Flock blog editior setup

test……………………….Flock Rock’s বাংলা কম্পিউটিং

Advertisements

Joomla CMS installation guide in bangla

জুমলা হচ্ছে একটি Content Management System বা সংক্ষেপে CMS । সিএমএস হচ্ছে এমন একটি সিস্টেম যা দ্বারা কন্টেন্ট তৈরী এবং তা ম্যানেজ করা যায়। যেমন ধরুন জুমলায় আপনি কোন লেখা , আর্টিকেল আপনার জুমলার হোমপেইজে প্রকাশ করবেন। এখন সেই লেখা বা অর্টিকেলটি হচ্ছে কন্টেন্ট আর লেখাটি কোথায় বসবে , এডিট করে পরিবর্তন করা , মুছে ফেলা ইত্যাদিকে ম্যানেজ করা বলে। জুমলা দিয়ে যেহেতু এমন কাজ করা যায় তাই জুমলাও একটি কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এটি ফ্রি এবং ওপেনসোর্স এবং GPL লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহার করা যায়।

ইনস্টলেশন

সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট

+ PHP ভার্সন4.1.2 বা এর চেয়ে নতুন ভার্সন
+ MySQL ভার্সন 3.23.x বা এর চেয়ে নতুন ভার্সন এবং কমপক্ষে ১টি MySQL ডেটাবেজ ( তবে দুটি হলে ভালো হয়)
+ Apache ভার্সন1.13.19 বা এর চেয়ে নতুন ভার্সন

মনে রাখতে হবে PHP র জন্য MySQL , XML , Zlib (এই লাইব্রেরি টি পিএইচপি কে কমপ্রেসড Zip আর্কাইভ হতে ফাইল পড়তে সহায়তা করে ) এর সাপোর্ট থাকতে হবে। আপনার হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছ থেকে এ ব্যাপারে জেনে নিন। তবে জুমলা ইনস্টলেশনের সময় জুমলা এগুলোর সাপোর্ট আছে কিনা দেখাবে । না থাকলে আপনি জানতে পারবেন ইনস্টলেশনের শুরুতেই। আর জুমলা লিনাক্স ভিত্তিক সার্ভারে ইনস্টল করার পরামর্শ দেব।

পূর্ব প্রস্তুতি

# FTP এর মাধ্যমে ফাইল পারমিশন পরিবর্তন করা জানতে হবে।
# Mysql ডেটাবেজ তৈরী করা জানতে হবে
# Mysql ডেটাবেজ এর Host Name জানুন এবং সে সম্পর্কে নিশ্চিত হোন । প্রয়োজনে হোস্টিং প্রোভাইডারের সহায়তা নিন।
# Mysql ডেটাবেজ এর ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড মনে রাখুন ।
#FTP Hostname,Username,Password জানা থাকতে হবে।

আসুন আমরা প্রথমেই জুমলার জন্য একটি ডেটাবেজ তৈরী করে ফেলি। এটি ইনস্টলেশনের পূর্বেই করতে হবে। আমি এখানে XAMPP ওয়েবসার্ভার ব্যবহার করছি যেখানে Mysql ডেটাবেজ এ্যাডমিনিস্ট্রেশনের জন্য phpMyadmin ব্যবহার করা হয়, তবে লিনাক্স ভিত্তিক ওয়েবসার্ভার গুলোতে মাইএসকিউএল এ্যাডমিনিস্ট্রেশনের জন্য phpMyadmin এর আধিপত্যই লক্ষ করা যায় ।

নীচের চিত্রে দেখতে পাচ্ছেন পিএইচপি ম্যাই এ্যাডমিন দ্বারা আমি joomla নামে একটি নতুন ডেটাবেজ তৈরী করেছি।

