ওপেনসুসি ১১.১ আরেকটি জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন

suse111_box

লিনাক্স হচ্ছে এমন একটি অপারেটিং সিস্টেম যার রয়েছে অনেক গুলো ডিস্ট্রিবিউশন,অনেকগুলো ফ্লেভার যা ব্যবহারকারী কে স্বাধীনতা দেয় তার পছন্দ ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন বেছে নেয়ার স্বাধীনতা। অর্থাৎ আপনি যদি মাল্টিমিডিয়া ব্যাবহারকারী হন বা অডিও ভিডিও এডিটিং এর কাজ করেন তবে আপনি সেসকল এ্যাপলিকেশন বা সুবিধা সম্বলিত লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন খুঁজে পাবেন তাছাড়াও অফিস বা কর্পোরেট ইউজার,লোকনফিগারেশন পিসির জন্য, ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্য মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওর জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন। এর মধ্যে কিছু লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবহারকারীদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পেয়েছে যার মধ্যে উবুন্টু সম্পর্কে তো আপনারা প্রায় সবাই জানেন তবেন উবন্টু ছাড়াও জনপ্রিয়তার শীর্ষে যেসকল লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন রয়েছে তার মধ্যে যথাক্রমে ওপেনসুসি,ফিডোরা,ডেবিয়ান,ম্যানড্রিভা, পিসিলিনাক্সওএস অন্যতম। আমার এর আগের বেশিরভাগ পোষ্টে আমি উবুন্টু নিয়েই বেশী লিখেছি এতে কেউকেউ আমার কাছে অভিযোগ এবং ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন আমি যেন অন্যান্য লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন নিয়েও লিখি তাই ভাবলাম ওপেনসুসি ১১.১ দিয়েই শুরু করি। উবুন্টুর পর এটি আমার দ্বিতীয় পছন্দের লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন।

সুসি লিনাক্স ওপেনসোর্স হলেও শুরুর দিকে এটি ফ্রি ছিলনা। এর এন্টারপ্রাইজ সার্ভার এডিশন কিনতে পাওয়া যেত যার টার্গেট ছিল এন্টারপ্রাইজ এবং কর্পোরেট ইউজার। তবে Novell Inc ২০০৩ সালের নভেম্বরে সুসি কে কিনে নেবার পর সুসির কমার্শিয়াল বা এন্টারপ্রাইজ ভার্সনের পাশাপাশি এর ফ্রি ভার্সন (SUSE Linux 10.0) রিলিজ করে যা ওপেনসোর্স কমিউনিটি ও ভলান্টিয়ার দ্বারা পরিচালিত এবং ডেভলপমেন্টের কাজ করা হয়। পরে এর নাম পরিবর্তন করে openSUSE 10.2 রিলিজ করা হয়। আসলে ফ্রি (openSUSE) ও এন্টারপ্রাইজ ভার্সনের মধ্যে খুব বেশী তফাৎ নেই। এন্টারপ্রাইজ এডিশন কিনলে আপনাকে সাপোর্ট এবং সার্ভিস প্রদান করা হবে আর ফ্রি ভার্সনে আপনি কমিউনিটি ও ভলান্টিয়ার দের কাছ থেকে সহায়তা পাবেন। তাই বলাযায় এটি হোমইউজারের পাশাপাশি অফিস ইউজারদের উপযোগী একটি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন। ওপেনসুসির যে বিষয়টি আমাকে আকর্ষন করে তা হল এর অসংখ্য প্রয়োজনীয় এ্যাপলিকেশনের কালেকশন এবং প্রতিটি নতুন ভার্সনে ডজনখানেকের বেশী উল্যেখযোগ্য ফিচার। তবে নোভেল এর যে বিষয়টি ভালোলাগেনি তা হল নোভেল মাইক্রোসফটের সাথে চুক্তি করেছে । এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে নোভেল তার প্রোডাক্টে মাইক্রোসফটের প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে এবং মাইক্রোসফটও তাই করতে পারবে। আমি এ বিষয় নিয়ে আগে লিখেছিলাম এখানে দেখুন। তবে আমার মতে মাইক্রোসফট ভরসা করার মত কোম্পানী নয় । কেন সেটি আমার ওই লেখা থেকেই বুঝতে পারবেন তবে যাহোক ফলাফল যেটাই হোক সেটা নোভেলই ভোগ করবে।

যাক অনেক হল ইতিহাস এবার মূল বিষয়ে ফিরে আসি। আজকে যেটি সম্পর্কে আপনাদের জানাবো তা হল ওপেনসুসি এর সাম্প্রতিক প্রকাশিত সংস্করণ ওপেনসুসি ১১.১ সম্পর্কে যেটি ১৮ই ডিসেম্বর, ২০০৮ এ রিলিজ হয়েছে।

তবে আসুন দেখি ওপেনসুসির ফিচার ও আপডেট গুলিঃ

ইনস্টলেশন

ওপেনসুসি ১১.১ এর ডিভিডি ইনস্টলার কে নতুন করে সাজানো হয়েছে এবং আরো আকর্ষনীয় করে তোলা হয়েছে। এছাড়াও ওপেনসুসি ১১.১ এর লাইভসিডিও পাওয়া যায় । Gnome এবং KDE ডেক্সটপ এর উপর ভিত্তিকরে দুটি আলাদা লাইভসিডি পাবেন অর্থাৎ আপনি ইনস্টল না করেও ওপেনসুসি ১১.১ পরখ করে দেখতে পারবেন লাইভ সিডির মাধ্যমে এবং উবুন্টুতে যেভাবে আপনি লাইভসিডির মাধ্যমে ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন সেভাবেই আপনি ওপেনসুসি ১১.১ ও ইনস্টল করতে পারবেন। এছাড়াও পার্টিশনিং এর ক্ষেত্রে ওপেন সুসি ১১.১ এ নতুন পার্টিশনিং মডিউল যুক্ত করা হয়েছে যা হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং এর ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ইউজার দের জন্য সহায়ক হবে। তবে লাইভ সিডি থেকে আমি ডিভিডি ভার্সন থেকে সুসি ইনস্টল করার পক্ষে কারন এতে আপনি সকল ফিচার সহ যাবতীয় সব এ্যাপলিকেশন পাচ্ছেন আরআপনি পাচ্ছেন নির্দিষ্ট কিছু এ্যাপলিকেশন ইনস্টলেশনের জন্য সিলেক্ট করার ক্ষমতা।

opensuse-11-1-is-here-31

ডেক্সটপ এনভায়রনমেন্ট

ডেক্সটপ এনভায়রনমেন্টের মধ্যে আপনি পাচ্ছেনঃ

  • GNOME 2.24.1 ওপেনসুসি ১১.১ এ দেয়া হয়েছে জিনোম ডেক্সটপ এর ২.২৪.১ সংস্করণ যাতে রয়েছে ট্যাব ফিচার সহ নানান সুবিধা। সুসি ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট গুলো নিজের মত কাস্টোমাইজ করেনেয়। তাই এতে আপনি জিনোমের স্বাভাবিক উপরনীচে দুটি প্যানেলের বদলে নীচে একটি প্যানেলই পাবেন আর সুসি লিনাক্সে জিনোমের স্টার্টমেনুটিও আলাদা যা নীচের চিত্রে দেখতে পারেন। চিত্রঃ জিনোম স্টার্টমেনু

