Mount HD drive in linux

লিনাক্সে উইন্ডোজের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ দেখা

আপনি যদি নতুন লিনাক্সব্যবহার কারী হন বা মাত্র লিনাক্স ব্যবহার শুরু করেছেন। তবে দেখে থাকবেন যে আপনার অন্যান্য হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কোথাও দেখা যাচ্ছে না। কারন লিনাক্সে হার্ডডিস্ক , ইউএসবি বা রিমুভেবল ডিস্ক দেখানো হয় mount করার মাধ্যমে।তবে কিছু কিছু লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন startup এর সময় হার্ডডিস্ক মাউন্ট করে থাকে। যেমন Ubuntu Linux , OpenSuse 10.1। তবে OpenSuse 10.1 এর ক্ষেত্রে কিছুটা এভাবে করতে হবেঃ

Gnome মেনু থেকে –

Application > System > Configuration > Gnome Configuration Editor এ ক্লিক করে

চিত্রঃ Gnome Configuration Editor

Gnome Configuration Editor ওপেন করুন তারপর বামের ফোল্ডার গুলো expand করেঃ

/ > System > storage এ এসে

# Display drives with removable media

# Display external drives

# Display internal hard drives

এগুলোতে টিকমার্ক দিয়েদিন আর scsi হার্ডডিস্ক থাকলে scsi অপশন গুলোতেও টিকমার্ক দিয়ে দিন। তার পর সুসি রিস্টার্ট করুন । তবে আপনার ড্রাইভ গুলো দেখতে পাবেন।

আর সব লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন গুলোর ক্ষেত্রেঃ

লিনাক্সে NTFS পার্টিশন মাউন্ট করতে কিছটা সমস্যা আছে, মাউন্ট করলে সম্ভবত রিড অনলি এক্সেস দিবে। Fat32 ক্ষেত্রে

লিনাক্স কিন্তু আপনার হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কে C,D,E এভাবে দেখাবে না । লিনাক্স দেখাবে hda,hdb1,hdb2 ,hdb5 এভাবে

[ উল্ল্যেখ্যঃ

primary Master = hda

primary slave = hdb

Secondary Master = hdc

Secondary slave = hdd

]

এখন কিভাবে বুঝবেন কোনটা আপনার ড্রাইভ?

ধরুন আপনার আমার মত লিনাক্সের পার্টিশন গুলো বাদে মোট ৮ টি পার্টিশন আছে।

তবে
C drive টি হবে = hda1

D drive = hda5 [ C drive এর পরের ড্রাইভ গুলো শুরু হবে hda5 থেকে ]

এরপর বাকি গুলো যথাক্রমে

E drive = hda6

F drive = hda7

G drive = hda8

H drive = hda9

I drive = hda10

J drive = hda11

এভাবে

আর এই hda,hdb গুলো পাবেন কোথায়?

আপনার লিনাক্সে রুট ‘ / ‘ পার্টিশন থেকে এভাবে যান /dev/ সেখানে স্ক্রোল করে দেখবেন এগুলো আছে।

এবার দেখা যাক কি করে এগুলোকে লিনাক্সে মাউন্ট করা যায়

চিত্রঃ ফোল্ডার তৈরী

প্রথমে /mnt/ এ যান সেখানে c, d, e, f, g, h, i, j নামে একয়টি ফোল্ডার তৈরী করুন [ এগুলো মুছবেন না ]

এবার নিচের মত করে কমান্ড গুলো ‘স্পেস’ সহ টেক্সটফাইলে লিখে রাখুনঃ

mount -t vfat /dev/hda1 /mnt/c

mount -t vfat /dev/hda5 /mnt/d

mount -t vfat /dev/hda6 /mnt/e

mount -t vfat /dev/hda7 /mnt/f

mount -t vfat /dev/hda8 /mnt/g

mount -t vfat /dev/hda9 /mnt/h

mount -t vfat /dev/hda10 /mnt/i

mount -t vfat /dev/hda11 /mnt/j

[ উল্ল্যেখ্যঃ

-t = ফাইল সিস্টেমের ধরন

vfat =ফাইল সিস্টেম

hda = হার্ডডিস্ক primary Master হিসেবে থাকলে ]