এখানে MySQL connection collation:utf8 unicode ci দেয়াই ভাল । এখানে Create new database এ আপনি জুমলার জন্য যেই ডেটাবেজ ব্যবহার করবেন তার নাম দিয়ে দিন্ তারপর Create এ ক্লিক করলে উক্ত ডেটাবেজটি তৈরী হয়ে যাবে এবং পাশের সাইডবারে দেখাবে। এখানে joomla(0) দেয়া আছে কারন এই ডেটাবেজটি এখনো ব্যবহার করা হয়নি। তাই এতে কোন এন্ট্রি না থাকাতে 0 দেখাচ্ছে। আর উপরে যে “localhost” দেখছেন সেটি হচ্ছে Mysql ডেটাবেজ এর Host Name । এটির কথাই পূর্বে বলেছিলাম। অতএব আপনাকে Mysql ডেটাবেজ এর Host Name , username এবং password সম্পর্কে জেনে রাখা লাগবে।


চিত্রঃ ১ PHPMyadmin

এবার চলুন জুমলা ডাউনলোড করে ফেলি । এখানে জুমলার সবগুলো ভার্সন আছে । আপনার পছন্দ অনুযায়ী কোন একটি ডাউনলোড করে নিন। তবে জুমলার সর্বশেষ স্টেবল ভার্সনটি হচ্ছে 1.0.13 এটিও ডাউনলোড করতে পারেন। ডাউনলোডিং এর সময় দেখবেন
তিনটি আর্কাইভঃ

১. Joomla_1.0.13-Stable-Full_Package.tar.gz
২. Joomla_1.0.13-Stable-Full_Package.tar.bz2
৩. Joomla_1.0.13-Stable-Full_Package.zip

আপনি লিনাক্স ব্যবহারকারী হলে প্রথমটি বা দ্বিতীয় টি ডাউনলোড করতে পারেন বা উইন্ডোজ ব্যবহারকারী হলে Joomla_1.0.13-Stable-Full_Package.zip ফাইলটি ডাউনলোড করুন।

ডাউনলোড করার পর ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করুন কোন আর্কাইভার দিয়ে।

এক্সট্রাক্ট বা আনকমপ্রেসের পর ফোল্ডারটির নাম joomla দিয়ে দিলাম। ফোল্ডারের ভেতর ঠিক এরকম ফাইল সমূহ দেখাবে।

চিত্রঃ ২ জুমলা ফাইল

এখন এই ফাইল গুলো কে কপি করে কোন এফটিপি সফটওয়্যার দিয়ে তা আপনার ওয়েব সার্ভারে আপলোড করতে হবে। তার আগে বলে নেই আপনার ওয়েবসাইটে যদি পূর্ব থেকেই ওয়েবপেজ থেকে থাকে তবে উপরের ফাইলগুলোকে আমার মত একটি ফোল্ডারে রেখে আপলোড করতে পারেন । বা যদি উক্ত ওয়েবসার্ভার কে শুধূ জুমলা সাইটের জন্য ব্যবহার করতে চান তবে শুধূ উপরের ফাইল গুলোকে কপি করে ওয়েব সার্ভারের রুট ফোল্ডারে (এফটিপিতে লগইনের পর যেই ফোল্ডার দেখা যায়) পেষ্ট করতে হবে। আপনি এজন্য পছন্দমত এফটিপি ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে পারেন। এখানে আমি ব্যবহার করেছি FileZilla FTP Client 3.0 ব্যবহার করেছি।


চিত্রঃ ৩ এফটিপি এ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য প্রদান

এখন আপনার এফটিপি ক্লায়েন্ট চালু করে নতুন এ্যাকাউন্ট তৈরী করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিন যেমন Ftp hostname (জেনেনিন আপনার হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছ থেকে) , Username , Password দিয়ে। তারপর লগইন করুন ।

এফটিপি সার্ভারে লগইনের পর আপনার ওয়েবসার্ভারের রুট ফোল্ডার দেখাবে এবং ফাইল সমূহ দেখাবে।