g-m-m

  • KDE 4.1.3 + KDE 3.5.10 – জিনোম এর পাশাপাশি ওপেনসুসি তে রয়েছে কেডিই ডেক্সটপ এবং এর সঙ্গে আসা কিছু আনুসঙ্গিক এ্যাপলিকেশন যেগুলো নিয়ে পরে আলোচনা করছি। তাছাড়া যাদের আগের কেডিই ডেক্সটপ পছন্দ তাদের জন্য রয়েছে KDE 3.5.10

kde4-41-oxygen-sample-custom

  • Xfce 4.4.3 – এটি হচ্ছে একটি লাইটওয়েট ডেক্সটপ এনভারনমেন্ট যা লোকনফিগারেশন পিসির জন্য অত্যন্ত উপযোগী। তাছাড়া আপনার পিসির কনফিগারেশন ভালো হলেও কেডিই বা জিনোম ডেক্সটপ থেকে এটিকে অনেক ফাস্ট মনে হবে।

os11-xfce-3

  • ডেক্সটপ ইফেক্ট ওপেনসুসি ১১.Compiz Fusion এর মাধ্যমে আপনি ৩ডি ডেক্সটপ ইফেক্ট তো পাচ্ছেনই এছাড়াও আপনি KDE 4 এরKWin দ্বারা আরো কিছু নতুন ইফেক্ট ও পাবেন।

opensuse-11-1-is-here-9


অফিস ইউজারদের জন্য প্রয়োজনীয় এ্যাপলিকেশন

  • OpenOffice.org 3.0 এবং KOffice 1.6.3 – OpenOffice হচ্ছে একটি ওপেনসোর্স ক্রসপ্লাটফর্ম অফিস এ্যাপলিকেশন এবং মাইক্রোসফট অফিসের এক শক্ত প্রতিদ্বন্দী। ৩.০ হচ্ছে ওপেনঅফিস এর একটি বহুল প্রত্যাশিত ভার্সন। কারন এতে রয়েছে নানান গুরুত্বপূর্ন ইমপ্রূভমেন্ট যে ভার্সন টি আমরা উবুন্টু ইন্টারপিড আইবেক্স ৮.১০ এ আশা করেছিলাম। নোভেলের কাস্টোমাইজড এই ওপেনঅফিস সুইটে রয়েছে উন্নত Microsoft Excel interoperability, ৩ডি স্লাইড ট্রানজিশন এছাড়াও ODF(Open Document Format) 1.2 এর জন্য সাপোর্ট, OOXML এর জন্য ইমপোর্ট ফিল্টার,Gstreamer (মাল্টিমিডিয়া এমবেডিং) Mono(.NET এর বিকল্প) এর জন্য সাপোর্ট সহ আরো নানাকিছু।

    এছাড়াও রয়েছে কেডিই ডেক্সটপের জন্য আরেকটি অফিস এ্যাপলিকেশন সুইট KOffice যেটি ওপেনঅফিসের মতই একটি অফিস এ্যাপ্লিকেশন সুইট তবে এটি ক্রসপ্লাটফর্ম নয় । দুটোতেই রয়েছে ডকুমেন্ট লেখালেখি,স্প্রেডশিট,প্রেজেন্টেশন তৈরীর জন্য এ্যাপলিকেশন।

  • Beagle ডেক্সটপ সার্চ টুল Beagle হচ্ছে ওপেনসুসির ডিফল্ট ডেক্সটপ সার্চটুল। এই সার্চটুলের মাধ্যমে যে আপনি শুধু আপনার হার্ডডিস্কে রাখা ফাইল সমূহ সার্চ করতে পারবেন তা নয়। এর মাধ্যমে আপনি ডকুমেন্ট,ইমেইল/এটাচমেন্ট, ওয়েব হিস্টোরি, ম্যাসেঞ্জার চ্যাট কনভারসেশন, এড্রেসবুক কনটাক্ট,সোর্সকোড,মিউজিক/ভিডিও/ছবি,কমপ্রেসড আর্কাইভের কন্টেন্ট সার্চ করতে পারবেন এবং বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনের ডাটা কন্টেন্ট ও সার্চ করতে পারবেন। এটি আমার একটি প্রিয় ডেক্সটপ সার্চ টুল।

727px-beagle1


  • Tellicoটেলিকো হচ্ছে কেডিই ডেকস্টপ ভিত্তিক একটি বুক ক্যাটালগ ম্যানেজার। এর মাধ্যমে আপনার যদি বুক লাইব্রেরী থাকে তবে আপনি বই গুলোর জন্য ডিজিটাল ক্যাটালগ ডেটাবেজ তৈরী করতে পারবেনএবং বইএর মলাটের চিত্রসহ বইসম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য যুক্ত করতে পারবেন। আপনার একটি বুক লাইব্রেরী থাকলে নিশ্চই এটি কাজে আসবে।

main_screen-11

  • tasqueTasque 0.1.7 – এটি হচ্ছে লিনাক্সের জন্য টাস্ক ম্যানেজমেন্ট (Todo list) এ্যাপলিকেশন অর্থাৎ ভূলোমন পাবলিকদের জন্য প্রয়োজনীয় এ্যাপলিকেশন 🙂

tasquewnotes1

  • Evolution 2.24.1.1, Kontact 4.1.3এভলুশন কে আপনি মাইক্রোসফট আউটলুকের লিনাক্স বিকল্প হিসেবে ধরে নিতে পারেন। এটি একাধারে PIM(Personal information manager) , ইমেইল ক্লায়েন্ট, কন্টাক্ট লিস্ট,টার্ক,ক্যালেন্ডার ম্যানেজার এবং এটি Exchange 2000/2003 সাপোর্ট করে। আর kontact ও অনেকটা Evolution এর মত কেডিই ডেকস্টপ ভিত্তিক Personal information manager

read-mail

kontact_presentation

  • Wine 1.1.9ওয়াইন হচ্ছে উইন্ডোজ ভিত্তিক এ্যাপলিকেশন লিনাক্সে চালানোর জন্য একটি Emulator এটি উইন্ডোজ এ্যাপলিকেশন সমুহ লিনাক্সে চলতে সহায়তা করে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর জন্য এ্যাপলিকেশন

  • GIMP 2.6.2 জিম্প হচ্ছে একটি ইমেজ এডিটিং এবং Image Manipulation এ্যাপলিকেশন। এডবি ফটোশপের মত বিশাল ওফিচার সমৃদ্ধ এ্যাপলিকেশন না হলেও আপনার দৈনন্দিন সাধারণ ইমেজ এডিটিং এর চাহিদা মেটাবে।