এখন ধরে নিচ্ছি রুট হিসেবে লগইন করে আছেন । এবার Terminal ওপেন করে ‘ mount -t vfat /dev/hda1 /mnt/c ‘ এই কমান্ডটি দিন স্পেস সহ

এবার /mnt/c/ ফোল্ডারে ঢুকে দেখুন আপনার C ড্রাইভের ফাইলগুলো দেখা যাচ্ছে কিনা! দেখা গেলে বাকি গুলোও একই ভাবে মাউন্ট করুন।

এখন আপনি লিনাক্স রিস্টার্ট করলে এই ড্রাইভ গুলো আনমাউন্ট হয়ে যাবে। পরে আবার লগইইন এর পর আবার সেই কমান্ডদিয়ে হার্ডডিস্ক মাউন্ট করতে হবে। এখন এই ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় কিভাবে?

ধরুন আপনি চান লিনাক্স স্টার্ট আপের সাথে সাথেই সবগুলো হার্ডডিস্ক মাউন্ট হয়ে যাবে কোন কমান্ড দেওয়া লাগবেনা তবেঃ

/etc/ ফোল্ডারে গিয়ে ” fstab ” ফাইলটি কোন এডিটর দিয়ে ওপেন করুন। তবে সেখানে কিছুটা এরকম কোড দেখতে পাবেন।

চিত্রঃ fstab

সেখানে আরো কিছু কোড যুক্ত করতে হবেঃ

নিচের কোড গুলো এ্যাড করুন সেখানে

/dev/hda1 /mnt/c vfat defaults 0 0
/dev/hda5 /mnt/d vfat defaults 0 0
/dev/hda6 /mnt/e vfat defaults 0 0
/dev/hda7 /mnt/f vfat defaults 0 0
/dev/hda8 /mnt/g vfat defaults 0 0
/dev/hda9 /mnt/h vfat defaults 0 0
/dev/hda10 /mnt/i vfat defaults 0 0
/dev/hda11 /mnt/j vfat defaults 0 0

আপনার ড্রাইভটি যদি ntfs হয় তবে ৩ নং সারিতে vfat এর যায়গায় ntfs দিয়ে দিন।

ব্যাস এর পর থেকে লিনাক্স স্টার্টআপের সময় আপনার ড্রাইভ গুলো মাউন্ট হয়ে যাবে এবং /mnt/ ভেতরের
c, d, e, f, g, h, i, j ফোল্ডার থেকে আপনার হার্ডিস্কের সেই পার্টিশন গুলো এ্যাক্সেস করতে পারবেন।

তবে এই সবের পূর্বে ” fstab ” ফাইলটির একটি ব্যাকআপ কপি রাখুন করুন।

আর আপনার লিনাক্স সম্পর্কিত সমস্যা http://forum.linux.org.bd/ এখানে

বা Bdlug এ আলোচনা করতে পারেন।


আর রাসেল ভাইকে ধন্যবাদ বিষয় টি পরিষ্কার ভাবে বোঝানোর জন্য

Unijoy in OpenSuse 10.1

আপনি যদি লিনাক্স ব্যবহার করে থাকেন। তবে দেখে থাকবেন লিনাক্সে “Probhat” নামে বাংলা কি বোর্ড লেআউট আছে। যেটি একটি ফোনেটিক লেআউট। যেমন k= ক ,b= ব বা m=ম আসে। তবে আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বিজয় কিবোর্ড লেআউট ব্যবহারে অভ্যস্ত। কিন্তু লিনাক্সে বিজয় ব্যবহারের উপায় নেই। তবে আপনি unijoy লেআউটটি ব্যবহার করতে পারেন। যেটি একুশের তৈরী। এই লেআউটটি বিজয়ের খুব কাছাকাছি তাই বিজয় ব্যবহার করে থাকলে এটি ব্যবহারে সমস্যা হবেনা। তবে ছোট পার্থক্য হচ্ছে এতে অক্ষরের পরে ে=কার , ৈ=কার ,ো=কার বা ি=কার দিতে হয়। অর্থাৎ আমরা হাতে লেখার সময় যেমনটি লেখি।

যেমন “কেমন” লেখতে আগে ক=ে=ম=ন

বা কোথায়” ক=ো=থ=া=য় এভাবে

এখন লিনাক্সে যারা ফোনেটিক লেআউট ব্যবহারে অভ্যস্ত না বা স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন না তারা এই লেআউটটি ব্যবহার করতে পারেন।

তাদের http://ekushey.sourceforge.net/ সাইট থেকে লেআউটটির উইন্ডোজ ভার্সনটি ট্রাই করতে পারেন।

আর লিনাক্সে ব্যবহারের পদ্ধতি বলছি।

আমি বর্তমানে OpenSuse 10.1 ব্যবহার করছি এবং Gnome ডেক্সটপ ব্যবহার করছি।

এবার দেখাযাক কিভাবে ইউনিজয় লেআউট ইনস্টল করলামঃ –

প্রথমে Gnome প্যানেলের Desktop মেনু থেকে YaST Control Center এ ক্লিক করে (বা খুজে দেখুন এটি কোথায় আছে kde ব্যবহার করলে) YaST Control Center চালু করুন।

চিত্রঃ YaST Control Center

চালু করলে YaST Control Center উইন্ডো থেকে ” Software Management ” এ ক্লিক করুন তাহলে ” Software Management ” উইন্ডো তে ইন্সটলড আনইন্সটলড সকল সফটওয়্যারের লিস্ট দেখতে পাবেন।

চিত্রঃ YaST Software Management

এবার ” Filter: ” থেকে ‘Search’ সিলেক্ট করুন তারপর scim লিখে সার্চ করুন। দেখুন scim প্যাকেজটি ইনস্টল করা আছে কিনা।
ইন্সটল করা থাকলে বা পাশে টিক চিহ্ন দেখাবে। না করা থাকলে টিকমার্ক দিয়েদিন। তারপর নিচের Accept বাটনে ক্লিক করুন। এখন আপনার সুসির সিডি বা ডিভিডি হাতের কাছে রাখুন এগুলো এখন লাগবে। সিডি/ডিভিডি ঢুকিয়ে সেগুলো ইস্টল করুন।

এবার আবার Software management এ ফিরে আসুন।

চিত্রঃ Bangla Language

এবার ” Filter: ” থেকে “Language” সিলেক্ট করুন তাহলে অনেকগুলো language সহ ” bn Bengali ” দেখতে পাবেন। সেটি সিলেক্ট করুন তবে ডানে ৫টির মত প্যাকেজ দেখতে পাবেন সবগুলো সিলেক্ট করুন বা ” bn Bengali ” তে টিকমার্ক দিন। এখানে ’scim-m17n’ মূল। এবার আবারো আগের মত “Accept” বাটনে ক্লিক করুন।

চিত্রঃ Accept

এবং সেগুলো সিডি বা ডিভিডি থেকে ইনস্টল করে নিন।

এখন আপনার ‘Gnome pannel’ বা taskbar যাকে বলে তাতে ছোট একটা কিবোর্ড আইকন দেখতে পাবেন। যদি তা দেখতে না পান তবে Application menu থেকে system> configuration> SCIM input mathod setup এক্লিক করুন।

চিত্রঃ SCIM input mathod setup enable taskbar icon

এখন বামের Panel>GTK তে ক্লিক করে Mics এর আন্ডারে ’show tray icon’ এ টিক মার্ক দিয়ে দিন। তবে প্যানেল কিবোর্ড আইকনটি দেখতে পাবেন। হয়তো বা রিস্টার্ট করার প্রয়োজন হতে পারে।

চিত্রঃ SCIM input mathod setup select unijoy layout

এবার SCIM input mathod setup উইন্ডো থেকে বামের মেনু থেকে IMEngine>Global Setup>

এ ক্লিক করে যেই “Bengali” দেখতে পাচ্ছেন তাতে ক্লিক করে ‘M17N-bn-unijoy’ সহ দুটোতেই টিকমার্ক দিয়ে দিন।

এবার যখনই কোন এডিটরে বা কোথাও লেখার কাজ করবেন তখন taskbar থেকে সেই কিবোর্ড আইকনে ক্লিক করে লিস্ট থেকে

Bengali থেকে unijoy সিলেক্ট করুন এবং স্বাচ্ছন্দে লেখুন

বা ctrl+ space দিয়েও লেআউট পরিবর্তন করতে পারেন।

আর আপনি উবুন্ট লিনাক্স ব্যবহার করে থাকলে অমিআজাদের ( একুশেরই একজন ডেভলপার ) ব্লগের এই টিউটোরিয়ালগুলো দেখতে পারেনঃ

লিনাক্সে ইউনিজয় বাংলা কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার

লিনাক্সের সব এ্যপ্লিকেশনে ইউনিজয় বাংলা কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার

FirstVoter

এই বারই প্রথম ভোটার হলাম। ভালোই লেগেছিল প্রথমবার ভোট দেব ভেবে।

তবে এখন ভাবছি ভোট দেবনা।

কারণ বর্তমানের প্রধান দল দুটোর কোনটিকেই আমি আমার ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনতে চাইনা।

কারন দু নেত্রীই দুটি জমজ বিড়াল। তাদের স্বভাব একই রকম এবং দেশ পরিচালনার চেয়ে তারা একে অপরকে খামচা – খামচি করতে ব্যাস্ত।

আর আরেকটা দলের আদর্শ কথাবার্তা কিছুটা ব্যাতিক্রম মনে হয়েছিল তা হল বি . চৌধুরীর দল। ভেবেছিলাম এবার প্রথম ভোট তাদেরকেই দেব। তবে তারা মহাজোটের সাথে মিলত হবার পর এখন তাদের কে ভোট দেবার প্রশ্নই ওঠেনা। কারন হচ্ছে মহাজোট বা আওয়ামীলীগ এর ফতোয়া বৈধ করার ঘোষনা।আমি এর বিরুদ্ধে। কারন বাংলাদেশ হচ্ছে অসাম্প্রদায়ীক দেশ। বিভিন্ন ধর্মের মানুষ এখানে বাস করে। তাই এখানে নির্দিষ্ট সম্প্রদায় বা ধর্মের আইন থাকা সঠিকনয়। তবে বাংলাদেশ আফগানীস্থান  বা পাকিস্তানের মত পুরোপুরি মুসলীম প্রধান দেশ হলে ভিন্ন কথা ছিল।

আমাদের দেশে রাজনীতি একটা ব্যাবসা হয়ে গিয়েছে। মানুষ এখন রাজনীতি তে আসে লক্ষ কোটি টাকা ইনভেস্ট করে। তারপর ক্ষমতায় এলে বৈদেশীক রৃন , দান-খয়রাত করা অর্থ পকেটস্থ করে।

কাঠামো টা এমন হয়ে গিয়েছে যে হাসিনা খালেদার বংশধররাই সবসময় মূল ক্ষমতায় থাকবে। দেশসেবার আদর্শ নিয়ে কোন দল আসলেও এরকম জোট মহাজোটের সাথে যুক্ত হতে হবে। দল প্রধান না চাইলেও নিজদলের কর্মীদের চাপে নিশ্চই।

তবে আমরা যেমন চাই তেমন ভাবে দেশকে দেখতে পাবোনা?

পারতাম আমরা যদি প্রতিটা দূর্নীতি প্রতিটা অনিয়মের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধভাবে প্রতিবাদ জানাতাম। তবে দূঃখের বিষয় মুক্তিযুদ্ধের ৩৫ বছরে অনেক বদলে গেছি আমরা , আমাদের মধ্যে প্রতিবাদ করার মত একতা বদ্ধতা দেখাযায়না যতক্ষন না কানসাটের মত পানি গলা পর্যন্ত উঠে আসে। আরো দূঃখের বিষয় আমাদের মধ্যে দেশদ্রোহীতার জন্ম নিয়েছে। যা কিছুদিন আগে আমাদের পোশাকশিল্প ধ্বংস করার চেষ্টার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে। ভাবা যায় কোন বিদেশী নয় নিজ দেশের মানুষ তা করছে। এটা কে আমি দেশদ্রোহীতাই মনে করি।

এজন্যই কি মুক্তিযোদ্ধারা এই দেশটাকে স্বাধীন করেছিলেন নিজের রক্ত,জীবন দিয়ে। আজ ও নিজামীর মত রাজাকার আমাদের পতাকাবাহী গাড়িতে ঘুরে বেড়ায়। ধর্মকে পূঁজি করে এই দুমুখো সাপ এখনো টিকে আছে বহাল তবিয়তে। ফতোয়াকে বৈধ করার ঘোষনা শুনেও আমরা তেমন কোন প্রতিবাদ জানাই না। আজকের পুলিশেরা একাত্তুরের হানাদারের চেয়ে কোন অংশে কম নয়।

আমার মতে যেকোন সরকারের উচিৎ মুক্তিযোদ্ধাদের কে জিজ্ঞেস করা তারা দেশকে কেমন দেখতেচান। তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়া। কারন এই দেশ টা তো তাদের ই দেওয়া। তাদের রক্ত জীবনের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীন দেশ পেয়েছি।

বেশ কিছু দিন ধরে এই বিষয়গুলী মাথায় ঘুরছিল। তাই ব্লগে লেখলাম।

brochure from BD Computer Fair

কম্পিউটার মেলা থেকে পাওয়া ব্রশিওর গুলো থেকে লিনাক্সের গুলো আলাদা করে স্ক্যান করে রেখেছিলাম। এখানে দিয়ে দিলামঃ

1. ডেক্সটপ পাবলিশিং এ ওপেনসোর্স – অঙ্কুর ও একুশে

চিত্রঃ বাহির থেকে

চিত্রঃ ভেতর থেকে

সম্বন্ধিত লিন্কঃ

http://www.ekushey.org/

http://www.bengalinux.org/

============================

2. মুক্ত চিন্তা মুক্ত সফটওয়্যার অন্কুর – BDLUG ( Bangladesh Linux User Group )

চিত্রঃ বাহির থেকে

চিত্রঃ ভেতর থেকে

সম্বন্ধিত লিন্কঃ

http://groups.yahoo.com/group/bdlug

http://www.bengalinux.org/

============================

3. লিনাক্স – BLUA ( Bangladesh Linux User Alliance )

চিত্রঃ বাহির থেকে

চিত্রঃ ভেতর থেকে

সম্বন্ধিত লিন্কঃ

http://linux.org.bd/

============================

Add feature in wordpress default editor

আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে লগইনের পরে যা দিয়ে ব্লগ লিখেন তাই হচ্ছে এডিটর। এডিটরটির নাম হচ্ছে TinyMCE editor । এটি একটি জনপ্রিয় WYSIWYG এডিটর। এটি ওয়ার্ডপ্রেস ছাড়াও অন্যান্য ব্লগে CMS ( content Management System) এ এডিটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

যাই হোক ওয়ার্ডপ্রেসের যেই ডিফল্ট এডিটর আছে তাতে সাধারনত এডিটরটির সকল ফিচার বা অপশন by default হিসেবে থাকেনা । আপনি চাইলে পরে সেগুলো এ্যাকটিভেট করতে পারেন। এডিটরের ফাইলে কিছু কোড যুক্ত করেই। ভয় পাবেন না তেমন কঠিন কিছুই না। আর অপশনগুলো যেমন ধরুন ফন্ট সাইজ ছোট বড় করা,ফোরগ্রাউনড বা ব্যাকগ্রাউন্ড কালার,ফন্ট সিলেক্ট সহ আরো ফরমেটিং অপশন।

আসুন তবে দেখাযাক কিভাবে করবেন এটি

এখন আপনার ওয়েবসার্ভারে রাখা ওয়ার্ডপ্রেসের ফাইল ফোল্ডারগুলোর মধ্যে wp-includes > js > tinymce > ফোল্ডারে গিয়ে tiny_mce_gzip.php ফাইলটি নোটপ্যাড বা অন্য এডিটর দিয়ে খুলুন। খোরার পর দেখুন এই লাইন গুলো পান কিনা-

1. $mce_buttons = apply_filters(‘mce_buttons’, array(‘bold’, ‘italic’, ‘strikethrough’, ‘separator’, ‘bullist’, ‘numlist’, ‘outdent’, ‘indent’, ‘separator’, ‘justifyleft’, ‘justifycenter’, ‘justifyright’ ,’separator’, ‘link’, ‘unlink’, ‘image’, ‘wordpress’, ‘separator’, ‘undo’, ‘redo’, ‘code’, ‘wphelp’));
2. $mce_buttons = implode($mce_buttons, ‘,’);
3. $mce_buttons_2 = apply_filters(‘mce_buttons_2’, array());
4. $mce_buttons_2 = implode($mce_buttons_2, ‘,’);
5. $mce_buttons_3 = apply_filters(‘mce_buttons_3’, array());
6. $mce_buttons_3 = implode($mce_buttons_3, ‘,’);

এখান থেকেই আপনি এডিটরে বিভিন্ন অপশন বা বাটন যুক্ত করতে পারবেন।

এখানে প্রথম $mce_buttons = apply_filters(‘mce_buttons’, array(‘bold’, ‘italic’,………………)
এখানে যে অপশনগুলির নাম দেয়া আছে সেগুলো ইতিমধ্যেই এডিটরে দেখা যাচ্ছে, যেমন বোল্ড ইটালিক সহ বাকি গুলো। তবে আরো অতিরিক্ত অপশনগুলো এ্যাড করতে হলেঃ

ধরুন আপনি এডিটরে একটি নতুন অপশন যুক্ত করতে চান যার মাধ্যমে আপনি এডিটর থেকেই লেখার সাইজ ছোট বড় করতে পারবেন। এখন শুধু আপনাকে সেই অপশনটির নাম যুক্ত করে দিতে হবে । যেমন লেখার সাইজ ছোটবড় করার জন্য ‘fontsizeselect’ লেখাটি প্রথম

$mce_buttons = apply_filters(‘mce_buttons’, array(‘bold’, ‘italic’, ‘strikethrough’, ‘separator’, ‘fontsizeselect’, ‘bullist’, ‘numlist’……………………’));

এর ‘separator’, এর পরে ‘fontsizeselect’, দুটো কোটেশন মার্কের মধ্যে কমা সহ দিয়ে দিলামঃ

এখন দেখতে পাচ্ছেন বোল্ড , ইটালিক,strikethrough এবং সেপারেটরের পরেই নতুন মেনু দেখতে পাচ্ছেন (ঠিক কোডে যেমনটি দেওয়া হয়েছিল) যার মাধ্যমে আপনি লেখা ছোট বড় করতে পারবেন। এ রকম আরো কিছু কোড শব্দ আছে যা দিয়ে একই ভাবে এডিটরটিতে নতুন অপশন এ্যাড করা যাবে। কোড গুলো পরে দিচ্ছি তার আগে আরো কিছু বিষয় বলে নেইঃ

উপরের কোড গুলোতে
$mce_buttons_ সহ কয়েকটি লাইন রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে যেই লাইনগুলোতে

$mce_buttons_2 = apply_filters(‘mce_buttons_2’, array());

আছে অর্থাৎ ‘apply_filters’ সহ সেগুলোর array() এর ব্রাকেট এর ভেতর একই ভাবে ফিচার সমূহের কোড যুক্ত করে দিলে এডিটরে তা দেখা যাবে তবে দ্বিতীয় লাইনে

ছবিটি দেখুনঃ

আমি তিন নম্বর লাইনে কিছু কোড যুক্ত করে দিয়েছি

$mce_buttons_2 = apply_filters(‘mce_buttons_2’, array(‘newdocument’, ‘backcolor’));

তাই ছবিটিতে দেখছেন দ্বিতীয় লাইনে আরো দুটি অপশন দেখা যাচ্ছে। তবে মনে রাখবেন apply_filters যেটাতে আছে সেই লাইনেই array() এর ব্রাকেট এর ভেতরে কোড দিতে হবে। এবার জানিয়ে দেই কোড গুলোঃ

‘bold’, ‘italic’, ‘underline’, ‘strikethrough’, ‘justifyleft’, ‘justifycenter’, ‘justifyright’, ‘justifyfull’, ‘bullist’, ‘numlist’, ‘outdent’, ‘indent’, ‘cut’, ‘copy’, ‘paste’, ‘undo’, ‘redo’, ‘link’, ‘unlink’, ‘image’, ‘cleanup’, ‘help’, ‘code’, ‘hr’, ‘removeformat’, ‘formatselect’,
‘fontselect’, ‘fontsizeselect’, ‘styleselect’, ‘sub’, ‘sup’, ‘forecolor’, ‘backcolor’, ‘charmap’, ‘visualaid’, ‘anchor’, ‘newdocument’, ‘separator’,

তথ্যসূত্র

এখন খেয়াল রাখবেন এধরনের কোন কাজ করার আগে “tinymce” ফোল্ডারটির tiny_mce_gzip.php ফাইলের একটি ব্যাকআপ কপি রেখে দেবেন। পরে সমস্যা হলে শুধু রিপ্লেস করে দেবেন।