চিত্রঃ ৪ এফটিপি সার্ভারে লগইন করার পর

এখান থেকে আপনি যেকোন ফাইল ডিলিট করতে পারেন মুভ করতে পারেন এবং ফাইলের Permission পরিবর্তন করতে পারেন।
এখন আমরা যে জুমলার ফাইলগুলো joomla নামে একটি ফোল্ডারে রেখেছিলাম তা এখন ওয়েবসার্ভারে কপি করব।

চিত্রঃ ৫ ট্রান্সফার টাইপ বা মোড Ascii তে পরিবর্তন

তবে কপি করার আগে একটি গুরত্বপূর্ন বিষয় পিএচপির মত ওয়েবস্ক্রিপ্ট বা কোড ফাইল গুলো অবশ্যই এফটিপিতে Ascii মোডে আপলোড করতে হবে। Binary মোডে করা যাবেনা । নতুবা স্ক্রিপ্ট গুলো কাজ করবে না। এই অপশনটি এফটিপি ক্লায়েন্ট গুলোর সেটিংস বা প্রেফারেন্স অপশন হতে পাওয়া যেতে পারে আপনি খূজে দেখুন এবং তা Ascii মোডে করে দিন। এবার জুমলার ফাইলগুলো আপনার ওয়েব সার্ভারে আপলোড করে ফেলুন(আমি joomla ফোল্ডারটিকেই আপলোড করে দিলাম)।
আপলোড হয়ে গেলে এবার আপনার ওয়েবসাইটের url অনুযায়ী http://www.yoursitename.com/joomla/installation/index.php
অর্থাৎ জুমলার ফাইল গুলোর মধ্যে installation ফোল্ডারে index.php ফাইলের সঠিক এ্যাড্রেস ব্রাউজারে টাইপ করে এন্টার দিন তবে নীচের মত Joomla web installer উইজার্ড এর প্রথম ধাপ pre-installation checkআসবে। এখানে জুমলা ইনস্টলের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিষ গুলো উপস্থিত আছে কিনা দেখা হবে।

চিত্রঃ ৬ জুমলা pre-installation check উইজার্ড

উপরে যে লিস্ট দেখতে পাচ্ছেন এবং ডানের সবুজ রং এর দ্বারা বোঝানো হচ্ছে উক্ত বিষয় গুলির সাপোর্ট আছে। তবে এখানে একটা বিষয় আপনি যদি লিনাক্স সার্ভারে জুমলা ইনস্টল করেন তবে ৩ নং অংশে Directory and File Permissions Check: এ ডান পাশের স্টেটাস গুলি লাল রং এ দেখাতে পারে । এর অর্থ হচ্ছে আপনাকে উক্ত ফোল্ডার/ডিরেক্টরীর ফাইল পারমিশন পরিবর্তন করতে হবে। এটি এফটিপি ক্লায়েন্টের মাধ্যমেও করা যায় ।

চিত্রঃ ৭ ফাইল পারমিশন পরিবর্তন

তাই স্টেটাস লাল রং এ দেখা গেলে আপনার এফটিপি ক্লায়েন্টের ( FileZilla FTP Client 3.0 ) থেকে উক্ত ফোল্ডারগুলোর উপর রাইট ক্লিক করে File Attributes.. এ ক্লিক করে Owner permissions Read = Write = Execute এ টিক মার্ক দিয়ে দিন। তারপর http://www.yoursitename.com/joomla/installation/index.php
পেজটি পূনরায় রিফ্রেশ করে দেখূন লাল লেখা গুলো সবুজ হয়েছে কিনা। তবে ফাইল পারমিশন পরিবর্তনের ক্ষেত্র্রে অহেতুক ঝুঁকি এড়াতে অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিলে ভালো হয়।

এবার সব ঠিক থাকলে Next >> এ ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যান। license পেজ দেখে আবার Next >> এ ক্লিক করুন।

এবার আসবে জুমলা ইনস্টলেশনের প্রথম ধাপ MySQL database configuration: এটিই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