  • Inkscape 0.46 লিনাক্সে ভেক্টর গ্রাফিক্স ড্রইং এর ক্ষেত্রে ইন্কস্কেপ একটি অনন্য সফটওয়্যার। এরদ্বারা আপনি এডবি ইলাস্ট্রেটর,কোরেলড্র এর মত ভেক্টর গ্রাফিক্স তৈরী করতে পারবেন। এতে রয়েছে এডভান্সড SVG ফিচার যেমন (markers, clones, alpha blending) এছাড়াও রয়েছে trace bitmap এর মত গুরুত্বপূর্ণ ফিচার।

inkscape-047-spiro-typography

  • F-Spot 0.5.0.3, Gwenview 1.4.2, Digikam 0.9.4 – ছবি ব্যাবস্থাপনার সফটওয়্যার হিসেবে ওপেনসুসিতে দেয়া হয়েছে F-Spot , Gwenview এবং Digikam

digikam


মাল্টিমিডিয়া

  • Banshee 1.4.1, Amarok 1.4.10 & 2.0 – বানশি সম্পর্কে তো আপনাদের আগেই জানিয়েছিলাম এমারক ও বানশির মত একটি মিউজিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।

  • Kaffeineএটি একটি ওপেনসোর্স মিডিয়া প্লেয়ার।

  • Audacity 1.3.5অডিও ক্লিপ এডিটিং এর জন্য ছোট কিন্তু অত্যন্ত কার্যকরী একটি এ্যাপলিকেশন।

audacity-linux

  • k3b CD/DVD burnerসিডি ডিভিডি বার্নিং এর ক্ষেত্রে একটি যুতসই এ্যাপলিকেশন যা উইন্ডোজ/লিনাক্স ভিত্তিক নিরো সিডি/ডিভিডি বার্নিং এ্যাপলিকেশনের কথা ভূলিয়ে দেবে।

  • Gnash 0.8.4এটি একটি জি.এন.ইউ ওপেনসোর্স ফ্ল্যাশ মুভি প্লেয়ার ও ব্রাউজার প্লাগইন । বলা যায় এডবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের ওপেনসোর্স বিকল্প।

gnash08


নেটওয়ার্ক

  • NetworkManager 0.7 – নেটওয়ার্ক ম্যানেজার এর সাম্প্রতিক ভার্সন যাতে রয়েছে ৩জি নেটওয়ার্ক ও মোবাইল নেটওয়ার্ক কানেকশন সাপোর্ট। এছাড়া ওপেনসুসি তে ব্লুটুথ সাপোর্ট ও রয়েছে।

mobile_broadband

  • Samba 3.2.4 সাম্বা ( হিন্দি শোলে ফিল্মের সাম্ভা ক্যারেকটার নয় কিন্তু 😉 ) হল উইন্ডোজ ও লিনাক্সের মধ্যে নেটওয়ার্কিং ,ফাইল ওপ্রিন্টার সার্ভিস শেয়ারিং সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি এ্যাপলিকেশন।

  • Nagios 3.0.5 – এটি হচ্ছে একটি ওপেনসোর্স নেটওয়ার্ক মনিটরিং সিস্টেম।

ইন্টারনেট

  • VOIP সফটওয়্যার – ভিওআইপি সফটওয়্যার হিসেবে ওপেনসুসিতে রয়েছে Ekiga 3.0.1, Linphone 2.1.1Twinkle 1.3.2

ekigacall-thumb

  • ওয়েব ব্রাউজার – ওয়েব ব্রাউজার হিসেবে দেয়া হয়েছে Firefox 3.0.4, Konqueror 4.1.3 এবং SeaMonkey 1.1.13

  • টরেন্ট ও পি২পি ক্লায়েন্ট Bittorrent, Ktorrent 3.1.5 এবং Monsoon 0.15

  • ইমেইল ক্লায়েন্ট Thunderbird 2.0.0.18 ,Evolutionএবং Kontact

  • ম্যাসেঞ্জার/চ্যাট ক্লায়েন্ট Kopete 4.1.3, Pidgin 2.5.1, Empathy 2.24.1

সিকিউরিটি

  • Finger print recognition সাপোর্ট

  • AppArmor 2.3 Application Armor বা সংক্ষেপে AppArmor ওপেনসুসির এ্যাপলিকেশন সমূহের জন্য নিরাপত্তা প্রদান করে এবং বহিরাগত থ্রেটসমূহ হতে এ্যপালিকেশন কে রক্ষা করে এবং এ্যাপ্লিকেশনের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রন করে যাতে উক্ত এ্যাপলিকেশনের ক্ষমতা কে কাজে লাগিয়ে কেউ অবৈধ অনুপ্রবেশ বা ক্ষতিসাধন না করতে পারে।

  • এন্টিভাইরাস বা ভাইরাস স্ক্যানার এন্টিভাইরাস হিসেবে রয়েছে AntiVir এবং লিনাক্সের জন্য জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস clamav 0.94.1

  • স্প্যাম ফিল্টার স্প্যাম মেইল এর জ্বালাতন হতে রক্ষা করার জন্য রয়েছে SpamAssasin 3.2.5 bogofilter 1.1.1

এছাড়াও রয়েছে SELinux , SUSE Firewall ও উন্নত YaST security module

ডেভলপমেন্ট এবং প্রোগ্রামিং এর সহায়ক এ্যাপলিকেশন

  • ডেভলপারদের সুবিধার্থে ওপেনসুসিতে দেয়া হয়েছে অনেকগুলো ডেভলপমেন্ট টুল ফ্রেমওয়ার্ক প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যেমন– Mono, KDevelop, Eclipse 3.4, gtk+ 2.14.4 , Python 2.6.0, Ruby on Rails 2.1, openJDK 1,2b11, Perl 5.10.0, Qt 4.4.3 ইত্যাদি।

ডেক্সটপ ভার্চুয়ালাইজেশন

  • ডেক্সটপ ভার্চুয়ালাইজেশন বা একটি অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে আরেকটি অপারেটিং সিস্টেম চালানো বা অনেকগুলো ওএস চালানো আজকাল সাধারণ ব্যাপার হয়ে গিয়েছে ডেকস্টপ ভার্চুডালাইজেশনের জন্য ওপেনসুসিতে দেয়া হয়েছে জনপ্রিয় ডেক্সটপ ভার্চুয়ালাইজেশন সফটওয়্যার Virtual Box 2.0.6 , KVM 78 এবং XEN 3.3.1

এছাড়াও অন্যান্য আপডেটের মধ্যে রয়েছে · Linux kernel 2.6.27.7, X.Org 7.4, PulseAudio 0.9.12 ও অন্যান্য সফটওয়্যার সমূহের আপডেটেড ভার্সন।

তাহলে বুঝতে পারছেন তো কেন ওপেনসুসি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশনটি আমার এত প্রিয় 🙂

