Grameenphone Instant Messenger and other alternatives

Grameenphone Instant Messenger এবং আপনার বিকল্প mobile messaging application

গত ২৮শে ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার প্রথমআলোর দ্বিতীয় পাতায় গ্রামীন ফোনের একটা বিজ্ঞাপন দেখলাম। যে গ্রামীনফোন মোবাইলের জন্য তাদের নিজেস্ব ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার এ্যাপলিকেশন ছেড়েছে । তারপর আজকে http://wap.gpworld.com/ থেকে এ্যাপলিকেশন টি ডউনলোড করলাম। তবে এখনো ট্রাই করিনি। আমার নোকিয়া ৩২৩০ জন্য সিমবিয়ান ভার্সনটি ডাউনলোড করলাম। শুরুতেই বলে নেই মূল সিমবিয়ান এ্যাপলিকেশনটির ফাইল সাইজ ৩০০ কিলোবাইটের কিছু বেশী তাই সিমবিয়ান ভার্সনটি ডাউনলোডের সময় হিসেব করে নেবেন কিলোবাইট প্রতি কত আসবে 🙂 । যাই হোক ডাউনলোড করলাম। ইনস্টলের পরে দেখি আমার মোবাইলে এ্যাপলিকেশনটি জায়গা খেয়েছে ৬৪৩ কিলোবাইট। যেটি সাইজের দিক থেকে আমার মোবাইলের অন্য এ্যাপলিকেশনগুলোর থেকে সবচেয়ে বেশী। আর গ্রামীন ফোনের বিজ্ঞাপনে খেয়াল করলাম ৩১ জানুয়ারী ২০০৭ পর্যন্ত এর সাবস্ক্রিপশন ফ্রি।

শালার কিসের সাবস্ক্রিপশন বুঝলাম না!!

তারা জানে আমরা অনেকেই চ্যাটিং করতে পছন্দ করি । আর তা যদি মোবাইলে হয় তাহলে তো কথাই নেই। যেকোন জায়গায় মোবাইল নেটওয়ার্ক থাকলেই জিপিআরএস দিয়েই চ্যাট করা যায়। আর এই কথা ভেবেই মনেহয় তারা এই ম্যাসেঞ্জার মোবাইলের জন্য ছেড়েছে। তবে এর পেছন থেকে যে নতুন খরচ বেরিয়ে আসবে তা এখনই বলতে পারি। কলচার্জ কমানোর পর এই রক্তচোষা জোঁক নানা ভাবে চোষার চেষ্টা চালাচ্ছে কখনো সামনে হতে বা কখনো পশ্চাৎদেশ হতে 🙂 ThankYou-Fankyou bonus সহ আরো কত কি? সব তো মনেও পড়েনা।

যাইহোক যে জন্য এই লেখা। আপনার জন্য এই ম্যাসেঞ্জারের ভালো ফ্রি বিকল্প আছে। তবে গ্রামীন্যারে আপনার মূলবান টাকা খাওয়াইবেন কেন।

প্রথম এ্যাপলিকেশনটি হল mig33 এর মাধ্যমে আপনি মোবাইল দিয়ে ইয়াহু এবং এমএসএন ম্যাসেঞ্জারের কন্টাক্টদের সাথৈ মোবাইল থেকেই চ্যাট করতে পারবেন জিপিআরএস বা এজ্ দিয়ে। এরজন্য আপনার জাভা এনাবলড সেট এবং Java Midp2.0 সাপোর্ট থাকতে হবেmig33 ডাউনলোড করতে আপনার ওয়াপ এনাবলড সেট থেকে http://wap.mig33.com ব্রাউজ করুন। এ্যাপলিকেশনটি ডাউনলোড করুন । ইন্সটলের পর ওপেন করে রেজিষ্টার করুন। ইউজার নেম , পাসওয়ার্ড এবং আপনার মোবাইল নাম্বার ইন্টার ন্যশনাল ফরমেটে দিন +8801715365487 ।
ব্যাস তারপর এ্যাড করুন আপনার ইয়াহু এবং এমএসএন এ্যাকাউন্ট এবং চ্যাটকরুন কন্টাক্টদের সাথে। এছাড়াও চ্যাটরুমে অন্যদের সাথেও চ্যাট করতে পারেন।

