অনলাইন ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে আয় করুন ঘরে বসেই

আউটসোর্সিং বলতে আমরা মুলত বুঝি যখন একটি বিদেশী প্রতিষ্ঠান আর কাজসমূহ তুলনামূলক কম খরচে বা সস্তায় করার জন্য কাজ গুলো অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের প্রতিষ্ঠান বা জনশক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে করে থাকে তাকে।
এরফলে একদিকে ক্লায়েন্ট যেমন কম খরচে কাজকরিয়ে নিয়ে লাভবান হয় অন্যদিকে উক্ত দেশেরও এর মাধ্যমে বৈদেশীক মুদ্রা আয় হয়। বর্তমানে ইন্টারনেটের যুগে আপনি ঘরেই ইন্টারনেটে বসে ফ্রি ল্যান্স কাজ করে আয় করতে পারেন। এধরনের ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং কাজের সহায়তার জন্য বেস কিছূ সাইট গড়ে উঠেছে।
যেমনঃ
http://www.joomlancers.com – এতে শুধু ওপেনসোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম জুমলার কাজ পাওয়া যায়

www.getafreelancer.com – এই সাইটে রয়েছে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অসংখ্য কাজ। এখানে আপনি বিভিন্ন ক্যাটাগরির কাজ পাবেন যেমন ডাটা এন্ট্রি,ওয়েব ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিকসডিজাইনিং, এনিমেশন সহ জুমলায় ওয়েবডেভলপমেন্টের কাজ।কাজ পেতে হলে আপনাকে প্রথমে উক্ত সাইটে রেজিষ্টার করতে হবে। তারপর আপনি করতে পারবেন এমন কাজ গুলোর জন্য বিড করতে হবে, বিড করলে ক্লায়েন্ট বুঝবে যে আপনি সেই কাজ করতে ইচ্ছুক , এখন ক্লায়েন্ট যদি আপনাকে সেই কাজের জন্য যোগ্য মনে করে তাহলে সে কাজটা আপনাকে করতে দেবে। আর সাধারন মেম্বারদের কাজ হতে প্রাপ্ত অর্থের ১০ শতাংশ সাইটটির সার্ভিস চার্জ হিসেবে দিতে হবে। তবে গোল্ড মেম্বারদের এই চার্জ নেই , তাদের শুধু মাসে ১২ ডলার দিতে হবে।
দেশীয় আইটি পত্রিকা কম্পিউটার জগতে এ বিষয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন দিয়েছে এখান থেকে দেখতে পারেন।কাজ করার পর এখান থেকে টাকা কয়েক ভাবে পাওয়া যাবে। একটি হল ব্যাংক টু ব্যাংক ওয়্যার ট্রান্সফার , যার জন্য আপনার কোন ব্যাংকে একটি সেভিংস এক্যাউন্ট থাকলেই হল। আরেকটি হল Payoneer ডেবিট কার্ড
এটি getafreelancer.com ই দিয়ে থাকে তবে এটি অর্ডার করতে হলে আপনার getafreelancer.com এর একাউন্টে কমপক্ষে 30$ থাকতে হবে। এই পদ্ধতিতে আপনি অর্থ কুব দ্রুত পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে এটিএম এর মাধ্যমে তুলতে পারবেন। কার্ড পাবার পর সেটি একটিভেট করতে কিছু টাকা খরচ হবে।

আমি এ নিয়ে একটি ফোরামে পোষ্ট করেছি । এখানে দেখতে পারেন

My comment on bijoy developer Mustafa Jabbar article

MR. Mustafa Jabbar যিনি বাংলাদেশী তথ্যপ্রযুক্তি ম্যাগাজিন কম্পিউটার জগতের নিয়মিত কলামিস্ট এবং Bijoy এর ডেভলপার। গত বছরে তিনি উক্ত ম্যাগাজিনে বিনামূল্যের সফটওয়্যার এবং ওপেনসোর্স সফটওয়্যার সম্পর্কে অযৌক্তিক বক্তব্য দিয়েছিলেন। তারই জবাবে আমি এ বিষয়ে আমার মন্তব্যটি দুবার চিঠিমারফত কম্পিউটার জগতে পাঠিয়েছিলাম