সিস্টেম রিকোয়ারমেন্টঃ

Processor: Intel—Pentium 1-4 or Xeon; AMD—Duron, Athlon, Athlon XP, Athlon MP, Athlon 64, Sempron or Opteron

  • Main memory: At least 256 MB; 512 MB recommended

  • Hard disk: At least 500 MB for minimal system; 3 GB recommended for standard system

  • Sound and graphics cards: Supports most modern sound and graphics cards

  • DVD-ROM Drive (required for installation from DVD media)

powered_by_opensuse_kde_suse

ওপেনসুসি ডাউনলোড করতে ভিজিট করুন http://software.opensuse.org/

রেফারেন্সঃ

http://en.wikipedia.org/wiki/OpenSUSE_Project

http://en.opensuse.org/Featurelist_11.1

http://news.opensuse.org/2008/12/18/opensuse-111-released/

http://news.opensuse.org/category/sneak-peeks/

arstechnica.com

http://news.softpedia.com/news/openSUSE-11-1-Is-Here-100408.shtml

http://ostatic.com/blog/leapin-lizards-opensuse-jumps-to-11-1-tomorrow

সৌজন্যেঃ http://mukto.org

ইশতিয়াক আহমেদ (ফয়সাল)

Advertisements

Harddisk Partitioning using Parted Magic

হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং হচ্ছে আপনার হার্ডডিস্ক কে কয়েকটি ভাগ করা।অর্থাৎ আপনার কম্পিউটার বুঝবে আপনার হার্ডডিস্কটি কয়েকটি ভাগে বিভক্ত । এর ফলে আপনি একটি পার্টিশনে আপনার ওএস টি ইনস্টল করে অন্য পার্টিশনে রাখতে পারেন। Non-technical user বা যে সকল কম্পিউটার ব্যবহারকারী কম্পিউটার চালনায় খুব একটা অভিজ্ঞ নয় তারা হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং ব্যাপারটাকে ভয় পেয়ে থাকে, এইবুঝি তাদের মুল্যবান ডাটা মুছে গেল। ব্যাপারটি লিনাক্স ইনস্টলের সময়ও ঘটে থাকে। যেমন লিনাক্সের জন্য ext3 পার্টিশন তৈরী করতে হয়। অনেকে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করতে গিয়ে ভূল বসত নিজের ডাটাফাইল সমূহ মুছে ফেলতে পারেন। এক্ষেত্রে ব্যবহারবান্ধব একটি ডিস্ক পার্টিশনিং সফটওয়্যার রয়েছে যার নাম হচ্ছে “নরটন পার্টিশন ম্যাজিক” তবে এটি ফ্রি নয়। তবে এমন একটি ব্যাবহার বান্ধব ফ্রি ও ওপেনসোর্স হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং সফটওয়্যার রয়েছে যার নাম Gnome Partition Editor বা সংক্ষেপে “GParted“এটি বিভিন্ন ফাইলসিস্টেমের পার্টিশন তৈরী করতে পারে ext2,ext3,fat16,fat32,hfs,jfs,linux-swap,ntfs,reiserfs,reiser4,xfs লিনাক্সের ক্ষেত্রে ext3 পার্টিশন তৈরী করতে হয়। আপনারা কেউ যদি পূর্বে উবুন্টুলিনাক্স ইনস্টল করে থাকেন তবে ইনস্টলের সময় যে হার্ডডিস্ক পার্টিশন টুল ব্যবহার করা হয় সেটি হল “GParted“। আর এই “GParted” এর উপর ভিত্তি করে আরেকটি ডিস্ক পার্টিশন টুল তৈরী হয়েছে যার নাম হল ”

Parted Magic

মজার ব্যাপার হল এটি চালাতে আপনার কোন অপারেটিং সিস্টেমের উপর নির্ভর করতে হবেনা কারন এটিই একটি ছোটখাটো লাইভ অপারেটিং সিস্টেমের মত যেটি সিডি থেকে বা ইউএসবি ড্রাইভ থেকে বুট করা যায়। এতে ডিস্ক পার্টিশনিং টুল “GParted” ছাড়াও আরও নানান টুল রয়েছে ।

এবার দেখা যাক কিভাবে এর দ্বারা হার্ডডিস্ক পার্টিশন করা যায়। এজন্য আপনাকে “Parted Magic” এর iso ইমেজ ডাউনলোড করতেহবে। তারপর এই ইমেজটি সিডি রাইটিং সফটওয়্যার দ্বারা বার্ন করতে হবে অর্থাৎ .iso ডিস্ক ইমেজটিকে শুধু সিডিতে কপি করলে কাজ হবেনা সিডি রাইটিং সফটওয়্যার গুলোতে একটি অপশন থাকে যার মাধ্যমে .iso এর মত ডিস্ক ইমেজকে বার্ন করা যায়। বার্ন করা হলে বুটেবল সিডি তৈরী হবে । আপনি সিডিটি কোন একটি ড্রাইভে ঢুকিয়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিয়ে বায়োস থেকে কোন সিডিরম থেকে বুট হবে তা নির্দিষ্ট করেদিন। তার পর পার্টেড ম্যাজিক সিডি থেকে বুট করুন। বুট হলে নিম্নোক্ত অপশন সমূহ মনিটরে ভেসে উঠবে

এখান থেকে 1 নং অপশন টি সিলেক্ট করে এন্টার দিন তবে পার্টেড ম্যাজিক লোড হবে । একপর্যায়ে সিডিটি বের হয়ে আসবে। এখন পার্টেড ম্যাজিক আপনার র্যাম থেকে লোড হবে তাই সিডিটির আর প্রয়োজন হবেনা। তারপর পার্টেড ম্যাজিক এর ডেস্কটপ এমনটি দেখা যাবে

এটি আপনার হার্ডওয়্যার , হার্ডডিস্ক , ইউএসবি ড্রাইভ সমূহ ডিটেক্ট করে ডেক্সটপে ড্রাইভ গুলো দেখাবে। মনে রাখবেন আপনার পার্টিশন গুলো উইন্ডোজের মত C,D,F ড্রাইভ নাতে দেখাবেনা । এখানে hda,hdb1,hdb2 ,hdb5 এভাবে দেখাবে ড্রাইভ গুলো।

[ উল্ল্যেখ্যঃ
primary Maste = hda
primary slave = hdb
Secondary Master = hdc
Secondary slave = hdd
]

এখন কিভাবে বুঝবেন কোনটা আপনার ড্রাইভ?