ইয়াহু এমএসএন তো হয়ে গেল আর বাকি রইলো কি গুগলটক । হ্যাঁ এটাই আমি অনেকদিন ধরে খুঁজছিলাম। এবং একটা এ্যাপলিকেশন পেয়েও গেছি। এটি হচ্ছে Talkonaut যেটি নিয়ে পূর্বেও লিখেছিলাম। এটি দিয়ে আপনি বিশেষত গুগলটক কন্টাক্টদের সাথে , এমএসএন লাইভ কন্টাক্টদের সাথে চ্যাট করতে পারবেন। এটিও আপনি জাভা MIDP 2.0 সাপোর্টেড যে কোন মোবাইলে ব্যবহার করতে পারবেন। এর আরো অন্যান্য ফিচার তো আছেই ।

তাই মোবাইলে চ্যাটিং আর গ্রামীনফোনে সীমাবদ্ধ থাকলো না।

আর এই লেখা যদি পত্রিকায় লেখালেখি করেন এমন লেখক দেখে থাকেন তবে এই এ্যাপলিকেশন দুটি সম্পর্কে পাঠকদের জানালে খুশি হব।

How to apply bangla language in wordpress

আপনি যদি আপনার ওয়েবসার্ভারে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করে থাকেন ( ইন্সটলেশন গাইড ) তবে আপনি চাইলে আপনার ওয়ার্ডপ্রেসে অন্য কোন ভাষা বা বাংলা ভাষা ব্যবহার করতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেসের ইন্টারফেসের বিভিন্ন ভাষার ট্রান্সলেশনে ব্যবহৃত হয় .PO(Portable Object) এবং .MO(Machine Object) ফাইল। এই ফাইল গুলো হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেসের Language ফাইল। এতে ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহৃত শব্দগুলো ইংরেজীতে দেয়া আছে। যা .po ফাইলের জন্য বিশেষ কিছু এডিটর দিয়ে অন্যান্য ভাষায় অনুবাদ করা যায়।এমন একটি এডিটর হচ্ছে poEdit ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকে। ওয়ার্ডপ্রেসের অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ ফাইল wordpress.pot ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকে ।

পো -এডিট সম্পর্কে বিস্তারিত পরে বলব। এখন শুধু জানাবো এই লোকালাইজড বা অনুবাদকৃত ফাইলগুলো কি করে আপনার ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহার করবেন।

http://codex.wordpress.org/WordPress_in_Your_Language

এখানে বিভিন্ন ভাষার ওয়ার্ডপ্রেস ল্যাঙগুইজ ফাইল আছে। সেখানে Bangla – Bengali নামে বাংলা WordPress Language ফাইলের জন্য লিন্ক দেখতে পাবেন। হ্যা ওয়ার্ডপ্রেস কে মেঘদূত নামের প্রজেক্টে বাংলায় লোকালাইজ করা হয়েছে। সেখান থেকে প্রথম লিন্ক Bengali localization of wordpress. Project Code: Meghdut ক্লিক করুন তাহলে দুটো ফাইল দেখতে পাবেন bn.mobn.po
এদুটোই ওয়ার্ডপ্রসের বাংলা Language ফাইল। bn.mo হচ্ছে কম্পাইলকৃত language ফাইল যেটা আমরা ওয়ার্ডপ্রেস কে বাংলায় দেখতে ব্যবহার করবো , আর bn.po ও language ফাইল যেটা দ্বারা অনুবাদ করা হয়েছে এবং bn.mo ফাইল টি তৈরী করা হয়েছে।
আপনি চাইলে poEdit দিয়ে bn.po ফাইলটি খুলে পূর্বে অনুবাদকৃত বাংলা গুলো পরিবর্তন করতে পারবেন।


এবার আসা যাক বাংলা Language ফাইলটি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে ইনস্টলেশন পর্বেঃ

এখন এফটিপি ক্লায়েন্টের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসার্ভারে রাখা ওয়ার্ডপ্রেস ফাইল দেখুন। সেখান থেকে wp-includes ফোল্ডারে যান। সেখানে languages” নামে একটি ফোল্ডার তৈরী করুন। এবার সেই languages ফোল্ডারের ভিতরে bn.mo ফাইলটি কপি করুন।কপি হয়ে গেলে ওয়ার্ডপ্রেসের মূল ফোল্ডারে ফিরে আসুন। এবার সেখান থেকে wp-config.php ডাউনলোড করে ফাইলটি খুলুন ।

