
µTorrent

2. একটি ট্র্যাকার ইউআর এল যেটি আপনার টরেন্টটির বর্তমান অবস্থা , সিডার , পিয়ার ইত্যাদি তথ্য জানাবে ( উপরের লিন্কটি থেকে এগুলো সম্বন্ধে জেনে রাখূন)
বেশ কিছু টরেন্ট সাইট ট্রাকারের সুবিধা দেয় যার মধ্যে http://thepiratebay.org/ একটি

এবার µTorrent ডাউনলোড করুন।

করার পর ইউটরেন্ট ওপেন করুন। প্রথমেই বলি টরেন্ট কিভাবে ডাউনলোড করবেন।

টরেন্ট সাইটগুলো থেকে আপনার প্রয়োজনীয় ফাইলটির টরেন্ট ডাউনলোড করুন । ফাইলটি ( .torrent ) এক্সটেনশনযুক্ত হবে

এরকম “Top 15 Web 2.0 WordPress Blog Templates.torrent”

এবার ইউটরেন্ট থেকে ফাইলটি ওপেন করুন Add Torrent এ ক্লিক করে।

pic-1.jpg

চিত্রঃ ১

তাহলে Add new Torrent window আসবে। এখানে যথাক্রমে

Save as : টরেন্ট ফাইলটি আপনি যেখানে সেভ করতে চান
মাঝখানের অংশটি গুরুত্বপূর্ন নয়

Torrent content : এখানে select all দিলে টরেন্টে যতগুলো ফাইল আছে তা ডাউনলোডের জন্য সিলেক্ট হয়ে যাবে। তবে আপনি select None দিয়ে
সবগুলো আনসিলেক্ট করে শুধু কয়েকটি ফাইল সিলেক্ট করতে পারেন ডাউনলোডের জন্য।
এবার উপরে Start Torrent বক্সটি চেকমার্ক করা থাকলে ok ক্লিক করলেই টরেন্ট টি ডাউনলোড হওয়া শুরু করবে।

তবে মনে রাখবেন টরেন্ট সাধারন ডাউনলোডিং এর মতো নয় । টরেন্ট ডাউনলোড শুরু করার পর এটির ট্র্যাকার প্রথমে seeder(শেয়ারকারী)peer(ডাউনলোডকারী) খুঁজবে।
সিডারের সংখ্যা কম হলে ডাউনলোড ধীরে হবে। তবে আপনাকে কিছুক্ষন ধৈর্য সহকারে অপেক্ষা করতে হবে।

এবার আসুন µTorrent এর ইন্টারফেসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই।

pic-2.jpg

চিত্রঃ ২

Name : টরেন্টটির নাম

Size : ডাউনলোডকৃত ফাইলটির আকার

Downloaded : যতটুকু ডাউনলোড হয়েছে

Remaining : যতটুকু বাকি আছে

Done : যত পারসেন্ট সম্পূর্ন হয়েছে

Status : আপনি ডাউনলোড বা আপলোড কোনটা করছেন

Seeds : সিডার শেয়ার/আপলোডকারীর সংখ্যা

Peers : পিয়ার বা ডাউনলোডকারীদের সংখ্যা

Download speed : যত স্পিডে ডাউনলোড হচ্ছে

Upload Speed : যত স্পিডে আপলোড হচ্ছে

Uploaded : আপনি যতটুকু আপলৌড বা শেয়ার করেছেন

Ratio : আপনার ডাউনলোড এবং আপলোডের গড় হিসাব

নীচে speed ট্যাবে আপনার ডাউনলোড এবং আপলোডের পরিমান গ্রাফ আকারে দেখাবে।
Peers ট্যাবে ডাউনলোড বা আপলোডকারীদের এবং তাদের ডাউনলোড এবং আপলোডিং এর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

এছাড়াও উল্ল্যেখ্য আপনি যেকোন টরেন্টের উপর রাইট ক্লিক করে বিভিন্ন অপশন পেতে পারেন এবং ডাউনলোডিং ও আপলোডিং এর জন্য
ব্যবহৃত ব্যান্ডউইডথ নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন।

pic-3.jpg

চিত্রঃ ৩

এবার আসি মূল টিউটোরিয়ালে

| টরেন্ট তৈরী |

আগেই http://thepiratebay.org/ তে গিয়ে একটি এ্যাকাউন্ট তৈরী করে নিন। এটা পরে কাজে আসবে।

এখন আমি আমার কম্পিউটারের কিছু ফাইল টরেন্টে শেয়ার করে দেখাচ্ছি।

এজন্য প্রথমে µTorrent থেকে File > Create New Torrent এ ক্লিক করি।

pic-4.jpg
চিত্রঃ 8

তার পর Add File ( একটি ফাইলের ক্ষেত্রে ) Add Directory (একটি ফোল্ডারের ক্ষেত্রে)
এখন আমার কম্পিউটারের একটি ফোল্ডার সিলেক্ট করে Add করলাম।

Trackers: টরেন্টের ক্ষেত্রে ট্রাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন । এখন আমি thepiratebay.org সরবরাহকৃত ট্রাকার url টি ব্যবহার করছি

http://tpb.tracker.thepiratebay.org/announce

এই url টি হুবহূ ” Trackers: “ অংশে পেষ্ট করে দিলাম।

এবার Create and save as বাটনে ক্লিক করে মূল টরেন্ট ফাইলটি তৈরী করি ” BD Actress and model’s.torrent “ তারপর সেভকরি

pic-5.jpg
চিত্রঃ ৫

তাহলে এটি সেভ হয়ে আপনার ইউটরেন্টের লিস্টে চলে আসবে। এখন লিস্টথেকে টরেন্ট টির উপর রাইটক্লিক করে Remove ক্লিক করে টরেন্টটি লিস্ট থেকে
সরিয়ে ফেলি। কারন এটি আপতত প্রয়োজন নেই।

এবার আমি যেই টরেন্টটি সেভ করলাম সেটা হাতের কাছে রাখলাম।

এখন আমি যে টরেন্ট তৈরী করলাম এবং যে ফাইল শেয়ারিং করব তা অন্যদের তো জানাতে হবে তাইনা । তাই এজন্য রয়েছে thepiratebay.org মত
সাইট।

এবার thepiratebay.org তে গিয়ে লগইন করলাম তারপর সেখান থেকে Upload torrent লিন্কে ক্লিক করলাম

তাহলে এরকম পেজ আসবে।

pic-6.jpg
চিত্রঃ ৬

এখানে Browse এ ক্লিক করে আমার তৈরী করা BD Actress and model’s.torrent ফাইলটি সিলেক্ট করে এ্যাড করে
দিলাম।

তার পরে Torrent name: এ আমার ইচ্ছা মত নাম দিলাম

Catagory: থেকে টরেন্টটি যে ক্যাটাগরির আওতায় পড়ে তা সিলেক্ট করে দিলাম।

Description: এ টরেন্ট টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পারেন।

এবার Enter code from image: ছবি অনুযায়ী কোড লিখে upload এ ক্লিক করে টরেন্ট টি আপলোড করে দিলাম।

টরেন্ট টি পাবেন এখানে
এবার আপলোড কৃত টরেন্টটি Download this torrent এ ক্লিক করে ডাউনলোড করি।

মূল টরেন্টটি আগেই তৈরী করলেও কাজে আসবে এই টরেন্টটি

Picture_collection_of_bangladeshi_girl_and_female_model.3724870.TPB.torrent

এবার আগের মত করে এই টরেন্টটি ইউটরেন্টে ওপেন করুন।

লিস্টে আসার পর সেটির ওপর রাইটক্লিক করে টরেন্টটি ডাউনলোড অবস্থায় থাকলে সেটিকে স্টপ করি।

এবার সেই মেনু থেকে Advanced > Set download location এ ক্লিক করি

pic-7.jpg
চিত্রঃ ৭

তারপর যেই ফোল্ডার বা ফাইল টি আমি শেয়ার করছি সেটি সিলেক্ট করে ok তে ক্লিক করি।

pic-8.jpg
চিত্রঃ ৮

তাহলে ইউটরেন্ট ফোল্ডার বা ফাইলটি রি- চেক করবে আপনি Done কলাম থেকে তা দেখতে পাবেন।

চেক হয়ে গেলে অটোমেটিকেল্যালি সিড হওয়া শুরু করবে । না হলে stop এক্লিক করে আবার start এ ক্লিক করুন।
তা হলে সিডিং শুরু হয়ে যাবে মানে আপনি সিড/শেয়ার/আপলোড করছেন। Status কলামে seeding দেখাবে।

এবার seeds এবং peers কলামে সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় কিনা লক্ষ্য করুন এছাড়াও নীচে speed ট্যাবেও
লক্ষ্য রাখতে পারেন গ্রাফ দেখা যাচ্ছে কিনা । সবুজ রেখা ডাউনলোডিং এর আর লাল রেখা আপলোডিং এর।

pic-9.jpg
চিত্রঃ ৯

এছাড়াও Peers ট্যাবেও দেখতে পারেন। যারা আপনার টরেন্ট থেকে ডাউনলোড করছে এবং আপনি যাদের থেকে ডাউনলোড করছেন

pic-10.jpg
চিত্রঃ ১০

এখন আপনার পিয়ার অর্থাৎ যারা আপনার ফাইলটি ডাউনলোড করছে তাদের সবার % percentage ১০০% পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত
সিড করতে থাকুন। তাদের ১০০% পুরো হলে অর্থাৎ তারা আপনার ফাইল সম্পূর্ন ডাউনলোড করলে তারা একে একে লিস্ট থেকে মিলিয়ে যেতে থাকবে
এবং তারা সিডার হিসেবে যোগ দিতে থাকবে *যদি তারা সিড করতে ইচ্ছুক হয়*। আপনি সিডারের সংখ্যা পাইরেটবে এর আপনার টরেন্টের পেজে
Seeders: এর পাশের সংখ্যা দেখে বুঝতে পারবেন এবং তার নীচেই Leechers: এর সংখ্যা দেখে বুঝতে পারবেন
কতজন আপনার ফাইল ডাউনলোড করছে।

pic-11.jpg
চিত্রঃ ১১

এভাবে সিডের সংখ্যা যত বেশী হবে অন্যেরা তত স্পিডে ডাউনলোড করতে পারবে। সীডারের সংখ্যা আনেকবেশী হরে আপনাকে তখন সিডিং নাও কলে চলবে তখন আপনি stop
এ ক্লিক করে সিডিং বন্ধ করে দিতে পারেন।

মজার ফাইল শেয়ারিং টেকনোলজি তাইনা। একটু চেষ্টা করলেই পারবেন।

আমার এই টরেন্ট টি চেক করে দেখতে পারেন :

Link

আর কোন সমস্যা হলে জানাবেন ধন্যবাদ

কৃতজ্ঞতা স্বীকার:

Thanks to http://www.banglatorrents.com for good tutorials and help

Mount HD drive in linux

লিনাক্সে উইন্ডোজের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ দেখা

আপনি যদি নতুন লিনাক্সব্যবহার কারী হন বা মাত্র লিনাক্স ব্যবহার শুরু করেছেন। তবে দেখে থাকবেন যে আপনার অন্যান্য হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কোথাও দেখা যাচ্ছে না। কারন লিনাক্সে হার্ডডিস্ক , ইউএসবি বা রিমুভেবল ডিস্ক দেখানো হয় mount করার মাধ্যমে।তবে কিছু কিছু লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন startup এর সময় হার্ডডিস্ক মাউন্ট করে থাকে। যেমন Ubuntu Linux , OpenSuse 10.1। তবে OpenSuse 10.1 এর ক্ষেত্রে কিছুটা এভাবে করতে হবেঃ

Gnome মেনু থেকে –

Application > System > Configuration > Gnome Configuration Editor এ ক্লিক করে

চিত্রঃ Gnome Configuration Editor

Gnome Configuration Editor ওপেন করুন তারপর বামের ফোল্ডার গুলো expand করেঃ

/ > System > storage এ এসে

# Display drives with removable media

# Display external drives

# Display internal hard drives

এগুলোতে টিকমার্ক দিয়েদিন আর scsi হার্ডডিস্ক থাকলে scsi অপশন গুলোতেও টিকমার্ক দিয়ে দিন। তার পর সুসি রিস্টার্ট করুন । তবে আপনার ড্রাইভ গুলো দেখতে পাবেন।

আর সব লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন গুলোর ক্ষেত্রেঃ

লিনাক্সে NTFS পার্টিশন মাউন্ট করতে কিছটা সমস্যা আছে, মাউন্ট করলে সম্ভবত রিড অনলি এক্সেস দিবে। Fat32 ক্ষেত্রে

লিনাক্স কিন্তু আপনার হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কে C,D,E এভাবে দেখাবে না । লিনাক্স দেখাবে hda,hdb1,hdb2 ,hdb5 এভাবে

[ উল্ল্যেখ্যঃ

primary Master = hda

primary slave = hdb

Secondary Master = hdc

Secondary slave = hdd

]

এখন কিভাবে বুঝবেন কোনটা আপনার ড্রাইভ?

ধরুন আপনার আমার মত লিনাক্সের পার্টিশন গুলো বাদে মোট ৮ টি পার্টিশন আছে।

তবে
C drive টি হবে = hda1

D drive = hda5 [ C drive এর পরের ড্রাইভ গুলো শুরু হবে hda5 থেকে ]

এরপর বাকি গুলো যথাক্রমে

E drive = hda6

F drive = hda7

G drive = hda8

H drive = hda9

I drive = hda10

J drive = hda11

এভাবে

আর এই hda,hdb গুলো পাবেন কোথায়?

আপনার লিনাক্সে রুট ‘ / ‘ পার্টিশন থেকে এভাবে যান /dev/ সেখানে স্ক্রোল করে দেখবেন এগুলো আছে।

এবার দেখা যাক কি করে এগুলোকে লিনাক্সে মাউন্ট করা যায়

চিত্রঃ ফোল্ডার তৈরী

প্রথমে /mnt/ এ যান সেখানে c, d, e, f, g, h, i, j নামে একয়টি ফোল্ডার তৈরী করুন [ এগুলো মুছবেন না ]

এবার নিচের মত করে কমান্ড গুলো ‘স্পেস’ সহ টেক্সটফাইলে লিখে রাখুনঃ

mount -t vfat /dev/hda1 /mnt/c

mount -t vfat /dev/hda5 /mnt/d

mount -t vfat /dev/hda6 /mnt/e

mount -t vfat /dev/hda7 /mnt/f

mount -t vfat /dev/hda8 /mnt/g

mount -t vfat /dev/hda9 /mnt/h

mount -t vfat /dev/hda10 /mnt/i

mount -t vfat /dev/hda11 /mnt/j

[ উল্ল্যেখ্যঃ

-t = ফাইল সিস্টেমের ধরন

vfat =ফাইল সিস্টেম

hda = হার্ডডিস্ক primary Master হিসেবে থাকলে ]

এখন ধরে নিচ্ছি রুট হিসেবে লগইন করে আছেন । এবার Terminal ওপেন করে ‘ mount -t vfat /dev/hda1 /mnt/c ‘ এই কমান্ডটি দিন স্পেস সহ

এবার /mnt/c/ ফোল্ডারে ঢুকে দেখুন আপনার C ড্রাইভের ফাইলগুলো দেখা যাচ্ছে কিনা! দেখা গেলে বাকি গুলোও একই ভাবে মাউন্ট করুন।

এখন আপনি লিনাক্স রিস্টার্ট করলে এই ড্রাইভ গুলো আনমাউন্ট হয়ে যাবে। পরে আবার লগইইন এর পর আবার সেই কমান্ডদিয়ে হার্ডডিস্ক মাউন্ট করতে হবে। এখন এই ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় কিভাবে?

ধরুন আপনি চান লিনাক্স স্টার্ট আপের সাথে সাথেই সবগুলো হার্ডডিস্ক মাউন্ট হয়ে যাবে কোন কমান্ড দেওয়া লাগবেনা তবেঃ

/etc/ ফোল্ডারে গিয়ে ” fstab ” ফাইলটি কোন এডিটর দিয়ে ওপেন করুন। তবে সেখানে কিছুটা এরকম কোড দেখতে পাবেন।

চিত্রঃ fstab

সেখানে আরো কিছু কোড যুক্ত করতে হবেঃ

নিচের কোড গুলো এ্যাড করুন সেখানে

/dev/hda1 /mnt/c vfat defaults 0 0
/dev/hda5 /mnt/d vfat defaults 0 0
/dev/hda6 /mnt/e vfat defaults 0 0
/dev/hda7 /mnt/f vfat defaults 0 0
/dev/hda8 /mnt/g vfat defaults 0 0
/dev/hda9 /mnt/h vfat defaults 0 0
/dev/hda10 /mnt/i vfat defaults 0 0
/dev/hda11 /mnt/j vfat defaults 0 0

আপনার ড্রাইভটি যদি ntfs হয় তবে ৩ নং সারিতে vfat এর যায়গায় ntfs দিয়ে দিন।

ব্যাস এর পর থেকে লিনাক্স স্টার্টআপের সময় আপনার ড্রাইভ গুলো মাউন্ট হয়ে যাবে এবং /mnt/ ভেতরের
c, d, e, f, g, h, i, j ফোল্ডার থেকে আপনার হার্ডিস্কের সেই পার্টিশন গুলো এ্যাক্সেস করতে পারবেন।

তবে এই সবের পূর্বে ” fstab ” ফাইলটির একটি ব্যাকআপ কপি রাখুন করুন।

আর আপনার লিনাক্স সম্পর্কিত সমস্যা http://forum.linux.org.bd/ এখানে

বা Bdlug এ আলোচনা করতে পারেন।


আর রাসেল ভাইকে ধন্যবাদ বিষয় টি পরিষ্কার ভাবে বোঝানোর জন্য

Unijoy in OpenSuse 10.1

আপনি যদি লিনাক্স ব্যবহার করে থাকেন। তবে দেখে থাকবেন লিনাক্সে “Probhat” নামে বাংলা কি বোর্ড লেআউট আছে। যেটি একটি ফোনেটিক লেআউট। যেমন k= ক ,b= ব বা m=ম আসে। তবে আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বিজয় কিবোর্ড লেআউট ব্যবহারে অভ্যস্ত। কিন্তু লিনাক্সে বিজয় ব্যবহারের উপায় নেই। তবে আপনি unijoy লেআউটটি ব্যবহার করতে পারেন। যেটি একুশের তৈরী। এই লেআউটটি বিজয়ের খুব কাছাকাছি তাই বিজয় ব্যবহার করে থাকলে এটি ব্যবহারে সমস্যা হবেনা। তবে ছোট পার্থক্য হচ্ছে এতে অক্ষরের পরে ে=কার , ৈ=কার ,ো=কার বা ি=কার দিতে হয়। অর্থাৎ আমরা হাতে লেখার সময় যেমনটি লেখি।

যেমন “কেমন” লেখতে আগে ক=ে=ম=ন

বা কোথায়” ক=ো=থ=া=য় এভাবে

এখন লিনাক্সে যারা ফোনেটিক লেআউট ব্যবহারে অভ্যস্ত না বা স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন না তারা এই লেআউটটি ব্যবহার করতে পারেন।

তাদের http://ekushey.sourceforge.net/ সাইট থেকে লেআউটটির উইন্ডোজ ভার্সনটি ট্রাই করতে পারেন।

আর লিনাক্সে ব্যবহারের পদ্ধতি বলছি।

আমি বর্তমানে OpenSuse 10.1 ব্যবহার করছি এবং Gnome ডেক্সটপ ব্যবহার করছি।

এবার দেখাযাক কিভাবে ইউনিজয় লেআউট ইনস্টল করলামঃ –

প্রথমে Gnome প্যানেলের Desktop মেনু থেকে YaST Control Center এ ক্লিক করে (বা খুজে দেখুন এটি কোথায় আছে kde ব্যবহার করলে) YaST Control Center চালু করুন।

চিত্রঃ YaST Control Center

চালু করলে YaST Control Center উইন্ডো থেকে ” Software Management ” এ ক্লিক করুন তাহলে ” Software Management ” উইন্ডো তে ইন্সটলড আনইন্সটলড সকল সফটওয়্যারের লিস্ট দেখতে পাবেন।

চিত্রঃ YaST Software Management

এবার ” Filter: ” থেকে ‘Search’ সিলেক্ট করুন তারপর scim লিখে সার্চ করুন। দেখুন scim প্যাকেজটি ইনস্টল করা আছে কিনা।
ইন্সটল করা থাকলে বা পাশে টিক চিহ্ন দেখাবে। না করা থাকলে টিকমার্ক দিয়েদিন। তারপর নিচের Accept বাটনে ক্লিক করুন। এখন আপনার সুসির সিডি বা ডিভিডি হাতের কাছে রাখুন এগুলো এখন লাগবে। সিডি/ডিভিডি ঢুকিয়ে সেগুলো ইস্টল করুন।

এবার আবার Software management এ ফিরে আসুন।

চিত্রঃ Bangla Language

এবার ” Filter: ” থেকে “Language” সিলেক্ট করুন তাহলে অনেকগুলো language সহ ” bn Bengali ” দেখতে পাবেন। সেটি সিলেক্ট করুন তবে ডানে ৫টির মত প্যাকেজ দেখতে পাবেন সবগুলো সিলেক্ট করুন বা ” bn Bengali ” তে টিকমার্ক দিন। এখানে ’scim-m17n’ মূল। এবার আবারো আগের মত “Accept” বাটনে ক্লিক করুন।

চিত্রঃ Accept

এবং সেগুলো সিডি বা ডিভিডি থেকে ইনস্টল করে নিন।

এখন আপনার ‘Gnome pannel’ বা taskbar যাকে বলে তাতে ছোট একটা কিবোর্ড আইকন দেখতে পাবেন। যদি তা দেখতে না পান তবে Application menu থেকে system> configuration> SCIM input mathod setup এক্লিক করুন।

চিত্রঃ SCIM input mathod setup enable taskbar icon

এখন বামের Panel>GTK তে ক্লিক করে Mics এর আন্ডারে ’show tray icon’ এ টিক মার্ক দিয়ে দিন। তবে প্যানেল কিবোর্ড আইকনটি দেখতে পাবেন। হয়তো বা রিস্টার্ট করার প্রয়োজন হতে পারে।

চিত্রঃ SCIM input mathod setup select unijoy layout

এবার SCIM input mathod setup উইন্ডো থেকে বামের মেনু থেকে IMEngine>Global Setup>

এ ক্লিক করে যেই “Bengali” দেখতে পাচ্ছেন তাতে ক্লিক করে ‘M17N-bn-unijoy’ সহ দুটোতেই টিকমার্ক দিয়ে দিন।

এবার যখনই কোন এডিটরে বা কোথাও লেখার কাজ করবেন তখন taskbar থেকে সেই কিবোর্ড আইকনে ক্লিক করে লিস্ট থেকে

Bengali থেকে unijoy সিলেক্ট করুন এবং স্বাচ্ছন্দে লেখুন

বা ctrl+ space দিয়েও লেআউট পরিবর্তন করতে পারেন।

আর আপনি উবুন্ট লিনাক্স ব্যবহার করে থাকলে অমিআজাদের ( একুশেরই একজন ডেভলপার ) ব্লগের এই টিউটোরিয়ালগুলো দেখতে পারেনঃ

লিনাক্সে ইউনিজয় বাংলা কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার

লিনাক্সের সব এ্যপ্লিকেশনে ইউনিজয় বাংলা কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার

Add feature in wordpress default editor

আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে লগইনের পরে যা দিয়ে ব্লগ লিখেন তাই হচ্ছে এডিটর। এডিটরটির নাম হচ্ছে TinyMCE editor । এটি একটি জনপ্রিয় WYSIWYG এডিটর। এটি ওয়ার্ডপ্রেস ছাড়াও অন্যান্য ব্লগে CMS ( content Management System) এ এডিটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

যাই হোক ওয়ার্ডপ্রেসের যেই ডিফল্ট এডিটর আছে তাতে সাধারনত এডিটরটির সকল ফিচার বা অপশন by default হিসেবে থাকেনা । আপনি চাইলে পরে সেগুলো এ্যাকটিভেট করতে পারেন। এডিটরের ফাইলে কিছু কোড যুক্ত করেই। ভয় পাবেন না তেমন কঠিন কিছুই না। আর অপশনগুলো যেমন ধরুন ফন্ট সাইজ ছোট বড় করা,ফোরগ্রাউনড বা ব্যাকগ্রাউন্ড কালার,ফন্ট সিলেক্ট সহ আরো ফরমেটিং অপশন।

আসুন তবে দেখাযাক কিভাবে করবেন এটি

এখন আপনার ওয়েবসার্ভারে রাখা ওয়ার্ডপ্রেসের ফাইল ফোল্ডারগুলোর মধ্যে wp-includes > js > tinymce > ফোল্ডারে গিয়ে tiny_mce_gzip.php ফাইলটি নোটপ্যাড বা অন্য এডিটর দিয়ে খুলুন। খোরার পর দেখুন এই লাইন গুলো পান কিনা-

1. $mce_buttons = apply_filters(‘mce_buttons’, array(‘bold’, ‘italic’, ‘strikethrough’, ‘separator’, ‘bullist’, ‘numlist’, ‘outdent’, ‘indent’, ‘separator’, ‘justifyleft’, ‘justifycenter’, ‘justifyright’ ,’separator’, ‘link’, ‘unlink’, ‘image’, ‘wordpress’, ‘separator’, ‘undo’, ‘redo’, ‘code’, ‘wphelp’));
2. $mce_buttons = implode($mce_buttons, ‘,’);
3. $mce_buttons_2 = apply_filters(‘mce_buttons_2’, array());
4. $mce_buttons_2 = implode($mce_buttons_2, ‘,’);
5. $mce_buttons_3 = apply_filters(‘mce_buttons_3’, array());
6. $mce_buttons_3 = implode($mce_buttons_3, ‘,’);

এখান থেকেই আপনি এডিটরে বিভিন্ন অপশন বা বাটন যুক্ত করতে পারবেন।

এখানে প্রথম $mce_buttons = apply_filters(‘mce_buttons’, array(‘bold’, ‘italic’,………………)
এখানে যে অপশনগুলির নাম দেয়া আছে সেগুলো ইতিমধ্যেই এডিটরে দেখা যাচ্ছে, যেমন বোল্ড ইটালিক সহ বাকি গুলো। তবে আরো অতিরিক্ত অপশনগুলো এ্যাড করতে হলেঃ

ধরুন আপনি এডিটরে একটি নতুন অপশন যুক্ত করতে চান যার মাধ্যমে আপনি এডিটর থেকেই লেখার সাইজ ছোট বড় করতে পারবেন। এখন শুধু আপনাকে সেই অপশনটির নাম যুক্ত করে দিতে হবে । যেমন লেখার সাইজ ছোটবড় করার জন্য ‘fontsizeselect’ লেখাটি প্রথম

$mce_buttons = apply_filters(‘mce_buttons’, array(‘bold’, ‘italic’, ‘strikethrough’, ‘separator’, ‘fontsizeselect’, ‘bullist’, ‘numlist’……………………’));

এর ‘separator’, এর পরে ‘fontsizeselect’, দুটো কোটেশন মার্কের মধ্যে কমা সহ দিয়ে দিলামঃ

এখন দেখতে পাচ্ছেন বোল্ড , ইটালিক,strikethrough এবং সেপারেটরের পরেই নতুন মেনু দেখতে পাচ্ছেন (ঠিক কোডে যেমনটি দেওয়া হয়েছিল) যার মাধ্যমে আপনি লেখা ছোট বড় করতে পারবেন। এ রকম আরো কিছু কোড শব্দ আছে যা দিয়ে একই ভাবে এডিটরটিতে নতুন অপশন এ্যাড করা যাবে। কোড গুলো পরে দিচ্ছি তার আগে আরো কিছু বিষয় বলে নেইঃ

উপরের কোড গুলোতে
$mce_buttons_ সহ কয়েকটি লাইন রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে যেই লাইনগুলোতে

$mce_buttons_2 = apply_filters(‘mce_buttons_2’, array());

আছে অর্থাৎ ‘apply_filters’ সহ সেগুলোর array() এর ব্রাকেট এর ভেতর একই ভাবে ফিচার সমূহের কোড যুক্ত করে দিলে এডিটরে তা দেখা যাবে তবে দ্বিতীয় লাইনে

ছবিটি দেখুনঃ

আমি তিন নম্বর লাইনে কিছু কোড যুক্ত করে দিয়েছি

$mce_buttons_2 = apply_filters(‘mce_buttons_2’, array(‘newdocument’, ‘backcolor’));

তাই ছবিটিতে দেখছেন দ্বিতীয় লাইনে আরো দুটি অপশন দেখা যাচ্ছে। তবে মনে রাখবেন apply_filters যেটাতে আছে সেই লাইনেই array() এর ব্রাকেট এর ভেতরে কোড দিতে হবে। এবার জানিয়ে দেই কোড গুলোঃ

‘bold’, ‘italic’, ‘underline’, ‘strikethrough’, ‘justifyleft’, ‘justifycenter’, ‘justifyright’, ‘justifyfull’, ‘bullist’, ‘numlist’, ‘outdent’, ‘indent’, ‘cut’, ‘copy’, ‘paste’, ‘undo’, ‘redo’, ‘link’, ‘unlink’, ‘image’, ‘cleanup’, ‘help’, ‘code’, ‘hr’, ‘removeformat’, ‘formatselect’,
‘fontselect’, ‘fontsizeselect’, ‘styleselect’, ‘sub’, ‘sup’, ‘forecolor’, ‘backcolor’, ‘charmap’, ‘visualaid’, ‘anchor’, ‘newdocument’, ‘separator’,

তথ্যসূত্র

এখন খেয়াল রাখবেন এধরনের কোন কাজ করার আগে “tinymce” ফোল্ডারটির tiny_mce_gzip.php ফাইলের একটি ব্যাকআপ কপি রেখে দেবেন। পরে সমস্যা হলে শুধু রিপ্লেস করে দেবেন।

How to apply bangla language in wordpress

আপনি যদি আপনার ওয়েবসার্ভারে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করে থাকেন ( ইন্সটলেশন গাইড ) তবে আপনি চাইলে আপনার ওয়ার্ডপ্রেসে অন্য কোন ভাষা বা বাংলা ভাষা ব্যবহার করতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেসের ইন্টারফেসের বিভিন্ন ভাষার ট্রান্সলেশনে ব্যবহৃত হয় .PO(Portable Object) এবং .MO(Machine Object) ফাইল। এই ফাইল গুলো হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেসের Language ফাইল। এতে ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহৃত শব্দগুলো ইংরেজীতে দেয়া আছে। যা .po ফাইলের জন্য বিশেষ কিছু এডিটর দিয়ে অন্যান্য ভাষায় অনুবাদ করা যায়।এমন একটি এডিটর হচ্ছে poEdit ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকে। ওয়ার্ডপ্রেসের অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ ফাইল wordpress.pot ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকে ।

পো -এডিট সম্পর্কে বিস্তারিত পরে বলব। এখন শুধু জানাবো এই লোকালাইজড বা অনুবাদকৃত ফাইলগুলো কি করে আপনার ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহার করবেন।

http://codex.wordpress.org/WordPress_in_Your_Language

এখানে বিভিন্ন ভাষার ওয়ার্ডপ্রেস ল্যাঙগুইজ ফাইল আছে। সেখানে Bangla – Bengali নামে বাংলা WordPress Language ফাইলের জন্য লিন্ক দেখতে পাবেন। হ্যা ওয়ার্ডপ্রেস কে মেঘদূত নামের প্রজেক্টে বাংলায় লোকালাইজ করা হয়েছে। সেখান থেকে প্রথম লিন্ক Bengali localization of wordpress. Project Code: Meghdut ক্লিক করুন তাহলে দুটো ফাইল দেখতে পাবেন bn.mobn.po
এদুটোই ওয়ার্ডপ্রসের বাংলা Language ফাইল। bn.mo হচ্ছে কম্পাইলকৃত language ফাইল যেটা আমরা ওয়ার্ডপ্রেস কে বাংলায় দেখতে ব্যবহার করবো , আর bn.po ও language ফাইল যেটা দ্বারা অনুবাদ করা হয়েছে এবং bn.mo ফাইল টি তৈরী করা হয়েছে।
আপনি চাইলে poEdit দিয়ে bn.po ফাইলটি খুলে পূর্বে অনুবাদকৃত বাংলা গুলো পরিবর্তন করতে পারবেন।


এবার আসা যাক বাংলা Language ফাইলটি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে ইনস্টলেশন পর্বেঃ

এখন এফটিপি ক্লায়েন্টের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসার্ভারে রাখা ওয়ার্ডপ্রেস ফাইল দেখুন। সেখান থেকে wp-includes ফোল্ডারে যান। সেখানে languages” নামে একটি ফোল্ডার তৈরী করুন। এবার সেই languages ফোল্ডারের ভিতরে bn.mo ফাইলটি কপি করুন।কপি হয়ে গেলে ওয়ার্ডপ্রেসের মূল ফোল্ডারে ফিরে আসুন। এবার সেখান থেকে wp-config.php ডাউনলোড করে ফাইলটি খুলুন ।

/ Change this to localize WordPress. A corresponding MO file for the
/ chosen language must be installed to wp-includes/languages.
/ For example, install de.mo to wp-includes/languages and set WPLANG to ‘de’
/ to enable German language support.
define (‘WPLANG’, ‘bn’);

উপরোক্ত কোড দেখতে পাবেন সেখানে একটি লাইনে define (‘WPLANG’, ”); কোড দেয়া থাকবে সেখানে ‘ ‘ এই দুটো মার্কের মধ্যে bn লিখে দিন।

এক্ষেত্রে মনে রাখবেন আপনার language ফাইলনেম যদি হয় bn.mo বা en.mo তবে শূধু নামটাই bn উপরের কোডে উল্যেখ করতে হবে। এক্সটেনশন সহ নয়।

এবার wp-config.php ফাইলটি সেভ করুন । তারপর আপনার সার্ভারে রাখা wp-config.php ফাইলের সাথে এই ফাইলটি রিপ্লেস করে দিন। ব্যাস কাজ হয়ে গেছে এবার আপনার ব্লগে বা লগইন করে এ্যাডমিনিস্টেশন প্যানেলে গিয়ে দেখুন বাংলা দেখতে পাচ্ছেন কিনা।

উল্ল্যেখ্য সকল বাংলা অনুবাদ ইউনিকোডে করা হয়েছে।

আমার লোকালসার্ভারে হোস্ট করা ওয়ার্ডপ্রেসের কিছূ স্ক্রিনশট দিলামঃ

চিত্রঃ লগইন উইন্ডো

চিত্রঃ ওয়ার্ডপ্রেস এডিটর

চিত্রঃ অপশন

চিত্রঃ ইউজারস্