ধরুন আপনার আমার মত লিনাক্সের পার্টিশন গুলো বাদে মোট ৮ টি পার্টিশন আছে।

তবে C drive টি হবে = hdb1
D drive = hdb5 [ C drive এর পরের ড্রাইভ গুলো শুরু হবে hdb5 থেকে ]

এরপর বাকি গুলো যথাক্রমে
E drive = hdb6
F drive = hdb7
G drive = hdb8
H drive = hdb9
I drive = hdb10
J drive = hdb11

ধরুন আমার একটি পার্টিশনের ৬গিগার মত ফ্রি স্পেস আছে এখন আমি ফ্রি স্পেসটিকে লিনাক্স ইনস্টলের জন্য ext3 পার্টিশন তৈরী করবো। তাই আমি সেই পার্টিশনটিতে রাইট ক্লিক করে Resize/Move অপশন টি সিলেক্ট করলাম।


তারপর পরবর্তী উইন্ডোতে আমি Free Space Following : এ কতটুক যায়গা আমার খালি করা দরকার না উল্যেখ করে দিলাম। তার পর Resize/Move বাটনে ক্লিক করলে উল্ল্যেখিত ডিস্ক স্পেস খালি হবে অর্থাৎ unallocated হিসেবে দেখাবে। ভয় নেই এতে আপনার উক্ত ড্রইভের ফাইল গুলো মুছে যাবেনা যতক্ষন না আপনি তা ফরমেট করছেন।

মনে রাখবেন আমি এখন যেকাজ গুলো করছি তা সম্পন্ন হবে না যতক্ষন না আমি উপরের Apply বাটনে ক্লিক করছি। এগুলো আপাতত টাস্ক হিসেবে জমা হচ্ছে যা উইন্ডোর নিচের অংশে দেখা যাচ্ছে।


এবার unallocated স্পেসটি রাইটক্লিক করে New এ ক্লিক করলাম

তারপর পরবর্তী উইন্ডোতে New Size এ পার্টিশন এর আকার নির্দেশ করে দিলাম (এখানে ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট) তার পর ফাইল সিস্টেম থেকে লিনাক্সের ফাইল সিস্টেম ext3 সিলেক্ট করে দিলাম। তারপর Add এ ক্লিক করি।

এবার আগের মতই অবশিষ্ট ৪০০ এমবি স্পেসটি রাইটক্লিক করে New এ ক্লিক করলাম এবং এখানে শুধুমাত্র File System থেকে linux-swap সিলেক্ট করেদিলাম (উল্ল্যেখ্য linux-swap হল উইন্ডোজের pagefile এর মত যা মূল ram থেকে চাপ কমিয়ে নির্দিষ্ট হার্ডডিস্ক স্পেস কে সহকারী হিসেবে ব্যাবহার করে)

এবার চিত্রে দেখতে পাচ্ছেন 3 operation pending অর্থাৎ আমি এতক্ষন যে কাজ গুলো করার নির্দেশ দিলাম তা এখনো সম্পন্ন হয়নি অর্থাৎ আমি এখন চাইলে edit মেনু থেকে undo এর মাধ্যমে কোন অপারেশন বাদদিতে পারি। এবার উপরের Apply বাটনে ক্লিক করলে টাস্ক গুলো সম্পন্ন হওয়া শুরু হবে।

উক্ত টাস্ক গুলো সম্পন্ন হবার পর দেখাবে “All operations successfully completed” তো লিনাক্সের জন্য আমি পূর্বেই পার্টিশন গুলো তৈরি করে ফেললাম।

দেখলেন তো “Parted Magic” দিয়ে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করা কত সহজ।

তো এবার জোরসে বলুন Opensource Rulzzzz…. 😉

ইশতিয়াক আহমেদ (ফয়সাল)

http://mukto.org

My comment on bijoy developer Mustafa Jabbar article

MR. Mustafa Jabbar যিনি বাংলাদেশী তথ্যপ্রযুক্তি ম্যাগাজিন কম্পিউটার জগতের নিয়মিত কলামিস্ট এবং Bijoy এর ডেভলপার। গত বছরে তিনি উক্ত ম্যাগাজিনে বিনামূল্যের সফটওয়্যার এবং ওপেনসোর্স সফটওয়্যার সম্পর্কে অযৌক্তিক বক্তব্য দিয়েছিলেন। তারই জবাবে আমি এ বিষয়ে আমার মন্তব্যটি দুবার চিঠিমারফত কম্পিউটার জগতে পাঠিয়েছিলাম

( চিঠি প্রথমবার পাঠানোর পর পরবর্তী মাসে আমার মন্তব্য না দেখতে পেয়ে আবার পাঠিয়েছিলাম)


কিন্তু তা আজ অবধি দেখতে পাইনি। তাই ভাবলাম আমার ব্লগেই ঝালটা মেটাই বন্ধূ অমি আজাদের মত 🙂

তার লেখাটির কিঞ্চিত অংশ এখানে তুলে ধরছি আমার নিজেস্ব বক্তব্য সহ “যা ছাপানো হয়নি”

[ কম্পিউটার জগৎ ১৫তম বর্ষপূর্তি সংখ্যা]

[ এপ্রিল ২০০৬ সংখ্যা ১২]

[কভার আর্টিকেল- এ সময়ে প্রযুক্তির পথ চলা কোন দিকে?]

[পেজ – ২৬ “ডিজিটাল মিডিয়ার প্রেক্ষিত এবং পার্সোনাল কম্পিউটিং ২০০৭ – মোস্তফা জব্বার]

(২য় কলাম)

১)

আমাদের মতো গরিব দেশে আমরা কম্পিউটার শিক্ষিত জনগোষ্ঠিকে শূধূ বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরীর জন্য নিঃশেষ হতে দিতে পারিনা। আমাদের নিজেদের জন্য এই মেধা কে অর্থের অঙ্কে রূপান্তর করতে হবে।।

জব্বার সাহেব আমরা এতটাই গরীব নই যে বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করলে আমরা নিঃশেষ হয়ে যাব। আর আপনাকে কে বলেছে বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করলে কম্পিউটার শিক্ষিত জনগোষ্ঠি নিঃশেষ হতে পারে। ধরুন আমি একজন দক্ষ প্রোগ্রামার । একদিকে আমি বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করে সাধারন কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সেবা দিচ্ছি অপর দিকে আমার এই জ্ঞান এবং দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কোন ভালো কোম্পানীতে প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করে উপার্জন করছি। আপনার বক্তব্যটি অযৌক্তিক কারন কোন সফটওয়্যার ডেভলপার যে শুধূ বিনামূল্যেই সফটওয়্যার তৈরী করবে তা কিন্তু নয় সে তার এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থও উপার্জন করতে পারে।

আর ওপেনসোর্স সফটওয়্যার ডেভলপ করে একজন শিক্ষিত ডেভলপার কখনোই নিঃশেষ হতে পারেনা। কারন আমি একটি ওপেনসোর্স সফটও্যার ডেভলপ করলাম। এখন ধরুন আমি সফটওয়্যার ডেভলপ শিখছি বলতে পারেন শিক্ষার্থীর অবস্থায় আছি । এখন আমার প্রোগামিং এ ভূল ত্রুটি থাকা অসম্ভব নয় এমন কি দক্ষ ডেভলপারও ভূল ত্রুটি করতে পারেন যার কারনে সফটওয়্যারে বাগ দেখা যায়। এখন সফটওয়্যার টা ওপেনসোর্স হলে বিশ্বের যে কোন ডেভলপার সেটিকে মডিফাই করতে পারছে এবং তাতে কোন বাগ বা ত্রুটি থাকলে তা সহজেই বের করতে পারছে। সেই সাথে সফটওয়্যার টিও বাগমুক্ত হচ্ছে এবং আপনি জানতে পারছেন আপনার কোথায় ভূল হয়েছিল এবং আপনি তা থেকে নতুন কিছু শিখলেন। তো দেখতে পারছেন ওপেনসোর্স সফটওয়্যার শুধূ সফটওয়্যারেরই উন্নয়ন ঘটায় না আপনার দক্ষতার উন্নয়ন ঘটায়।