/ Change this to localize WordPress. A corresponding MO file for the
/ chosen language must be installed to wp-includes/languages.
/ For example, install de.mo to wp-includes/languages and set WPLANG to ‘de’
/ to enable German language support.
define (‘WPLANG’, ‘bn’);

উপরোক্ত কোড দেখতে পাবেন সেখানে একটি লাইনে define (‘WPLANG’, ”); কোড দেয়া থাকবে সেখানে ‘ ‘ এই দুটো মার্কের মধ্যে bn লিখে দিন।

এক্ষেত্রে মনে রাখবেন আপনার language ফাইলনেম যদি হয় bn.mo বা en.mo তবে শূধু নামটাই bn উপরের কোডে উল্যেখ করতে হবে। এক্সটেনশন সহ নয়।

এবার wp-config.php ফাইলটি সেভ করুন । তারপর আপনার সার্ভারে রাখা wp-config.php ফাইলের সাথে এই ফাইলটি রিপ্লেস করে দিন। ব্যাস কাজ হয়ে গেছে এবার আপনার ব্লগে বা লগইন করে এ্যাডমিনিস্টেশন প্যানেলে গিয়ে দেখুন বাংলা দেখতে পাচ্ছেন কিনা।

উল্ল্যেখ্য সকল বাংলা অনুবাদ ইউনিকোডে করা হয়েছে।

আমার লোকালসার্ভারে হোস্ট করা ওয়ার্ডপ্রেসের কিছূ স্ক্রিনশট দিলামঃ

চিত্রঃ লগইন উইন্ডো

চিত্রঃ ওয়ার্ডপ্রেস এডিটর

চিত্রঃ অপশন

চিত্রঃ ইউজারস্

WORDPRESS blog Install guide

ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে একটি ব্লগ এ্যাপলিকেশন। এ্যাপলিকেশন কেন বলছি ? কারন এটি ওয়েবসার্ভারে ইনস্টল করা যায়। এটি দুরকম সুবিধা দেয়।

তাদের সার্ভারে আপনার ব্লগ হোস্ট করতে দেয়। যেমন http://www.wordpress.com থেকে রেজিস্টারের মাধ্যমে আপনার ব্লগ তৈরী করতে পারেন নিমেষেই। যেটি http://www.blogger.com এ ব্লগ সার্ভিসের মতই একটা সার্ভিস।

তবে blogger এরসাথে wordpress এর পার্থক্য কি?

যেই এ্যাপলিকেশন বা কোড দ্বারা blogger তৈরী করা করা হয়েছে তা কিন্তু আপনি পাচ্ছেন না । আপনি শুধূ http://www.blogger.com এ গিয়ে আপনার ব্লগ খুলছেন যা তাদের সার্ভারেরই রয়েছে। http://www.wordpress.com এ গিয়েও এমন ভাবেই ব্লগ খুলতে পারবেন।

এখন ধরুন আপনার একটি ওয়েবসার্ভার আছে এবং আপনি আপনার ব্লগের জন্য পর্যাপ্ত ওয়েবস্পেস দিতে সক্ষম। তবে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ এ্যাপলিকেশন টি ডাউনলোড করে আপনার ওয়েবসার্ভারে ইনস্টল করতে পারেন। ইন্সটল করে ফেললেই তৈরী হয়ে যাবে আপনার ব্লগ।

ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার ক্ষেত্রে Requirement গুলোঃ

PHP ভার্সন 4.2 বা এর উর্ধ্বে

MySQL ভার্সন 3.23.23 বা এর উর্ধ্বে

যেকোন ওয়েব সার্ভার যেটিতে PHP এবং MySQL সাপোর্ট আছে , তবে পরিপূর্ণ পারফরমেন্সের জন্য
Apache ওয়েবসার্বার হলে ভালো হয়।

খুব ভালো হয় আপনি ওয়ার্ডপ্রেসকে যদি লিনাক্স সার্ভারে ইনস্টল করেন। লিনাক্স সার্ভারে উপরোক্ত সব কিছূই অন্তর্ভূক্ত থাকে। তবে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ইনস্টলের পূর্বে যে বিষয় গুলো জেনে রাখা প্রয়োজনঃ

# আপনার MySQL ডেটাবেজ এর হোস্টনেম (host name) । যেটি কোন ক্ষেত্রে localhost বা এর ভিন্ন ও হতে পারে। তবে আপনার সার্ভারের এ্যাডমিন কন্ট্রোল প্যানেল থেকে এই তথ্য পেতে পারেন।