( চিঠি প্রথমবার পাঠানোর পর পরবর্তী মাসে আমার মন্তব্য না দেখতে পেয়ে আবার পাঠিয়েছিলাম)


কিন্তু তা আজ অবধি দেখতে পাইনি। তাই ভাবলাম আমার ব্লগেই ঝালটা মেটাই বন্ধূ অমি আজাদের মত 🙂

তার লেখাটির কিঞ্চিত অংশ এখানে তুলে ধরছি আমার নিজেস্ব বক্তব্য সহ “যা ছাপানো হয়নি”

[ কম্পিউটার জগৎ ১৫তম বর্ষপূর্তি সংখ্যা]

[ এপ্রিল ২০০৬ সংখ্যা ১২]

[কভার আর্টিকেল- এ সময়ে প্রযুক্তির পথ চলা কোন দিকে?]

[পেজ – ২৬ “ডিজিটাল মিডিয়ার প্রেক্ষিত এবং পার্সোনাল কম্পিউটিং ২০০৭ – মোস্তফা জব্বার]

(২য় কলাম)

১)

আমাদের মতো গরিব দেশে আমরা কম্পিউটার শিক্ষিত জনগোষ্ঠিকে শূধূ বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরীর জন্য নিঃশেষ হতে দিতে পারিনা। আমাদের নিজেদের জন্য এই মেধা কে অর্থের অঙ্কে রূপান্তর করতে হবে।।

জব্বার সাহেব আমরা এতটাই গরীব নই যে বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করলে আমরা নিঃশেষ হয়ে যাব। আর আপনাকে কে বলেছে বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করলে কম্পিউটার শিক্ষিত জনগোষ্ঠি নিঃশেষ হতে পারে। ধরুন আমি একজন দক্ষ প্রোগ্রামার । একদিকে আমি বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করে সাধারন কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সেবা দিচ্ছি অপর দিকে আমার এই জ্ঞান এবং দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কোন ভালো কোম্পানীতে প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করে উপার্জন করছি। আপনার বক্তব্যটি অযৌক্তিক কারন কোন সফটওয়্যার ডেভলপার যে শুধূ বিনামূল্যেই সফটওয়্যার তৈরী করবে তা কিন্তু নয় সে তার এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থও উপার্জন করতে পারে।

আর ওপেনসোর্স সফটওয়্যার ডেভলপ করে একজন শিক্ষিত ডেভলপার কখনোই নিঃশেষ হতে পারেনা। কারন আমি একটি ওপেনসোর্স সফটও্যার ডেভলপ করলাম। এখন ধরুন আমি সফটওয়্যার ডেভলপ শিখছি বলতে পারেন শিক্ষার্থীর অবস্থায় আছি । এখন আমার প্রোগামিং এ ভূল ত্রুটি থাকা অসম্ভব নয় এমন কি দক্ষ ডেভলপারও ভূল ত্রুটি করতে পারেন যার কারনে সফটওয়্যারে বাগ দেখা যায়। এখন সফটওয়্যার টা ওপেনসোর্স হলে বিশ্বের যে কোন ডেভলপার সেটিকে মডিফাই করতে পারছে এবং তাতে কোন বাগ বা ত্রুটি থাকলে তা সহজেই বের করতে পারছে। সেই সাথে সফটওয়্যার টিও বাগমুক্ত হচ্ছে এবং আপনি জানতে পারছেন আপনার কোথায় ভূল হয়েছিল এবং আপনি তা থেকে নতুন কিছু শিখলেন। তো দেখতে পারছেন ওপেনসোর্স সফটওয়্যার শুধূ সফটওয়্যারেরই উন্নয়ন ঘটায় না আপনার দক্ষতার উন্নয়ন ঘটায়।

২)

অনেকেই মনে করেন ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরী ও বিতরনের মাধ্যমে জনগন ও সরকারের অপারেটিং সিস্টেম এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগাম বাবদ অর্থ বাচিয়ে আমরা সফটওয়্যার শিল্প গড়ে তুলতে পারবো। একটি সমাজতান্ত্রিক দেশে একটি পর্যায়ে পর্যন্ত এটি অবশ্যই কার্যকর হতে পারে । কিন্তু আমাদের মত মুক্তবাজারে বিনামূল্যের বলতে কোন কিছূর অস্তিত্ব নেই।

আঙ্কেল আপনিইতো একটু আগে আমাদের দেশকে গরিব দেশ বলে সম্বোধিত করলেন। তো আপনার কথা যদি মেনেই নি তবে আমাদের মত গরিব দেশে ফ্রি এবং ওপেনসোর্স সফটওয়্যার কে বানিজ্যিক সফটওয়্যারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে আমরা যদি দেশ ও সরকারের মূল্যবান অর্থ বাঁচিয়ে দিতে পারি তবে কেন নয়?

এখানে আপনি সফটওয়্যার শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বানিজ্যিক সফটওয়্যারের গুরুত্বকে ও খাটো করে দেখছিনা বরং এটিও আমাদের সফটওয়্যার শিল্পে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে। আমরা বিদেশে সফটওয়্যার রপ্তানী করে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করছি। কিন্তু মাইক্রোসফট অফিসের মত দামী সফটওয়্যার যদি একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানে বৈধ ভাবে ক্রয় করে ব্যবহার করা হয় তখন আমরা সফটওয়্যারটির জন্য যে বিপূল অর্থ প্রদান করছি তা কি আমাদের দেশে থাকছে নাকি মাইক্রোসফটের টাকশালে চলে যাচ্ছে। এখন মাইক্রোসফট অফিসের বদলে যদি আমরা ফ্রি এবং ওপেনসোর্স অফিস এ্যাপলিকেশন ওপেনঅফিস ব্যবহার করি তবে দেখুন আমরা কত গুলো দেশীয় মূদ্রা সাশ্রয় করতে পারছি।

আপনি বলেছেন “আমাদের মত মুক্তবাজারে বিনামূল্যের বলতে কোন কিছূর অস্তিত্ব নেই।”

কিন্তু আপনার পরবর্তী বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে যে বিনামূল্যের সফটওয়্যারই আপনার মত ব্যবসায়ীর অস্তিত্বকে হুমকির সম্মুক্ষীন করে তুলেছে এবং বিনামূল্যের সফটওয়্যারের প্রতি আপনার আক্ষেপের কারন ও জানা গেল।

(কলাম ২-৩)

৩)

মুনাফার লক্ষ্য না থাকলে মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ব্যাবসায়-বানিজ্য বা শিল্প বলতে কিছূ তৈরী হয়না। ফলে যারা ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার চর্চা করছেন, তারা তাদের কাজ অব্যহত রাখা সত্বেও অনুগ্রহ করে আমাদের মত ব্যবসায়ীদেরও একটি শিল্পখাত গড়ে তোলার স্বার্থে বানিজ্যিক ভাবে কাজ করতে দিন।

মূনাফার লক্ষ্যের বিষয় টি নির্ভর করে সেই ডেভলপাররের উপর যিনি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরী করছেন তার উপর ।
এখন সফটওয়্যারটি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের হলেই যে তা হতে মূনাফা অর্জন করা যাবেনা তা কিন্তু নয়। আপনি সার্ভিসিং বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যেমও মুনাফা অর্জন করতে পারেন। দেখুন মোজিলা ফায়ারফক্সের মত ওপেনসোর্স ব্রাউজার কেমনি ওয়েবব্রাউজারের মার্কেটে উইন্ডোজের সাথে দেয়া ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের সাথে সদর্পে টিকে আছে এবং তারা নানা ভাবে আয় ও করছে।

আপনার শেষের লাইনের বক্তব্য পড়ে আমি হাসবো না কি করবো বুঝে উঠতে পারছিনা??!!!

আপনি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার চর্চাকারীদের প্রতি এ কি ধরনের অনুরোধ করছেন??? তারা আপনাদের বানিজ্যিক ভাবে কাজ করতে আটকাচ্ছে কোথায়?? বরং আপনারা যেমন বাংলাকম্পিউটিং কে অসম্ভব দামী করে তুলেছিলেন তখন অমিক্রন,অভ্র, একুশে এরা আমাদের ফ্রি বাংলা কম্পিউটিং এর সুযোগ করে দিয়ে আপনাদের মত ব্যাবসায়ীদের মূঠোর ভেতর থাকা হতে আমাদের রক্ষা করেছে। এজন্য আমরা তাদের প্রতি চিরঋনী।

আপনার শেষের লাইনের বক্তব্য আমি সঠিক ভাবে বুঝতে পারিনি তাই আপনার যুক্তি খন্ডন করতে পারলাম না 🙂

(কলাম ৪)

৪)

আমি এখনো এটি বিশ্বাস করি ,ম্যাক ওএস ১০ হচ্ছে পারসোনাল কম্পিউটারের সর্বশ্রেষ্ঠ অপারেটিং সিস্টেম । “এমনকি যারা লিনাক্সকে পিসির সবচেয়ে শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম মনে করেন , তারাও স্বীকার করবেন লিনাক্সের মতই ম্যাক ওএস ইউনিক্স নির্ভর”

নিঃসন্দেহে ম্যাক ওএস একটি অসাধারন অপারেটিং সিস্টেম কিন্তু আপনি বলতে ভূলে গেছেন এটি ফ্রি নয় এবং ম্যাক ওএস ব্যবহার করতে হলে আপনাকে এ্যাপল পিসি কিনতে হবে যে টা ব্যায় বহূল। অন্যদিকে আপনার বক্তব্য অনুযায়ী সেই শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম আমরা ব্যবহার করতে পারছি বিনামূল্যে এবং নিম্ন কনফিগারেশনের পিসিতেও।

(পৃষ্ঠা:৩ / কলাম ৩)

৫)

কম্পিউটার বিজ্ঞান পাঠদানকারীরা ওপেনসোর্স আর ফ্রি সফটওয়্যার বানানোর কৌশল শিখিয়েছেন , কিন্তু কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর কৌশল তাদের শেখাননি”

আমি আপনার আর্টিকেল টা যতটুকু পড়েছি ততটুকু অবাক হয়েছি। একজন আইটির লোক কেমন করে এমন কথা বলে!!

ওপেনসোর্স আর কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর কি আলাদা আলাদা কৌশল আছে কি? আমার তো জানা ছিলনা। ওপেনসোর্স আর কমার্শিয়াল সফটওয়্যারের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে একটির প্রোগ্রামিং সোর্স কোড উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে অন্যটির সোর্স কোড প্রদান করা হচ্ছেনা। নতুবা দুটো সফটওয়্যারই প্রোগ্রামার ডেভলপ করছে।

আঙ্কেল কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর যদি আলাদা কৌশল থাকে তবে তা আপনি কি আমাদের শেখাবেন? 😀

Rss feed collection

  feed.gif button_large_rss_whtbg.gif rss_news.gif

 

 

ফিড লিন্ক শেয়ারিং এর কামটা হাসিন ভাই শুরু করলেন। তাই ভাবলাম আমিও ওনার মত শুরু করি। তাইলে এই হইলো গিয়া আমার ব্যবহৃত আরএসএস ফিড লিন্কঃ

১. Linux.org.BD (লিনাক্স ফোরাম) – http://forum.linux.org.bd/rss.php

২. Download Squad ( আইটি নিউজ ব্লগ)

http://feeds.downloadsquad.com/weblogsinc/downloadsquad

৩. Bangla News Network ( বাংলা আইটি নিউজ )http://www.bangla-news.net/rss/4.xml

৪. Digg – http://www.digg.com/rss/containertechnology.xml

http://www.digg.com/rss/indexlinux_unix.xml

৫. প্রজন্ম ফোরাম – http://forum.projanmo.com/rss.php

৬. Mobile4 দেশি’র আরএসএস ফিড


৭. ওয়ার্ডপ্রেস “লিনাক্স” ট্যাগ

৮. Softpedia টেক নিউজ – http://news.softpedia.com/backend/english.xml

লিনাক্স নিউজ – http://news.softpedia.com/newsRSS/Linux%20news-7.xml

৯. Engadget Mobile (মোবাইল বিষয়ক ব্লগ)

http://feeds.engadget.com/weblogsinc/engadgetmobile

১০. বিডিলাগ – http://rss.groups.yahoo.com/group/bdlug/rss

১১. জিপি নেটইউজার গ্রুপ http://rss.groups.yahoo.com/group/gpnetuser/rss

১২. একুশে গ্রুপ – http://rss.groups.yahoo.com/group/ekushey/rss

১৩. Google News – Sci/Tech

http://news.google.com/?ned=us&topic=t&output=atom

ব্লগ…….

১৪. হাসিন ভাইএর ব্লগ – http://hasin.wordpress.com/feed/

১৫. অমি আজাদের ব্লগ – http://omi.net.bd/?feed=atom

১৬. সোহাগ ভূঁইয়া Online ICT Journalism

http://online-journalism.blogspot.com/atom.xml

১৭. জুয়েল টেক ব্লগ – http://jewelosman.wordpress.com/feed/

১৮. মাথা বেচে খাই যারা – http://projukti.blogspot.com/feeds/posts/default

১৯. Russell’s Cyber Journal http://feeds.feedburner.com/russell

২০. সামহোয়ারইন ব্লগ – http://www.somewhereinblog.net/indexblog/rss

২১. লাভলুদা – http://lavluda.com/feed/atom/

২২. শামিম প্রজন্ম ফোরামের এ্যাডমিন –
http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/posts/default

ক্রিকেট

২৩. Cricketnext.com
http://www.cricketnext.com/xml/cricketnext.xml

২৪. Cricinfo Bangladesh cricket news
http://www.cricinfo.com/homepage/Bangladesh.rdf

২৫. CricketWorld
http://www.cricketworld.com/site/feed/?2

লিনাক্স

২৬. HowtoForgehttp://www.howtoforge.com/node/feed

২৭. Ubuntu Linux Blog by Ralph
http://ralph.n3rds.net/index.php?/feeds/index.rss2

২৮. Ubuntu Weekly Newshttp://fridge.ubuntu.com/uwn/feed

২৯. ubuntu – Google News

৩০. fridge.ubuntu.comhttp://fridge.ubuntu.com/node/feed

৩১. eWEEK Linux – http://rssnewsapps.ziffdavis.com/eweeklinux.xml

৩২. infoworld.comhttp://weblog.infoworld.com/openresource/rss.xml

৩৩. LXer Linux Newshttp://lxer.com/module/newswire/headlines.rss

৩৪. InfoWorld: Platformshttp://www.infoworld.com/rss/operatingsystems.xml

৩৫. DistroWatch.com: Newshttp://distrowatch.com/news/dw.xml

৩৬. Tectonic.co.za – http://www.tectonic.co.za/tectonic.rss

৩৭. Mark Shuttleworthhttp://www.markshuttleworth.com/feed/

৩৯. Boycott Novellhttp://boycottnovell.com/feed/atom/

৪০. ** Linux Today **- http://www.linuxtoday.com/biglt.rss

৪১. Linux Magazine: Top Stories http://www.linux-mag.com/cache/rss20.xml

৪২. ** NewsForge ** – http://www.newsforge.com/index.rss

৪৩. Linux Blog Aggregator – http://blogs.linux.org.bd/?feed=atom

৪৪. Linux Journal – http://www.linuxjournal.com/node/feed

৪৫. Free Software Magazine blogs –
http://www.pheedo.com/f/free_software_magazine_blogs

৪৬. OSNews – http://osnews.com/files/recent.rdf

৪৭. DesktopLinux.com –
http://www.desktoplinux.com/backend/headlines.rss

৪৮. Linuxlookup – http://www.linuxlookup.com/rss.xml

৪৯. Slashdot: Linux – http://rss.slashdot.org/Slashdot/slashdotLinux

৫০. Nothing but Unix –
http://unix-news.blogspot.com/feeds/posts/default?alt=rss

৫১. APC Magazine – Linux –
http://apcmag.com/taxonomy/term/309/0/feed

৫২. Mypapit gnu/linux [blog] – http://feeds.feedburner.com/mypapit/

৫৩. All About Ubuntu – http://allaboutubuntu.wordpress.com/feed/

৫৪. Linux.com :: Feature –
http://www.linux.com/feature/?theme=rss

৫৫. FOSSwire – http://feeds.feedburner.com/fosswire

৫৬. FSDaily / Published News (Digg like) –
http://www.fsdaily.com/rss.php

WordPress

৫৭. WordPress.com news – http://wordpress.com/feed/

৫৮. Weblog Tools Collection –
http://feeds.feedburner.com/weblogtoolscollection/UXMP

৫৯. WordPress Widgets – http://widgets.wordpress.com/feed/

৬০. Lorelle WordPress Tutorial – http://lorelle.wordpress.com/feed/

৬১. Blogging Pro WordPress tips –http://feeds.feedburner.com/bloggingpro/PfjF

৬২. WPThemesPlugin.com – http://wpthemesplugin.com/feed/atom/

Torrent

৬৩. TorrentFreak – http://feed.torrentfreak.com/Torrentfreak/

৬৪. Zeropaid – http://feeds.feedburner.com/zeropaid

৬৫. The Peer-to-Peer Weblog – http://p2p.weblogsinc.com/rss.xml

৬৬. Download Squad p2p torrent –
http://www.downloadsquad.com/category/p2p/rss.xml

৬৭. LinuxTracker – http://www.pheedo.com/f/linuxtracker884

৬৮. The Pirate Bay Blog – http://rss.thepiratebay.org/blog

৬৯. Bangla Torrents – http://www.banglatorrents.com/external.php?type=RSS2

৭০. The Pirate Bay – Pictures – http://rss.thepiratebay.org/603

CG ( Computer Graphics)

৭১. ** Death Fall ** – http://www.deathfall.com/rss.xml

৭২. Screenz.de – Photoshop und Illustrator Tutorials –
http://feeds.feedburner.com/screenz

৭৩. VFXNewswire – http://www.vfxworld.com/?atype=news&format=rss

এবং অন্যান্য ….. ( নতুন ফিড পেলে এখানে দেব)

৭৪. বাংলাদেশের খবর (bdnews) – http://bdnews.wordpress.com/feed/

HJSplit Split any file

HJSplit হচ্ছে একটি ফাইল spliter tool। অথাৎ এটির মাধ্যমে আপনি যেকোন
ফাইলকে স্প্লিট বা বিভক্ত করতে পারবেন অনেকগুলো ভাগে । এ ধরনের টুল বড় বড়
ফাইল কে বিভক্ত করে পরে আবার তা  জয়েন বা যুক্ত করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

এটি ডাউনলোড করতে পারবেন এখান থেকেঃ

http://www.freebyte.com/hjsplit/#win32

মূল সাইটঃ http://www.freebyte.com/

সরাসরিঃ

http://www.nlsoftware.com/download/hjsplit.zip

মিররঃ

 www.freebyte.net/download/hjsplit.zip
 www.treepad.net/download/hjsplit.zip

সাইজঃ 304 Kb

ভার্সনঃ 2.3

কম্পাটিবলিটিঃ Windows XP, Vista, 2000, NT, 98, 95, ME.