২)

অনেকেই মনে করেন ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরী ও বিতরনের মাধ্যমে জনগন ও সরকারের অপারেটিং সিস্টেম এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগাম বাবদ অর্থ বাচিয়ে আমরা সফটওয়্যার শিল্প গড়ে তুলতে পারবো। একটি সমাজতান্ত্রিক দেশে একটি পর্যায়ে পর্যন্ত এটি অবশ্যই কার্যকর হতে পারে । কিন্তু আমাদের মত মুক্তবাজারে বিনামূল্যের বলতে কোন কিছূর অস্তিত্ব নেই।

আঙ্কেল আপনিইতো একটু আগে আমাদের দেশকে গরিব দেশ বলে সম্বোধিত করলেন। তো আপনার কথা যদি মেনেই নি তবে আমাদের মত গরিব দেশে ফ্রি এবং ওপেনসোর্স সফটওয়্যার কে বানিজ্যিক সফটওয়্যারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে আমরা যদি দেশ ও সরকারের মূল্যবান অর্থ বাঁচিয়ে দিতে পারি তবে কেন নয়?

এখানে আপনি সফটওয়্যার শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বানিজ্যিক সফটওয়্যারের গুরুত্বকে ও খাটো করে দেখছিনা বরং এটিও আমাদের সফটওয়্যার শিল্পে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে। আমরা বিদেশে সফটওয়্যার রপ্তানী করে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করছি। কিন্তু মাইক্রোসফট অফিসের মত দামী সফটওয়্যার যদি একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানে বৈধ ভাবে ক্রয় করে ব্যবহার করা হয় তখন আমরা সফটওয়্যারটির জন্য যে বিপূল অর্থ প্রদান করছি তা কি আমাদের দেশে থাকছে নাকি মাইক্রোসফটের টাকশালে চলে যাচ্ছে। এখন মাইক্রোসফট অফিসের বদলে যদি আমরা ফ্রি এবং ওপেনসোর্স অফিস এ্যাপলিকেশন ওপেনঅফিস ব্যবহার করি তবে দেখুন আমরা কত গুলো দেশীয় মূদ্রা সাশ্রয় করতে পারছি।

আপনি বলেছেন “আমাদের মত মুক্তবাজারে বিনামূল্যের বলতে কোন কিছূর অস্তিত্ব নেই।”

কিন্তু আপনার পরবর্তী বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে যে বিনামূল্যের সফটওয়্যারই আপনার মত ব্যবসায়ীর অস্তিত্বকে হুমকির সম্মুক্ষীন করে তুলেছে এবং বিনামূল্যের সফটওয়্যারের প্রতি আপনার আক্ষেপের কারন ও জানা গেল।

(কলাম ২-৩)

৩)

মুনাফার লক্ষ্য না থাকলে মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ব্যাবসায়-বানিজ্য বা শিল্প বলতে কিছূ তৈরী হয়না। ফলে যারা ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার চর্চা করছেন, তারা তাদের কাজ অব্যহত রাখা সত্বেও অনুগ্রহ করে আমাদের মত ব্যবসায়ীদেরও একটি শিল্পখাত গড়ে তোলার স্বার্থে বানিজ্যিক ভাবে কাজ করতে দিন।

মূনাফার লক্ষ্যের বিষয় টি নির্ভর করে সেই ডেভলপাররের উপর যিনি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরী করছেন তার উপর ।
এখন সফটওয়্যারটি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের হলেই যে তা হতে মূনাফা অর্জন করা যাবেনা তা কিন্তু নয়। আপনি সার্ভিসিং বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যেমও মুনাফা অর্জন করতে পারেন। দেখুন মোজিলা ফায়ারফক্সের মত ওপেনসোর্স ব্রাউজার কেমনি ওয়েবব্রাউজারের মার্কেটে উইন্ডোজের সাথে দেয়া ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের সাথে সদর্পে টিকে আছে এবং তারা নানা ভাবে আয় ও করছে।

আপনার শেষের লাইনের বক্তব্য পড়ে আমি হাসবো না কি করবো বুঝে উঠতে পারছিনা??!!!

আপনি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার চর্চাকারীদের প্রতি এ কি ধরনের অনুরোধ করছেন??? তারা আপনাদের বানিজ্যিক ভাবে কাজ করতে আটকাচ্ছে কোথায়?? বরং আপনারা যেমন বাংলাকম্পিউটিং কে অসম্ভব দামী করে তুলেছিলেন তখন অমিক্রন,অভ্র, একুশে এরা আমাদের ফ্রি বাংলা কম্পিউটিং এর সুযোগ করে দিয়ে আপনাদের মত ব্যাবসায়ীদের মূঠোর ভেতর থাকা হতে আমাদের রক্ষা করেছে। এজন্য আমরা তাদের প্রতি চিরঋনী।

আপনার শেষের লাইনের বক্তব্য আমি সঠিক ভাবে বুঝতে পারিনি তাই আপনার যুক্তি খন্ডন করতে পারলাম না 🙂

(কলাম ৪)

৪)

আমি এখনো এটি বিশ্বাস করি ,ম্যাক ওএস ১০ হচ্ছে পারসোনাল কম্পিউটারের সর্বশ্রেষ্ঠ অপারেটিং সিস্টেম । “এমনকি যারা লিনাক্সকে পিসির সবচেয়ে শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম মনে করেন , তারাও স্বীকার করবেন লিনাক্সের মতই ম্যাক ওএস ইউনিক্স নির্ভর”

নিঃসন্দেহে ম্যাক ওএস একটি অসাধারন অপারেটিং সিস্টেম কিন্তু আপনি বলতে ভূলে গেছেন এটি ফ্রি নয় এবং ম্যাক ওএস ব্যবহার করতে হলে আপনাকে এ্যাপল পিসি কিনতে হবে যে টা ব্যায় বহূল। অন্যদিকে আপনার বক্তব্য অনুযায়ী সেই শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম আমরা ব্যবহার করতে পারছি বিনামূল্যে এবং নিম্ন কনফিগারেশনের পিসিতেও।

(পৃষ্ঠা:৩ / কলাম ৩)

৫)

কম্পিউটার বিজ্ঞান পাঠদানকারীরা ওপেনসোর্স আর ফ্রি সফটওয়্যার বানানোর কৌশল শিখিয়েছেন , কিন্তু কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর কৌশল তাদের শেখাননি”

আমি আপনার আর্টিকেল টা যতটুকু পড়েছি ততটুকু অবাক হয়েছি। একজন আইটির লোক কেমন করে এমন কথা বলে!!