# ডেটাবেজ এর ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড

এখন একটি MySQL ডেটাবেজ তৈরী করুন এবং নাম দিন “wordpress”

ব্যাস প্রাথমিক কাজ শেষ।

এবার http://wordpress.org/download/ এখান থেকে ওয়ার্ডপ্রেস এ্যাপলিকেশনটির লেটেস্ট ভার্সন ডাউনলোড করুন।

এবার ডাউনলোড করা .zip ফাইলটি আপনার পিসির যেকোন ড্রইভে আনকম্প্রেস করুন। তাহলে wordpress নামের একটি ফোল্ডারে অনেকগুলো ফাইলও ফোল্ডার দেখা যাবে। এগুলোই হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস এ্যাপলিকেশনের ফাইলগুলো এগুলোই আপনার ওয়েবসার্ভারে আপলোড করতে হবে।

এখন wordpress ফোল্ডারটির ভেতরে wp-config-sample.php ফাইল দেখতে পাবেন । এটিকে rename করে wp-config.php দিয়ে দিন।

এবার নোটপ্যাড দিয়ে ফাইল টি ওপেন করুন। করলে নিম্নোক্ত কোড গুলি দেখতে পাবেনঃ

** MySQL settings **

define(‘DB_NAME’, ‘wordpress’); # আপনার ডেটাবেজ এর নাম যেটা পূর্বেই তৈরী করেছিলেন

define(‘DB_USER’, ‘root’); # আপনার MySQL ডেটাবেজ এর ইউজারনেম

define(‘DB_PASSWORD’, ‘darklord’); # আপনার MySQL ডেটাবেজ এর পাসওয়ার্ড

define(‘DB_HOST’, ‘localhost’); # আপনার MySQL ডেটাবেজ এর (host name)

ব্যাস এখানে আপনার প্রয়োজনীয় সঠিক তথ্যগুলো দিন । তারপর ফাইলটি save করুন।

এবার wordpress ফোল্ডারের ভেতরে থাকা ফাইল গুলো আপনার পছন্দের FTP এ্যাপলিকেশন দ্বারা আপনার ওয়েব সার্ভারের root বা মূল ফোল্ডারে আপলোড করুন। তবে মনে রাখবেন আপনাকে ASCII mode এ ফাইলগুলো আপলোড করতে হবে BINARY mode এ নয়। এফটিপি প্রোগ্রামে এই ধরনের অপশন থাকে খুঁজে দেখুন। এবার আপনার সার্ভারে ফাইল গুলো আপলোড করুন।

আপলোড হয়ে গেছে !! এবার ধরুন আপনার ডোমেইন নেম http://www.darklord.com তাহলে http://www.darklord.com/wp-admin/install.php এই লিন্কটা আপনার ব্রাউজারে লিখে এন্টার দিন , অর্থাৎ ওয়ার্ডপ্রেস ফাইল গুলো সার্ভারে আপলোডের পর wp-admin ফোল্ডারটির ভেতরের যে install.php ফাইলটা আছে তা ব্রাউজারে পয়েন্ট করতে হবে ।

তাহলে নিচের চিত্রের মত একটা পেজ আসবেঃ

মজার বিষয় হচ্ছে আপনি মাত্র দুটো ধাপেই আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ তৈরী করতে পারবেন।

এবার First Step এ ক্লিক করুন। নিম্নের চিত্রের মত পেজ দেখতে পাবেনঃ

এখানে প্রথম বক্সে আপনার ব্লগের টাইটেল দিন। পরের বক্সে আপনার ইমেইল এ্যাড্রেস দিন। এবার Continue to Second Step এ ক্লিক করুন। wp-config-sample.php দেয়া তথ্যগুলো যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে নিম্নের চিত্রের মত পেজ দেখতে পাবেনঃ

এবার আপনার ব্লগ তৈরী হয়ে গিয়েছে। এখন আপনাকে একটি ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দেয়া হবে। যেটা আপনার প্রথম লগইনের সময় কাজে আসবে। এখনই ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ডটি কোথাও সেভ করে রাখুন কারন এই পাসওয়ার্ড টি ভূলে গেলে বা হারিয়ে গেলে আপনাকে wordpress ডেটাবেজের সমস্ত টেবিল মুছে ফেলে ওয়ার্ডপ্রেসকে নতুন করে ইনস্টল করতে হবে। এবার নীচের wp-login.php লিন্কটা নতুন উইন্ডোতে খুলুন। তার পর যেই ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে তা দিয়ে লগইন করুন।

লগইনের পর আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের এ্যাডমিন প্যানেল দেখতে পাবেন। এখান থেকে আপনি আপনার ব্লগকে সম্পূর্ন ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। আপনাকে দেয়া পাসওয়ার্ডটি যদি মনে না রাখতে পান তবে এ্যাডমিন প্যানেল থেকে Users অপশনে যান। সেখানে নীচের Update Your Password অপশনে আপনার পছন্দের পাসওয়ার্ড দিয়ে Update Profile এ ক্লিক করে নতুন পাসওয়ার্ড টি আপডেট করুন । তারপর লগআউট করে নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।

এখন থেকে আপনার ওয়েবসাইটের লিন্কে http://www.darklord.com ভিজিট করলে ব্লগ দেখতে পারবেন।

ব্যাস তৈরী হয়ে গেল আপনার ব্লগ। এই টিউটোরিয়ালটি যদি আপনার কাজে আসে বা সমস্যা হলে জানাবেন।

WP Theme- chaoticsoul Darklords choice – 2

WordPress Theme: ChaoticSoul 1.0

এটা আমার পছন্দের থিম। ডার্ক থিমতো তাই ডার্কলর্ডের ব্লগে এই থিমটাই এ্যাপলাই করে দিলাম। যাদের ডার্ক বা কালো থিম পছন্দ তাদের জন্য ভালো থিমটি। এর স্টাইলটাও সুন্দর বিশেষ করে হেডার ইমেজটিকে দুভাগে বিভক্ত করে ফেলা। আপনি আপনার পছন্দের হেডারও ব্যবহার করতে পারেন।

Source site

Demo Download    Size: 115 KB

WP Theme- glued ideas Subtle Darklords choice – 1

WordPress Theme : gluedideas_subtle

এটা একটা দারুন ওয়ার্ডপ্রেস থিম। এই সাইটে গিয়ে পেলাম থিমটা। এটাই এখন পর্যন্ত দেখা একমাত্র থিম যেটাতে একই সাথে দুটো ভিন্ন লেআউট আছে এবং অবাক করা বিষয় এতে .po ল্যাঙগুএজ ফাইল আছে যেটি ওয়ার্ডপ্রেস লোকালাইজেশনে ব্যবহৃত হয়। অথাৎ থিমটি নিজেস্ব ভাষায় লোকালাইজ করা যাবে ( প্রয়োজন হলে লোকালাইজেশন পদ্ধতি জানিয়ে দেব )। থিমটি ইনস্টল এবং এ্যাকটিভ করারপর এ্যাডমিন প্যানেলে গেলে Presentation থেকে এই থিমের বেশ কয়েকটি অপশন পাওয়া যাবে। দুটি ভিন্ন রকম স্টাইল সিলেক্ট করা যাবে। আপনার পছন্দের হেডার আপলোড করা যাবে 820 x 145 pixels এ। এছাড়াও আরও নানা অপশন রয়েছে এতে। থিমটির আনকমপ্রেসড সাইজ 743 KB হলেও এত দারুন থিমের জন্য সেটা কোন বিষয়ই না। আর এতে দারুন সব আইকন ও রয়েছে। এটা মাল্টিইউজার ব্লগের জন্য বিশেষভাবে তৈরী।