চিত্রঃ ৮ ১ম ধাপ MySQL database configuration

এখানে
Hostname: আপনার MySQL database এর হোস্টনেম যেটা পূর্বেই জেনে রাখতে বলেছিলাম

MySQL User Name: আপনার MySQL database এর ইউজারনেম

MySQL Password: আপনার MySQL database এর পাসওয়ার্ড

MySQL Database Name: এখানে সেই ডেটাবেজটির নাম দিতে হবে যেটি আমরা জুমলার জন্য ব্যবহার করব। মনে আছে তো আমরা জুমলা ইনস্টলের পূর্বেই joomla নামে একটি ডেটাবেজ তৈরী করে নিয়েছিলাম তাই ডেটাবেজটির নাম হুবহু এখানে উল্ল্যেখ করা হয়েছে। এই তথ্যগুলি দেবার পর বাকি সবকিছু অপরিবর্তিত রেখে Next >> বাটনে ক্লিক করুন। তখনই জুমলার ডেটাবেজে জুমলার প্রয়োজনীয় এন্ট্রি ঢোকা শুরু হয়ে যাবে । তা শেষ হয়ে গেলে পরবর্তী ধাপ আসবে।

চিত্রঃ ৯ ২য় ধাপ জুমলা সাইটের নাম দিন

এখানে আপনার জুমলার সাইটের জন্য একটি নাম দিতে হবে যা সাইটটির টাইটেল নেম হিসেবে এবং ইমেইলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে । নামদিয়ে আবার Next >> বাটনে ক্লিক করুন।

চিত্রঃ ১০ ৩য় ধাপ

এবার আসবে ৩য় ধাপ। এখানে আপনার ইমেইল এ্যাড্রেস এবং admin paassword চাওয়া হবে। এখানে আপনার ইমেইল এ্যাড্রেস দিয়ে দিন যেটি এ্যাডমিন এর ইমেইল এ্যাড্রেস হিসেবে ব্যবহৃত হবে এবং Admin password এ মনে রাখতে পারবেন এমন পাসওয়ার্ড দিন । এই পাসওয়ার্ড টি পরবর্তী তে আপনার জুমলার এ্যাডমিন প্যানেলে ঢোকার ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে। বাকি অপশন গুলো অপরিবর্তীত রেখে Next >> বাটনে ক্লিক করুন ।

চিত্রঃ ১১ ৪র্থ ধাপ ইন্সটলেশন সম্পন্ন

এটিই শেষ ধাপ অর্থাৎ আপ্নার জুমলার ইনস্টলেশন শেষ হয়েছে এবং ব্যবহারের জন প্রস্তুত । এবার আপনাকে জুমলার installation
ডিরেক্টরি/ ফোল্ডার কে মুছে ফেলতে হবে বা সার্ভার থেকে অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে হবে। এখানে আপনাকে লগইনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য অর্থাৎ ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দেখানো হবে । চিত্রে উপরে View Site এ ক্লিক করলে জুমলার ডিফল্ট থিমে আপনার বহু আকাঙ্খিত জুমলা ওয়েবসাইটটি দেখতে পারবেন এবং Administration এ ক্লিক করলে লগইন পেজে চলে যাবেন।

এবার চলুন জুমলা সাইটটি কেমন দেখা যাকঃ

চিত্রঃ ১২ জুমলা হোমপেজ

 

চিত্রঃ ১৩ জুমলা এ্যাডমিন প্যানেল

x264 a amazing video encoder

H.264 বা MPEG-4 Part 10 হচ্ছে একটি অসাধারন ভিডিও কমপ্রেশন ফরমেট । এটি এমপিইজি – ২ থেকে অনেক স্বল্প বিটরেটেও এমপিইজি ২ মানের অর্থাৎ ডিভিডি কোয়ালিটির কাছাকাছি মানের  ভিডিও প্রদর্শন করতে পারে। যেখানে ডিভিডির আকার কয়েক গিগাবাইট সেখানে  সেই ডিভিডিকে MPEG-4 ফরমেটে Ripping করলে এর ভিডিও সাইজ হবে ৩০০ – ৬৫০ মেগাবাইটের মত এনকোডিং সেটিং’স এর ভিত্তিতে।সম্প্রতি এডবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারেও H.264 সাপোর্ট দেয়া হয়েছে।এই ফরমেটটির জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে কারন এটি ডিভিডি কোয়ালিটির সমমানের ভিডিও প্রদান করতে পারে কম বিটরেটে এবং ফাইল সাইজ স্বল্প আকারে হয় বলে। আমি টরেন্টে প্রায় ভিডিও ডাউনলোড করি তাই বলতে পারি যারা টরেন্টে ডিভিডি রিপড মূভি শেয়ার করে তাদের জন্য বর্তমানে অত্যন্ত জনপ্রিয় ফরমেট। ডিভিডি কে কমপ্রেস করে স্বল্প আকারে সংরক্ষনের জন্য Divx , xvid ইত্যাদি জনপ্রিয় হলেও H.264 বা MPEG-4 এর জায়গা ধীরে ধীরে দখল করে নিচ্ছে। এইতো কিছূদিন আগে হিমেশ রেশামিয়ার ফিল্ম AAP KA SUROOR (সাইটটিতে প্রথমে রেজিষ্টার করতে হবে টরেন্ট ডাউনলোডের জন্য) ডাউনলোড করলাম । এর কোয়ালিটি দেখে আমি অভিভূত, চমৎকৃত। বিশ্বাস না হলে আপনি টরেন্ট ডাউনলোড করে দেখতে পারেন।ডিভিডি ফিল্মটি  থেকে  এনকোড করা হয়েছিল x264 এনকোডার দিয়ে। আর শুধূ ভিডিও কোয়ালিটি থাকলেই তো হবেনা  অডিও কোয়ালিটিও ভালো হতে হবে । তাই অডিও এনকোডিং এর জন্য ব্যবহৃত হয় [url=http://www.apple.com/quicktime/technologies/aac/]Advanced Audio Coding (AAC)[/url] এনকোডিং method । এটি ডেভলপ করেছে MPEG group । এটি  AC3 ( বা Dolby Digital)  অডিওকে  এমন ভাবে  কমপ্রেস করে যাতে অডিও ফাইলের আকার ছোট হয় কিন্তু অডিও কোয়ালিটি থাকে অসাধারন মানের।ডাউনলোড

ওহ বলা হয়নি x264 হচ্ছে ভিডিওকে H.264/MPEG-4 ফরমেটে এনকোড করার জন্য free software library. যেটি জিপিএল লাইসেন্সের আওতায় বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

বলে রাখি  x264 আর H.264 দুটো পুরোপুরি এক বিষয় নয় H.264 হচ্ছে স্টেন্ডার্ড MPEG-4 ভিডিও ফরমেট আর x264 হচ্ছে ভিডিওকে সেই ফরমেটে রুপান্তরিত করার একটি এনকোডার । আর এপিইজি ৪ এর ফাইল ফরমেট এরকম হতে পারে shrek3.mp4 বা shrek3.mkv

মূল সাইট : http://x264.nl/

videolan.org

তবে ডিভিডিকে x264 MPEG-4  এ এনকোড বা রিপিং করার জন্য একটি জনপ্রিয় GUI ফন্টএ্যান্ড হচ্ছে

meGUI ডাউনলোড

meGUI দিয়ে একটি ডিভিডি ভিডিওকে MP4 এর এনকোড করার জন্য এই টিউটোরিয়ালটি অনুসরন করুন