ওপেনসোর্স আর কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর কি আলাদা আলাদা কৌশল আছে কি? আমার তো জানা ছিলনা। ওপেনসোর্স আর কমার্শিয়াল সফটওয়্যারের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে একটির প্রোগ্রামিং সোর্স কোড উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে অন্যটির সোর্স কোড প্রদান করা হচ্ছেনা। নতুবা দুটো সফটওয়্যারই প্রোগ্রামার ডেভলপ করছে।

আঙ্কেল কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর যদি আলাদা কৌশল থাকে তবে তা আপনি কি আমাদের শেখাবেন? 😀

Mount HD drive in linux

লিনাক্সে উইন্ডোজের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ দেখা

আপনি যদি নতুন লিনাক্সব্যবহার কারী হন বা মাত্র লিনাক্স ব্যবহার শুরু করেছেন। তবে দেখে থাকবেন যে আপনার অন্যান্য হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কোথাও দেখা যাচ্ছে না। কারন লিনাক্সে হার্ডডিস্ক , ইউএসবি বা রিমুভেবল ডিস্ক দেখানো হয় mount করার মাধ্যমে।তবে কিছু কিছু লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন startup এর সময় হার্ডডিস্ক মাউন্ট করে থাকে। যেমন Ubuntu Linux , OpenSuse 10.1। তবে OpenSuse 10.1 এর ক্ষেত্রে কিছুটা এভাবে করতে হবেঃ

Gnome মেনু থেকে –

Application > System > Configuration > Gnome Configuration Editor এ ক্লিক করে

চিত্রঃ Gnome Configuration Editor

Gnome Configuration Editor ওপেন করুন তারপর বামের ফোল্ডার গুলো expand করেঃ

/ > System > storage এ এসে

# Display drives with removable media

# Display external drives

# Display internal hard drives

এগুলোতে টিকমার্ক দিয়েদিন আর scsi হার্ডডিস্ক থাকলে scsi অপশন গুলোতেও টিকমার্ক দিয়ে দিন। তার পর সুসি রিস্টার্ট করুন । তবে আপনার ড্রাইভ গুলো দেখতে পাবেন।

আর সব লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন গুলোর ক্ষেত্রেঃ

লিনাক্সে NTFS পার্টিশন মাউন্ট করতে কিছটা সমস্যা আছে, মাউন্ট করলে সম্ভবত রিড অনলি এক্সেস দিবে। Fat32 ক্ষেত্রে

লিনাক্স কিন্তু আপনার হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কে C,D,E এভাবে দেখাবে না । লিনাক্স দেখাবে hda,hdb1,hdb2 ,hdb5 এভাবে

[ উল্ল্যেখ্যঃ

primary Master = hda

primary slave = hdb

Secondary Master = hdc

Secondary slave = hdd

]

এখন কিভাবে বুঝবেন কোনটা আপনার ড্রাইভ?

ধরুন আপনার আমার মত লিনাক্সের পার্টিশন গুলো বাদে মোট ৮ টি পার্টিশন আছে।

তবে
C drive টি হবে = hda1

D drive = hda5 [ C drive এর পরের ড্রাইভ গুলো শুরু হবে hda5 থেকে ]

এরপর বাকি গুলো যথাক্রমে

E drive = hda6

F drive = hda7

G drive = hda8

H drive = hda9

I drive = hda10

J drive = hda11

এভাবে

আর এই hda,hdb গুলো পাবেন কোথায়?

আপনার লিনাক্সে রুট ‘ / ‘ পার্টিশন থেকে এভাবে যান /dev/ সেখানে স্ক্রোল করে দেখবেন এগুলো আছে।

এবার দেখা যাক কি করে এগুলোকে লিনাক্সে মাউন্ট করা যায়

চিত্রঃ ফোল্ডার তৈরী

প্রথমে /mnt/ এ যান সেখানে c, d, e, f, g, h, i, j নামে একয়টি ফোল্ডার তৈরী করুন [ এগুলো মুছবেন না ]

এবার নিচের মত করে কমান্ড গুলো ‘স্পেস’ সহ টেক্সটফাইলে লিখে রাখুনঃ

mount -t vfat /dev/hda1 /mnt/c

mount -t vfat /dev/hda5 /mnt/d

mount -t vfat /dev/hda6 /mnt/e

mount -t vfat /dev/hda7 /mnt/f

mount -t vfat /dev/hda8 /mnt/g

mount -t vfat /dev/hda9 /mnt/h

mount -t vfat /dev/hda10 /mnt/i

mount -t vfat /dev/hda11 /mnt/j

[ উল্ল্যেখ্যঃ

-t = ফাইল সিস্টেমের ধরন

vfat =ফাইল সিস্টেম

hda = হার্ডডিস্ক primary Master হিসেবে থাকলে ]

এখন ধরে নিচ্ছি রুট হিসেবে লগইন করে আছেন । এবার Terminal ওপেন করে ‘ mount -t vfat /dev/hda1 /mnt/c ‘ এই কমান্ডটি দিন স্পেস সহ

এবার /mnt/c/ ফোল্ডারে ঢুকে দেখুন আপনার C ড্রাইভের ফাইলগুলো দেখা যাচ্ছে কিনা! দেখা গেলে বাকি গুলোও একই ভাবে মাউন্ট করুন।

এখন আপনি লিনাক্স রিস্টার্ট করলে এই ড্রাইভ গুলো আনমাউন্ট হয়ে যাবে। পরে আবার লগইইন এর পর আবার সেই কমান্ডদিয়ে হার্ডডিস্ক মাউন্ট করতে হবে। এখন এই ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় কিভাবে?