Demo Download >> Size : 409 KB

Torrent – a file sharing technology

টরেন্ট – অনলাইন ফাইল শেয়ারিং এ এক অপ্রতিরোধ্য প্রযুক্তি

টরেন্ট হচ্ছে একটি অনলাইন ফাইল শেয়ারিং প্রোটোকল বা প্রযুক্তি । যেটি P2P অর্থাৎ পিয়ার টু পিয়ার প্রযুক্তি ব্যবহার করে । পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফাইল শেয়ারকারীগন একে অপরের কম্পিউটিং পাওয়ার ব্যান্ডউইড্থ শেয়ার করে থাকে । পিয়ার টু পিয়ারে আপনি এবং আমি যদি কোন ফাইল শেয়ারিং করি তখন আপনি আর আমি হচ্ছি ক্লায়েন্ট । আমরা সার্ভারকে কে ডাউনলোড এবং আপলোডের জন্য রিকোয়েস্ট করি । আরো ভালো ভাবে বোঝাতে ধরুন – কোন একটি এফটিপি সার্ভারে একটি ফাইল বা প্রোগ্রাম রাখা আছে যা আমরা কয়েক জন এই মূহুর্তে ডাউলোড করছি । এখানে আমরা হচ্ছি ক্লায়েন্ট এবং এফটিপি সার্ভার কে রিকোয়েস্ট করছি ফাইল টির জন্য । এখন যত বেশী ক্লায়েন্ট এবং রিকোয়েস্ট বাড়বে ততবেশী ততবেশী চাপ এপটিপি সার্ভারটির উপর পড়বে এবং পারফরমেন্স ধীর গতীর হয়ে পড়বে । এটিকে বলে ফিক্সড ক্লায়েন্ট সার্ভার আর্কিটেকচার । আর পি টু পি তে ব্যাপারটি পুরোপুরি উল্টো । এখানে যত বেশী ক্লায়েন্ট এবং রিকোয়েস্ট বাড়বে শেয়াররিং পারফরমেন্স ততবেশী বৃদ্ধি পাবে । কারন ফিক্সড ক্লায়েন্ট সার্ভার আর্কিটেকচারে কেউ কারো ব্যান্ডউইড্থ শেয়ার করেনা কিন্তু পিটুপি বা টরেন্টে একে অপরের ব্যান্ডউইড্থ শেয়ার করা হয় ।

সামনে যাবার আগে টরেন্টের কিছু বিষয় সম্পর্কে অবগত করিয়ে নেই :

# টরেন্টঃ .torrent :

টরেন্ট অর্থাৎ .torrent এক্সটেনশন যুক্ত ফাইল হচ্ছে একটি মেটা ফাইল বা প্রয়োজনীয় তথ্য সমৃদ্ধ একটি ফাইল । যেখানে টরেন্ট এর মাধ্যমে যেই ফাইল ডাউনলোড করা হবে সেইফাইল সম্বন্ধিত কিছু তথ্য যেমন ফাইলটির নাম , ফাইলটির আকার এবং ট্র্যাকার ইউআরএল (যেটি সম্পর্কে পরে বলছি) থাকে ।

# পিয়ারঃ peer or leecher :

পিয়ার হচ্ছে যেই কম্পিউটারের সাথে আপনি যুক্ত এবং যে বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট ব্যাবহার করে আপনি টরেন্টের মাধ্যমে ফাইল ডাউনলোড করছেন । পিয়ার কে লিচার ও বলা হয় । লিচার মানে একজন বা কয়েকজন একটি নির্দিষ্ট ফাইল শেয়ার করছে আর আপনি তাদের থেকে ফাইলটির অংশ ডাউনলোড করছেন । আপনি যখন টরেন্টের মাধ্যমে ফাইল ডাউনলোড শুরু করলেন তখন আপনার কাছে ফাইলটির কোন অংশই নেই । আপনি সিডার বা ফাইলটি শেয়ার কারী হতে ফাইলটি ডাউনলোড করছেন । তাই আপনি হচ্ছেন পিয়ার বা লীচার ।

# সিড এবং সিডারঃ seed or seeder

সিডার হচ্ছেন তিনি যিনি বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট ব্যবহার করে উক্ত ফাইলের সম্পূর্ন অংশ ডাউনলোড করছেন বা করছেন এবং একই সাথে ফাইলের যতটুকু অংশ ডাউনলোড করা হয়েছে তা অন্য পিয়ারদের সাথে শেয়ার করছেন । একটি টরেন্ট এর ডাউনলোড স্পিড উক্ত টরেন্টের সিডারের সংখ্যার উপর নির্ভর করে । সিডার বা শেয়ারকারীর সংখ্যা যত বেশী ডাউনলোড স্পিড বা পারফরমেন্স তত বেশী হবে ।

# সোয়ার্মঃ swarm

সোয়ার্ম হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট ফাইলের জন্য যতগুলো সিডার বা শেয়ারকারী এবং লীচার বা ডাউনলোডকারী একে অপরের সাথে connected থাকেতাদের সম্মিলিত সংখ্যা । অর্থাৎ টরেন্টের মাধ্যমে একটি ফাইল যদি ১০ জন সিডার শেয়ার করে এবং ৫ জন লীচার তা ডাউনলোড করে তবে মোট পনেরজনের এই মধ্যবর্তী যোগাযোগ কে সোয়ার্ম বলে ।