প্রথমে hjsplit প্রোগ্রামটি ওপেন করুন। হ্যা ভালোকথা এই প্রোগ্রামটি কিন্তু ইন্সটল করা লাগবে না শুধু চালু করুন ব্যাস। এখন ধরুন আমার একটা ভিডিও ফাইল আছে যেটার সাইজ ১৪৪ এম.বি ।

কিন্তু আমার পেনড্রাইভের ধারন ক্ষমতা হচ্ছে ১২৮ মেগাবাইট। এখন ফাইলটি আমার এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে নেওয়া লাগবে, আর হাতের কাছে আর কোন স্টোরেজ ডিভাইসও নেই।
তাই কি করা যায়ঃ

এখন আমি hjsplit প্রোগ্রামটি ওপেন করে Split বাটনে ক্লিক করলামঃ

নতুন উইন্ডো টি থেকে Input File বাটনে ক্লিক করে আমার সেই ভিডিও ফাইলটি সিলেক্ট করলাম। এখন Output এ এই ভিডিও ফাইলটির split অংশ গুলো কোথায় সেভ হবে তা দিয়ে দেই।

এবার আসি Splite file size এ। আমার ফাইলটি যেহেতু মেগাবাইটের তাই ড্রপডাউন থেকে Mbytes সিলেক্ট করি। এখন ধরুন আমি চাচ্ছি ফাইলটি কে ভাগ করতে । যেহেতু আমার পেন ড্রাইভের সাইজ ১২৮ এম.বি তাই Splite file size 128 দিলাম। এবার Start বাটনে ক্লিক করলে আমার ভিডিও ফাইলটি স্প্লিট বা বিভক্ত হবে। ছবিটি দেখুনঃ

প্রথম ফাইলটি আমার উল্যেখ করা অনুসারে ১২৮ এম.বি এবং অপর ফাইল টি তৈরী হয়েছে তার বাকি অংশ অর্থাৎ ১৬.৯ এমবি নিয়ে । বুঝলেন?

এখন ফাইলটির সাইজ যদি ২৫৬ এম.বি হত তবে ১২৮ এম.বি এর দুটো স্প্লিট ফাইল তৈরী হত।

এভাবে আপনি এক গিগাবাইটের (1024 mb) ডিভিডি ফাইলকে বা অন্য কোন ফাইলকে 512 mb র দুভাগে ভাগ করে সংরক্ষন করতে পারেন এবং পরবর্তীতে join করতে পারেন।

ভালো কথা , ফাইলগুলো কে জয়েন করবেন কিভাবে?

অপর কম্পিউটারে স্প্লিট করা সকল ফাইল একই ফোল্ডারে রাখুন । দেখুন সব ফাইলএকসাথে আছে কিনা । ফাইলের এক্সটেনশন থাকবে 001 , 002 , 003 এমন করে ।

এবার সেই কম্পিউটারে hjsplit প্রোগ্রামটি ওপেন করে Join বাটনে ক্লিক করিঃ

তার পর Input File : এ শুধু মাত্র প্রথম ফাইলটি অর্থাৎ .001 এক্সটেনশন যুক্ত ফাইলটি সিলেক্ট করি, স্প্লিট ফাইল গুলোও একই ফোল্ডারে আছে  সেটা নিশ্চিত হতে হবে ।
এবার Output এ যেখানে joint করা ফাইলটি রাখতে চাই সেস্থান উল্ল্যেখ করে দেই।

এবার Start বাটনে ক্লিক করি। তাহলে স্প্লিটকৃত ফাইল গুলো পুনরায় জয়েন্ট হয়ে যাবে।

Complete হয়ে গেলে দেখতে পেলাম আমার ভিডিও ফাইল টি পুনরায় জয়েন হয়েছে ” click septembe  20061.mpg.joined ”

এবং ফাইলটিতে .joined এক্সটেনশন এ্যাড করা আছে । সেটা মুছে দিলাম । ব্যাস স্প্লিট আর জয়েন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল।

FirstVoter

এই বারই প্রথম ভোটার হলাম। ভালোই লেগেছিল প্রথমবার ভোট দেব ভেবে।

তবে এখন ভাবছি ভোট দেবনা।

কারণ বর্তমানের প্রধান দল দুটোর কোনটিকেই আমি আমার ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনতে চাইনা।

কারন দু নেত্রীই দুটি জমজ বিড়াল। তাদের স্বভাব একই রকম এবং দেশ পরিচালনার চেয়ে তারা একে অপরকে খামচা – খামচি করতে ব্যাস্ত।

আর আরেকটা দলের আদর্শ কথাবার্তা কিছুটা ব্যাতিক্রম মনে হয়েছিল তা হল বি . চৌধুরীর দল। ভেবেছিলাম এবার প্রথম ভোট তাদেরকেই দেব। তবে তারা মহাজোটের সাথে মিলত হবার পর এখন তাদের কে ভোট দেবার প্রশ্নই ওঠেনা। কারন হচ্ছে মহাজোট বা আওয়ামীলীগ এর ফতোয়া বৈধ করার ঘোষনা।আমি এর বিরুদ্ধে। কারন বাংলাদেশ হচ্ছে অসাম্প্রদায়ীক দেশ। বিভিন্ন ধর্মের মানুষ এখানে বাস করে। তাই এখানে নির্দিষ্ট সম্প্রদায় বা ধর্মের আইন থাকা সঠিকনয়। তবে বাংলাদেশ আফগানীস্থান  বা পাকিস্তানের মত পুরোপুরি মুসলীম প্রধান দেশ হলে ভিন্ন কথা ছিল।

আমাদের দেশে রাজনীতি একটা ব্যাবসা হয়ে গিয়েছে। মানুষ এখন রাজনীতি তে আসে লক্ষ কোটি টাকা ইনভেস্ট করে। তারপর ক্ষমতায় এলে বৈদেশীক রৃন , দান-খয়রাত করা অর্থ পকেটস্থ করে।

কাঠামো টা এমন হয়ে গিয়েছে যে হাসিনা খালেদার বংশধররাই সবসময় মূল ক্ষমতায় থাকবে। দেশসেবার আদর্শ নিয়ে কোন দল আসলেও এরকম জোট মহাজোটের সাথে যুক্ত হতে হবে। দল প্রধান না চাইলেও নিজদলের কর্মীদের চাপে নিশ্চই।

তবে আমরা যেমন চাই তেমন ভাবে দেশকে দেখতে পাবোনা?

পারতাম আমরা যদি প্রতিটা দূর্নীতি প্রতিটা অনিয়মের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধভাবে প্রতিবাদ জানাতাম। তবে দূঃখের বিষয় মুক্তিযুদ্ধের ৩৫ বছরে অনেক বদলে গেছি আমরা , আমাদের মধ্যে প্রতিবাদ করার মত একতা বদ্ধতা দেখাযায়না যতক্ষন না কানসাটের মত পানি গলা পর্যন্ত উঠে আসে। আরো দূঃখের বিষয় আমাদের মধ্যে দেশদ্রোহীতার জন্ম নিয়েছে। যা কিছুদিন আগে আমাদের পোশাকশিল্প ধ্বংস করার চেষ্টার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে। ভাবা যায় কোন বিদেশী নয় নিজ দেশের মানুষ তা করছে। এটা কে আমি দেশদ্রোহীতাই মনে করি।

এজন্যই কি মুক্তিযোদ্ধারা এই দেশটাকে স্বাধীন করেছিলেন নিজের রক্ত,জীবন দিয়ে। আজ ও নিজামীর মত রাজাকার আমাদের পতাকাবাহী গাড়িতে ঘুরে বেড়ায়। ধর্মকে পূঁজি করে এই দুমুখো সাপ এখনো টিকে আছে বহাল তবিয়তে। ফতোয়াকে বৈধ করার ঘোষনা শুনেও আমরা তেমন কোন প্রতিবাদ জানাই না। আজকের পুলিশেরা একাত্তুরের হানাদারের চেয়ে কোন অংশে কম নয়।

আমার মতে যেকোন সরকারের উচিৎ মুক্তিযোদ্ধাদের কে জিজ্ঞেস করা তারা দেশকে কেমন দেখতেচান। তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়া। কারন এই দেশ টা তো তাদের ই দেওয়া। তাদের রক্ত জীবনের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীন দেশ পেয়েছি।

বেশ কিছু দিন ধরে এই বিষয়গুলী মাথায় ঘুরছিল। তাই ব্লগে লেখলাম।