ধরুন আপনি চান লিনাক্স স্টার্ট আপের সাথে সাথেই সবগুলো হার্ডডিস্ক মাউন্ট হয়ে যাবে কোন কমান্ড দেওয়া লাগবেনা তবেঃ

/etc/ ফোল্ডারে গিয়ে ” fstab ” ফাইলটি কোন এডিটর দিয়ে ওপেন করুন। তবে সেখানে কিছুটা এরকম কোড দেখতে পাবেন।

চিত্রঃ fstab

সেখানে আরো কিছু কোড যুক্ত করতে হবেঃ

নিচের কোড গুলো এ্যাড করুন সেখানে

/dev/hda1 /mnt/c vfat defaults 0 0
/dev/hda5 /mnt/d vfat defaults 0 0
/dev/hda6 /mnt/e vfat defaults 0 0
/dev/hda7 /mnt/f vfat defaults 0 0
/dev/hda8 /mnt/g vfat defaults 0 0
/dev/hda9 /mnt/h vfat defaults 0 0
/dev/hda10 /mnt/i vfat defaults 0 0
/dev/hda11 /mnt/j vfat defaults 0 0

আপনার ড্রাইভটি যদি ntfs হয় তবে ৩ নং সারিতে vfat এর যায়গায় ntfs দিয়ে দিন।

ব্যাস এর পর থেকে লিনাক্স স্টার্টআপের সময় আপনার ড্রাইভ গুলো মাউন্ট হয়ে যাবে এবং /mnt/ ভেতরের
c, d, e, f, g, h, i, j ফোল্ডার থেকে আপনার হার্ডিস্কের সেই পার্টিশন গুলো এ্যাক্সেস করতে পারবেন।

তবে এই সবের পূর্বে ” fstab ” ফাইলটির একটি ব্যাকআপ কপি রাখুন করুন।

আর আপনার লিনাক্স সম্পর্কিত সমস্যা http://forum.linux.org.bd/ এখানে

বা Bdlug এ আলোচনা করতে পারেন।


আর রাসেল ভাইকে ধন্যবাদ বিষয় টি পরিষ্কার ভাবে বোঝানোর জন্য

Unijoy in OpenSuse 10.1

আপনি যদি লিনাক্স ব্যবহার করে থাকেন। তবে দেখে থাকবেন লিনাক্সে “Probhat” নামে বাংলা কি বোর্ড লেআউট আছে। যেটি একটি ফোনেটিক লেআউট। যেমন k= ক ,b= ব বা m=ম আসে। তবে আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বিজয় কিবোর্ড লেআউট ব্যবহারে অভ্যস্ত। কিন্তু লিনাক্সে বিজয় ব্যবহারের উপায় নেই। তবে আপনি unijoy লেআউটটি ব্যবহার করতে পারেন। যেটি একুশের তৈরী। এই লেআউটটি বিজয়ের খুব কাছাকাছি তাই বিজয় ব্যবহার করে থাকলে এটি ব্যবহারে সমস্যা হবেনা। তবে ছোট পার্থক্য হচ্ছে এতে অক্ষরের পরে ে=কার , ৈ=কার ,ো=কার বা ি=কার দিতে হয়। অর্থাৎ আমরা হাতে লেখার সময় যেমনটি লেখি।

যেমন “কেমন” লেখতে আগে ক=ে=ম=ন

বা কোথায়” ক=ো=থ=া=য় এভাবে

এখন লিনাক্সে যারা ফোনেটিক লেআউট ব্যবহারে অভ্যস্ত না বা স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন না তারা এই লেআউটটি ব্যবহার করতে পারেন।

তাদের http://ekushey.sourceforge.net/ সাইট থেকে লেআউটটির উইন্ডোজ ভার্সনটি ট্রাই করতে পারেন।

আর লিনাক্সে ব্যবহারের পদ্ধতি বলছি।

আমি বর্তমানে OpenSuse 10.1 ব্যবহার করছি এবং Gnome ডেক্সটপ ব্যবহার করছি।

এবার দেখাযাক কিভাবে ইউনিজয় লেআউট ইনস্টল করলামঃ –

প্রথমে Gnome প্যানেলের Desktop মেনু থেকে YaST Control Center এ ক্লিক করে (বা খুজে দেখুন এটি কোথায় আছে kde ব্যবহার করলে) YaST Control Center চালু করুন।

চিত্রঃ YaST Control Center

চালু করলে YaST Control Center উইন্ডো থেকে ” Software Management ” এ ক্লিক করুন তাহলে ” Software Management ” উইন্ডো তে ইন্সটলড আনইন্সটলড সকল সফটওয়্যারের লিস্ট দেখতে পাবেন।

চিত্রঃ YaST Software Management

এবার ” Filter: ” থেকে ‘Search’ সিলেক্ট করুন তারপর scim লিখে সার্চ করুন। দেখুন scim প্যাকেজটি ইনস্টল করা আছে কিনা।
ইন্সটল করা থাকলে বা পাশে টিক চিহ্ন দেখাবে। না করা থাকলে টিকমার্ক দিয়েদিন। তারপর নিচের Accept বাটনে ক্লিক করুন। এখন আপনার সুসির সিডি বা ডিভিডি হাতের কাছে রাখুন এগুলো এখন লাগবে। সিডি/ডিভিডি ঢুকিয়ে সেগুলো ইস্টল করুন।

এবার আবার Software management এ ফিরে আসুন।

চিত্রঃ Bangla Language

এবার ” Filter: ” থেকে “Language” সিলেক্ট করুন তাহলে অনেকগুলো language সহ ” bn Bengali ” দেখতে পাবেন। সেটি সিলেক্ট করুন তবে ডানে ৫টির মত প্যাকেজ দেখতে পাবেন সবগুলো সিলেক্ট করুন বা ” bn Bengali ” তে টিকমার্ক দিন। এখানে ’scim-m17n’ মূল। এবার আবারো আগের মত “Accept” বাটনে ক্লিক করুন।

চিত্রঃ Accept

এবং সেগুলো সিডি বা ডিভিডি থেকে ইনস্টল করে নিন।

এখন আপনার ‘Gnome pannel’ বা taskbar যাকে বলে তাতে ছোট একটা কিবোর্ড আইকন দেখতে পাবেন। যদি তা দেখতে না পান তবে Application menu থেকে system> configuration> SCIM input mathod setup এক্লিক করুন।

চিত্রঃ SCIM input mathod setup enable taskbar icon

এখন বামের Panel>GTK তে ক্লিক করে Mics এর আন্ডারে ’show tray icon’ এ টিক মার্ক দিয়ে দিন। তবে প্যানেল কিবোর্ড আইকনটি দেখতে পাবেন। হয়তো বা রিস্টার্ট করার প্রয়োজন হতে পারে।

চিত্রঃ SCIM input mathod setup select unijoy layout

এবার SCIM input mathod setup উইন্ডো থেকে বামের মেনু থেকে IMEngine>Global Setup>

এ ক্লিক করে যেই “Bengali” দেখতে পাচ্ছেন তাতে ক্লিক করে ‘M17N-bn-unijoy’ সহ দুটোতেই টিকমার্ক দিয়ে দিন।

এবার যখনই কোন এডিটরে বা কোথাও লেখার কাজ করবেন তখন taskbar থেকে সেই কিবোর্ড আইকনে ক্লিক করে লিস্ট থেকে

Bengali থেকে unijoy সিলেক্ট করুন এবং স্বাচ্ছন্দে লেখুন

বা ctrl+ space দিয়েও লেআউট পরিবর্তন করতে পারেন।

আর আপনি উবুন্ট লিনাক্স ব্যবহার করে থাকলে অমিআজাদের ( একুশেরই একজন ডেভলপার ) ব্লগের এই টিউটোরিয়ালগুলো দেখতে পারেনঃ

লিনাক্সে ইউনিজয় বাংলা কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার

লিনাক্সের সব এ্যপ্লিকেশনে ইউনিজয় বাংলা কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার