x264 a amazing video encoder

H.264 বা MPEG-4 Part 10 হচ্ছে একটি অসাধারন ভিডিও কমপ্রেশন ফরমেট । এটি এমপিইজি – ২ থেকে অনেক স্বল্প বিটরেটেও এমপিইজি ২ মানের অর্থাৎ ডিভিডি কোয়ালিটির কাছাকাছি মানের  ভিডিও প্রদর্শন করতে পারে। যেখানে ডিভিডির আকার কয়েক গিগাবাইট সেখানে  সেই ডিভিডিকে MPEG-4 ফরমেটে Ripping করলে এর ভিডিও সাইজ হবে ৩০০ – ৬৫০ মেগাবাইটের মত এনকোডিং সেটিং’স এর ভিত্তিতে।সম্প্রতি এডবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারেও H.264 সাপোর্ট দেয়া হয়েছে।এই ফরমেটটির জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে কারন এটি ডিভিডি কোয়ালিটির সমমানের ভিডিও প্রদান করতে পারে কম বিটরেটে এবং ফাইল সাইজ স্বল্প আকারে হয় বলে। আমি টরেন্টে প্রায় ভিডিও ডাউনলোড করি তাই বলতে পারি যারা টরেন্টে ডিভিডি রিপড মূভি শেয়ার করে তাদের জন্য বর্তমানে অত্যন্ত জনপ্রিয় ফরমেট। ডিভিডি কে কমপ্রেস করে স্বল্প আকারে সংরক্ষনের জন্য Divx , xvid ইত্যাদি জনপ্রিয় হলেও H.264 বা MPEG-4 এর জায়গা ধীরে ধীরে দখল করে নিচ্ছে। এইতো কিছূদিন আগে হিমেশ রেশামিয়ার ফিল্ম AAP KA SUROOR (সাইটটিতে প্রথমে রেজিষ্টার করতে হবে টরেন্ট ডাউনলোডের জন্য) ডাউনলোড করলাম । এর কোয়ালিটি দেখে আমি অভিভূত, চমৎকৃত। বিশ্বাস না হলে আপনি টরেন্ট ডাউনলোড করে দেখতে পারেন।ডিভিডি ফিল্মটি  থেকে  এনকোড করা হয়েছিল x264 এনকোডার দিয়ে। আর শুধূ ভিডিও কোয়ালিটি থাকলেই তো হবেনা  অডিও কোয়ালিটিও ভালো হতে হবে । তাই অডিও এনকোডিং এর জন্য ব্যবহৃত হয় [url=http://www.apple.com/quicktime/technologies/aac/]Advanced Audio Coding (AAC)[/url] এনকোডিং method । এটি ডেভলপ করেছে MPEG group । এটি  AC3 ( বা Dolby Digital)  অডিওকে  এমন ভাবে  কমপ্রেস করে যাতে অডিও ফাইলের আকার ছোট হয় কিন্তু অডিও কোয়ালিটি থাকে অসাধারন মানের।ডাউনলোড

ওহ বলা হয়নি x264 হচ্ছে ভিডিওকে H.264/MPEG-4 ফরমেটে এনকোড করার জন্য free software library. যেটি জিপিএল লাইসেন্সের আওতায় বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

বলে রাখি  x264 আর H.264 দুটো পুরোপুরি এক বিষয় নয় H.264 হচ্ছে স্টেন্ডার্ড MPEG-4 ভিডিও ফরমেট আর x264 হচ্ছে ভিডিওকে সেই ফরমেটে রুপান্তরিত করার একটি এনকোডার । আর এপিইজি ৪ এর ফাইল ফরমেট এরকম হতে পারে shrek3.mp4 বা shrek3.mkv

মূল সাইট : http://x264.nl/

videolan.org

তবে ডিভিডিকে x264 MPEG-4  এ এনকোড বা রিপিং করার জন্য একটি জনপ্রিয় GUI ফন্টএ্যান্ড হচ্ছে

meGUI ডাউনলোড

meGUI দিয়ে একটি ডিভিডি ভিডিওকে MP4 এর এনকোড করার জন্য এই টিউটোরিয়ালটি অনুসরন করুন