————————————- >>

x264-Megui Guide.zip – 1.89 MB

http://maxupload.com/3BAACE84

————————————- >>

এবার আসুন x264 এনকোডেড ভিডিওর কোয়ালিটির কিছু নমুনা দেখি । আমি স্ক্রিনশট দিচ্ছিঃ

Harry.Potter.And.The.Order.Of.The.Phoenix.2007.DVDRip.R5.PRO

http://www.demonoid.com/files/details/1350606/21639240/

 Media info:

[Codec] H264/AVC @ 710 Kbps
[Encoder] x264 MeGUI 0.2.4.1039
[Resolution] 720×288 @ A.R.2.55
Runtime] 138 min
[Size] 700 MB
Audio Codec] AAC  32 kbps

হিমেশ রেশামিয়ার
Aap Ka Suroor (2007) [x264/AAC]

http://exdesi.com/best-quality-aap-ka-t10093.html?p=65589

Media info:

Resulation: 640 X 304
Bitrate: 456 Kbps x264
FPS: 29.97 fps
Audio: 48 kbps ACC
Size:  Video : 405MB
Audio : 42.6MB

এ ফরমেটের ভিডিও যে সকল প্লেয়ার দিয়ে দেখা যাবে  VLC media player / KMPlayer

লিনাক্সে এই H.264 / MP4 ভিডিও তৈরী করার সফটওয়ার হচ্ছে Avidemux

এটি লিনাক্স উইন্ডোজ এবং ম্যাকের জন্য পাওয়া যায়। এর সাম্প্রতিক 2.4 Preview 2 ভার্সনে H.264 / MP4 ভিডিও ফরমেটের সাপোর্ট দেয়া হয়েছে।

Avidemux ওপেন করে কোন ভিডিও ওপেন করুন্ তার পর বামপাশে

Video: থেকে MPEG-4 AVC (x264) সিলেক্ট করুন।Configure এ ক্লিক করে প্রয়োজন মত কনফিগারেশন সেটকরুন। এবিষয়ে না জানা থাকলে করার দরকার নেই।

Audio: এখান থেকে ACC (FACC) সিলেক্ট করুন Configure এ ক্লিক করে Bitrate: এ মোটামুটি কোয়ালিটির জন্য 56 দিন তবে ভালো কোয়ালিটির সাউন্ডের জন্য 96 দিতে পারেন সেটিই যথেষ্ট।

এবার File > Save > Save video ক্লিক করে ভিডিওর নাম দিয়ে সাথে “.mp4″ এক্সটেনশন দিয়ে দিন তার পর Save এ ক্লিক করুন এনকোডিং শুরু হয়ে যাবে। এনকোডিং শেষ হলে মূল ভিডিওর ফাইল সাইজ আর mp4 ভিডিওর ফাইল সাইজ দেখুন। দুটো ভিডিওর কোয়ালিটি তুলনা করুন। mp4 ভিডিওর কোয়ালিটি আর সাইজ দেখে আপনি চমৎকৃত হবেন।

আর ডিভিডি ” .vob ” ফাইলকে Avidemux দিয়ে ওপেন করার পূর্বে ভিডিওকে DVD Decrypter 2 3 গাইড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে। ডিক্রিপ্টেড ” .vob ” ফাইল টি আপনার হার্ডডিস্কে সেভ হবে । যেটির আকার একই থাকবে। এখন সেটি Avidemux থেকে ওপেন করতে পারেন

লিনাক্সের জন্য গাইড : Convert Movies (with subtitles) for Your PSP on Ubuntu – AVI/MKV/DVD to MP4/H.264/AAC

আর ভালো কথা ডিভিডি ভিডিও বা ভালো রেজুলেশনের ভিডিও যেমন ৬৪০ x ৪৮০ বা ৭২০ x ৪৮০ আকারের ভিডিওকে MP4 এ কনভার্ট করে ভালো ফলাফল পাবেন। তারচেয়ে কম রেজুলেশনের ভিডিওকে H.264 (MP4) এ কনভার্ট করা যুক্তিসঙ্গত নয়।