————————————- >>

x264-Megui Guide.zip – 1.89 MB

http://maxupload.com/3BAACE84

————————————- >>

এবার আসুন x264 এনকোডেড ভিডিওর কোয়ালিটির কিছু নমুনা দেখি । আমি স্ক্রিনশট দিচ্ছিঃ

Harry.Potter.And.The.Order.Of.The.Phoenix.2007.DVDRip.R5.PRO

http://www.demonoid.com/files/details/1350606/21639240/

 Media info:

[Codec] H264/AVC @ 710 Kbps
[Encoder] x264 MeGUI 0.2.4.1039
[Resolution] 720×288 @ A.R.2.55
Runtime] 138 min
[Size] 700 MB
Audio Codec] AAC  32 kbps

হিমেশ রেশামিয়ার
Aap Ka Suroor (2007) [x264/AAC]

http://exdesi.com/best-quality-aap-ka-t10093.html?p=65589

Media info:

Resulation: 640 X 304
Bitrate: 456 Kbps x264
FPS: 29.97 fps
Audio: 48 kbps ACC
Size:  Video : 405MB
Audio : 42.6MB

এ ফরমেটের ভিডিও যে সকল প্লেয়ার দিয়ে দেখা যাবে  VLC media player / KMPlayer

লিনাক্সে এই H.264 / MP4 ভিডিও তৈরী করার সফটওয়ার হচ্ছে Avidemux

এটি লিনাক্স উইন্ডোজ এবং ম্যাকের জন্য পাওয়া যায়। এর সাম্প্রতিক 2.4 Preview 2 ভার্সনে H.264 / MP4 ভিডিও ফরমেটের সাপোর্ট দেয়া হয়েছে।

Avidemux ওপেন করে কোন ভিডিও ওপেন করুন্ তার পর বামপাশে

Video: থেকে MPEG-4 AVC (x264) সিলেক্ট করুন।Configure এ ক্লিক করে প্রয়োজন মত কনফিগারেশন সেটকরুন। এবিষয়ে না জানা থাকলে করার দরকার নেই।

Audio: এখান থেকে ACC (FACC) সিলেক্ট করুন Configure এ ক্লিক করে Bitrate: এ মোটামুটি কোয়ালিটির জন্য 56 দিন তবে ভালো কোয়ালিটির সাউন্ডের জন্য 96 দিতে পারেন সেটিই যথেষ্ট।

এবার File > Save > Save video ক্লিক করে ভিডিওর নাম দিয়ে সাথে “.mp4″ এক্সটেনশন দিয়ে দিন তার পর Save এ ক্লিক করুন এনকোডিং শুরু হয়ে যাবে। এনকোডিং শেষ হলে মূল ভিডিওর ফাইল সাইজ আর mp4 ভিডিওর ফাইল সাইজ দেখুন। দুটো ভিডিওর কোয়ালিটি তুলনা করুন। mp4 ভিডিওর কোয়ালিটি আর সাইজ দেখে আপনি চমৎকৃত হবেন।

আর ডিভিডি ” .vob ” ফাইলকে Avidemux দিয়ে ওপেন করার পূর্বে ভিডিওকে DVD Decrypter 2 3 গাইড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে। ডিক্রিপ্টেড ” .vob ” ফাইল টি আপনার হার্ডডিস্কে সেভ হবে । যেটির আকার একই থাকবে। এখন সেটি Avidemux থেকে ওপেন করতে পারেন

লিনাক্সের জন্য গাইড : Convert Movies (with subtitles) for Your PSP on Ubuntu – AVI/MKV/DVD to MP4/H.264/AAC

আর ভালো কথা ডিভিডি ভিডিও বা ভালো রেজুলেশনের ভিডিও যেমন ৬৪০ x ৪৮০ বা ৭২০ x ৪৮০ আকারের ভিডিওকে MP4 এ কনভার্ট করে ভালো ফলাফল পাবেন। তারচেয়ে কম রেজুলেশনের ভিডিওকে H.264 (MP4) এ কনভার্ট করা যুক্তিসঙ্গত নয়।

Torrent – a file sharing technology

টরেন্ট – অনলাইন ফাইল শেয়ারিং এ এক অপ্রতিরোধ্য প্রযুক্তি

টরেন্ট হচ্ছে একটি অনলাইন ফাইল শেয়ারিং প্রোটোকল বা প্রযুক্তি । যেটি P2P অর্থাৎ পিয়ার টু পিয়ার প্রযুক্তি ব্যবহার করে । পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফাইল শেয়ারকারীগন একে অপরের কম্পিউটিং পাওয়ার ব্যান্ডউইড্থ শেয়ার করে থাকে । পিয়ার টু পিয়ারে আপনি এবং আমি যদি কোন ফাইল শেয়ারিং করি তখন আপনি আর আমি হচ্ছি ক্লায়েন্ট । আমরা সার্ভারকে কে ডাউনলোড এবং আপলোডের জন্য রিকোয়েস্ট করি । আরো ভালো ভাবে বোঝাতে ধরুন – কোন একটি এফটিপি সার্ভারে একটি ফাইল বা প্রোগ্রাম রাখা আছে যা আমরা কয়েক জন এই মূহুর্তে ডাউলোড করছি । এখানে আমরা হচ্ছি ক্লায়েন্ট এবং এফটিপি সার্ভার কে রিকোয়েস্ট করছি ফাইল টির জন্য । এখন যত বেশী ক্লায়েন্ট এবং রিকোয়েস্ট বাড়বে ততবেশী ততবেশী চাপ এপটিপি সার্ভারটির উপর পড়বে এবং পারফরমেন্স ধীর গতীর হয়ে পড়বে । এটিকে বলে ফিক্সড ক্লায়েন্ট সার্ভার আর্কিটেকচার । আর পি টু পি তে ব্যাপারটি পুরোপুরি উল্টো । এখানে যত বেশী ক্লায়েন্ট এবং রিকোয়েস্ট বাড়বে শেয়াররিং পারফরমেন্স ততবেশী বৃদ্ধি পাবে । কারন ফিক্সড ক্লায়েন্ট সার্ভার আর্কিটেকচারে কেউ কারো ব্যান্ডউইড্থ শেয়ার করেনা কিন্তু পিটুপি বা টরেন্টে একে অপরের ব্যান্ডউইড্থ শেয়ার করা হয় ।

সামনে যাবার আগে টরেন্টের কিছু বিষয় সম্পর্কে অবগত করিয়ে নেই :

# টরেন্টঃ .torrent :

টরেন্ট অর্থাৎ .torrent এক্সটেনশন যুক্ত ফাইল হচ্ছে একটি মেটা ফাইল বা প্রয়োজনীয় তথ্য সমৃদ্ধ একটি ফাইল । যেখানে টরেন্ট এর মাধ্যমে যেই ফাইল ডাউনলোড করা হবে সেইফাইল সম্বন্ধিত কিছু তথ্য যেমন ফাইলটির নাম , ফাইলটির আকার এবং ট্র্যাকার ইউআরএল (যেটি সম্পর্কে পরে বলছি) থাকে ।

# পিয়ারঃ peer or leecher :

পিয়ার হচ্ছে যেই কম্পিউটারের সাথে আপনি যুক্ত এবং যে বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট ব্যাবহার করে আপনি টরেন্টের মাধ্যমে ফাইল ডাউনলোড করছেন । পিয়ার কে লিচার ও বলা হয় । লিচার মানে একজন বা কয়েকজন একটি নির্দিষ্ট ফাইল শেয়ার করছে আর আপনি তাদের থেকে ফাইলটির অংশ ডাউনলোড করছেন । আপনি যখন টরেন্টের মাধ্যমে ফাইল ডাউনলোড শুরু করলেন তখন আপনার কাছে ফাইলটির কোন অংশই নেই । আপনি সিডার বা ফাইলটি শেয়ার কারী হতে ফাইলটি ডাউনলোড করছেন । তাই আপনি হচ্ছেন পিয়ার বা লীচার ।

# সিড এবং সিডারঃ seed or seeder

সিডার হচ্ছেন তিনি যিনি বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট ব্যবহার করে উক্ত ফাইলের সম্পূর্ন অংশ ডাউনলোড করছেন বা করছেন এবং একই সাথে ফাইলের যতটুকু অংশ ডাউনলোড করা হয়েছে তা অন্য পিয়ারদের সাথে শেয়ার করছেন । একটি টরেন্ট এর ডাউনলোড স্পিড উক্ত টরেন্টের সিডারের সংখ্যার উপর নির্ভর করে । সিডার বা শেয়ারকারীর সংখ্যা যত বেশী ডাউনলোড স্পিড বা পারফরমেন্স তত বেশী হবে ।

# সোয়ার্মঃ swarm

সোয়ার্ম হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট ফাইলের জন্য যতগুলো সিডার বা শেয়ারকারী এবং লীচার বা ডাউনলোডকারী একে অপরের সাথে connected থাকেতাদের সম্মিলিত সংখ্যা । অর্থাৎ টরেন্টের মাধ্যমে একটি ফাইল যদি ১০ জন সিডার শেয়ার করে এবং ৫ জন লীচার তা ডাউনলোড করে তবে মোট পনেরজনের এই মধ্যবর্তী যোগাযোগ কে সোয়ার্ম বলে ।

# ট্র্যাকারঃ tracker

টরেন্টের মাধ্যমে যখন ফাইল ডাউনলোড করা হয় তখন সিডার এবং লীচারদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে একটি সার্ভার থাকে । এই সার্ভারটিই হচ্ছে ট্র্যাকার । টরেন্ট তৈরীর সময় একটি ট্র্যাকার সার্ভার ইউআরএল উল্লেখ করে দেয়া হয় । এই ট্র্যাকার টি ট্র্যাক করতে থাকে বর্তমানে টরেন্টটির কয়জন সিডার এবং লীচার আছে । যা আপনার বিটটরেন্ট ক্লায়েন্টের মাধ্যমে আপনি জানতে পারেন বর্তমানে উক্ত টরেন্টের জন্য কয়টি সিডার বা লীচার আছে ।

ট্র্যাকারের উদাহরণ : http://torrent.ubuntu.com:6969/announce

এখন টরেন্ট প্রযুক্তিটা উদাহরণের মাধ্যমে আরেকটু বিস্তারিত বলিঃ-

ধরুন ফয়সাল , অমি , লাভলু , ইমরান , হাসিন এরা পাঁচজন একটি নির্দিষ্ট টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করছে । ফয়সাল টরেন্ট টি তৈরী করেছে এবংfile.torrent ফাইলটি সে কোন টরেন্ট সাইটে আপলোড করে দিয়েছে । মনে রাখবেন file.torrent টরেন্ট ফাইলটি ছোটআকারের হয়ে থাকে কিলোবাইট বা ১ মেগাবাইট । এতে শুধূ ফয়সালের কম্পিউটারে রাখা একটি ফাইল (যেটা টরেন্টের মাধ্যমে শেয়ার করা হচ্ছে) এর অবস্থান , ফাইলটির নাম,আকার , ট্র্যাকার ইউআরএল ইত্যাদি তথ্য আছে । এখন ফয়সাল বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট এর মাধ্যমে ফাইলটা শেয়ার বা সিড করছে । প্রথমে চারজন ফয়সাল থেকে ফাইলটির কিছু অংশ ডাউনলোড করলো । এখন সকলেরই কাছে ফাইলটির কিছু কিছু অংশ আছে । এখন সকলেই যতটুকু অংশ ডাউনলোড করেছে তা অন্যদের ডাউনলোড করতে দিচ্ছে অর্থাৎ শেয়ার বা সিড করছে এবং নিজেও অবশিষ্ট অংশ ফয়সাল সহ অন্যদের কাছ থেকে ডাউনলোড করছে । এখন দেখছেন আগে সিডার ছিল ফয়সাল একজন এখন সকলেই একেকজন সীডার হয়ে গিয়েছে । এভাবে সিডার যত বাড়তে থাকবে ডাউনলোড পারফরমেন্স তত বাড়তে থাকবে । একটা সময় আসবে যখন সকলেরই কাছে কাঙ্খিত ফাইলটি সম্পূর্ণ থাকবে । অর্থাৎ আগে যে ফাইল শুধু ফয়সালের কাছে ছিল এখন তা অনেকজনের কাছে আছে । এখন চাইলে কেউকেউ সিডিং বন্ধকরে দিতে পারে তার বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট থেকে । বা চাইলে সিডিং করা চালু রাখতে পারে যাতে অন্যরা তা ডাউনলোড করতে পারে । মনে রাখবেন অন্যরা সিডিং করছিল বলেই আপনি তা ডাউনলোড করতে পেরেছেন । তাই আপনার উচিৎ হবে আপনার ও সিড করা যতক্ষন সম্ভব হয় । টরেন্ট ক্লায়েন্ট থেকে টরেন্টটি মুছে ফেললে বা ক্লায়েন্ট টি বন্ধ করে দিলে সিডিং বন্ধ হয়ে যাবে ।

ব্যাস এই হল গিয়ে টরেন্ট শেয়ারিং পদ্ধতি বা প্রযুক্তি ।

এখন জানতে চাইতে পারেন আমি কেন বললাম এটি “ অনলাইন ফাইল শেয়ারিং এ এক অপ্রতিরোধ্য প্রযুক্তি “

টরেন্টের কিছু উপকারীতাও আছে এবংকিছু অপকারীতাও আছে । যেমন টরেন্টের মাধ্যমে একদিকে যেমন ফাইল শেয়ারিং করা যায় তেমনি
এই প্রযুক্তির কল্যানে পাইরেসীও করা যায় । শেয়ারিং পদ্ধতিতে যে কেউ যেকোন কিছুই শেয়ার করতে পারে সেটা সফটওয়্যার হোক , মিউজিক হোক ,মুভি হোক বা গেম হোক । এখানে নির্দিষ্ট কাউকে ধরা সম্ভব নয় । কারন টরেন্ট কোন কোম্পানী নয় যেটা একটি ফাইল শেয়ারিং পদ্ধতি মাত্র । কাজা বা ন্যাপস্টার পি ২ পি শেয়ারিং সার্ভিস দেয় । তারা যেহেতু একটি প্রতিষ্ঠান তাই তাদের কে কোন কিছু করা হতে বিরত রাখা সম্ভব । কিন্তু টরেন্ট কে নয় । কারন টরেন্ট না কোন নির্দিষ্ট কোম্পানী , না কোন নির্দিষ্ট সার্ভারে সংরক্ষিত , না কোন নির্দিষ্ট ব্যাক্তি দ্বারা শেয়ার কৃত । তাই হলিউড ও টরেন্টের কাছে হার মানতে বাধ্য হচ্ছে । ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সাথে bittorrent.com এর চুক্তি হয়েছে । এখন থেকে তাদের রিলিজকৃত চলচ্চিত্র গুলো টরেন্টের মাধ্যমেই সরবরাহ করছে bittorrent.com একটি নির্দিষ্ট মূল্যে , রিলিজ হবার সাথে সাথেই । তবে এটিও তেমন কার্যকর নয় । যখন যে কেউ ফ্রি ডাউনলোড করতে পারবে এটা তবে অর্থের বিনিময় ডাউনলোড করবে কেন ?

এখন বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট আপনার প্রয়োজন হবে টরেন্ট ডাউনলোডের জন্য । এখানে কিছু বিটটরেন্ট ক্লায়েন্টের নাম এবং ওয়েব এ্যাড্রেস দিলাম ।

১. BitTorrent – http://www.bittorrent.com/

২. BitLord – http://www.bitlord.com/

৩. BitComet – http://www.bitcomet.com/

৪. uTorrent – http://www.utorrent.com/

৫. Azureus – http://azureus.sourceforge.net
(Java Based)

ইন্টারনেটে খুজলে আরো অনেক ক্লায়েন্ট খুজে পাওয়া যাবে । এখন একটা তথ্যের অভাব বোধ করছেন তাইনা । সেটা হল টরেন্ট সাইট যেখানে অসংখ্য টরেন্ট খুজে পাবেন । এমন ই কিছু সাইটের লিন্ক দিচ্ছি :

http://www.torrentreactor.net/

http://isohunt.com/

http://www.2torrents.com/

http://www.demonoid.com/

http://thepiratebay.org/

http://www.torrentspy.com/

বাংলাদেশী টরেন্ট :

http://www.banglatorrents.com

এখানে বাংলাদেশী টরেন্ট কন্টেন্ট সহ টরেন্ট তৈরী এবং ডাউলোডডিং সম্বন্ধিত অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন । এছাড়াও টরেন্ট তৈরীর টিউটোরিয়ালের জন্য যেতে পারেন

http://www.utorrent.com/guides.php

http://www.utorrent.com/torrent.php

http://www.torrentreactor.net/btfaq.php?id=1

http://www.torrentreactor.net/btfaq.php?id=3

এছাড়াও en.wikipedia.org তে গিয়ে bittorrent দিয়ে সার্চ করলে অনেক তথ্য পাবেন ।