# ট্র্যাকারঃ tracker

টরেন্টের মাধ্যমে যখন ফাইল ডাউনলোড করা হয় তখন সিডার এবং লীচারদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে একটি সার্ভার থাকে । এই সার্ভারটিই হচ্ছে ট্র্যাকার । টরেন্ট তৈরীর সময় একটি ট্র্যাকার সার্ভার ইউআরএল উল্লেখ করে দেয়া হয় । এই ট্র্যাকার টি ট্র্যাক করতে থাকে বর্তমানে টরেন্টটির কয়জন সিডার এবং লীচার আছে । যা আপনার বিটটরেন্ট ক্লায়েন্টের মাধ্যমে আপনি জানতে পারেন বর্তমানে উক্ত টরেন্টের জন্য কয়টি সিডার বা লীচার আছে ।

ট্র্যাকারের উদাহরণ : http://torrent.ubuntu.com:6969/announce

এখন টরেন্ট প্রযুক্তিটা উদাহরণের মাধ্যমে আরেকটু বিস্তারিত বলিঃ-

ধরুন ফয়সাল , অমি , লাভলু , ইমরান , হাসিন এরা পাঁচজন একটি নির্দিষ্ট টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করছে । ফয়সাল টরেন্ট টি তৈরী করেছে এবংfile.torrent ফাইলটি সে কোন টরেন্ট সাইটে আপলোড করে দিয়েছে । মনে রাখবেন file.torrent টরেন্ট ফাইলটি ছোটআকারের হয়ে থাকে কিলোবাইট বা ১ মেগাবাইট । এতে শুধূ ফয়সালের কম্পিউটারে রাখা একটি ফাইল (যেটা টরেন্টের মাধ্যমে শেয়ার করা হচ্ছে) এর অবস্থান , ফাইলটির নাম,আকার , ট্র্যাকার ইউআরএল ইত্যাদি তথ্য আছে । এখন ফয়সাল বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট এর মাধ্যমে ফাইলটা শেয়ার বা সিড করছে । প্রথমে চারজন ফয়সাল থেকে ফাইলটির কিছু অংশ ডাউনলোড করলো । এখন সকলেরই কাছে ফাইলটির কিছু কিছু অংশ আছে । এখন সকলেই যতটুকু অংশ ডাউনলোড করেছে তা অন্যদের ডাউনলোড করতে দিচ্ছে অর্থাৎ শেয়ার বা সিড করছে এবং নিজেও অবশিষ্ট অংশ ফয়সাল সহ অন্যদের কাছ থেকে ডাউনলোড করছে । এখন দেখছেন আগে সিডার ছিল ফয়সাল একজন এখন সকলেই একেকজন সীডার হয়ে গিয়েছে । এভাবে সিডার যত বাড়তে থাকবে ডাউনলোড পারফরমেন্স তত বাড়তে থাকবে । একটা সময় আসবে যখন সকলেরই কাছে কাঙ্খিত ফাইলটি সম্পূর্ণ থাকবে । অর্থাৎ আগে যে ফাইল শুধু ফয়সালের কাছে ছিল এখন তা অনেকজনের কাছে আছে । এখন চাইলে কেউকেউ সিডিং বন্ধকরে দিতে পারে তার বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট থেকে । বা চাইলে সিডিং করা চালু রাখতে পারে যাতে অন্যরা তা ডাউনলোড করতে পারে । মনে রাখবেন অন্যরা সিডিং করছিল বলেই আপনি তা ডাউনলোড করতে পেরেছেন । তাই আপনার উচিৎ হবে আপনার ও সিড করা যতক্ষন সম্ভব হয় । টরেন্ট ক্লায়েন্ট থেকে টরেন্টটি মুছে ফেললে বা ক্লায়েন্ট টি বন্ধ করে দিলে সিডিং বন্ধ হয়ে যাবে ।

ব্যাস এই হল গিয়ে টরেন্ট শেয়ারিং পদ্ধতি বা প্রযুক্তি ।

এখন জানতে চাইতে পারেন আমি কেন বললাম এটি “ অনলাইন ফাইল শেয়ারিং এ এক অপ্রতিরোধ্য প্রযুক্তি “

টরেন্টের কিছু উপকারীতাও আছে এবংকিছু অপকারীতাও আছে । যেমন টরেন্টের মাধ্যমে একদিকে যেমন ফাইল শেয়ারিং করা যায় তেমনি
এই প্রযুক্তির কল্যানে পাইরেসীও করা যায় । শেয়ারিং পদ্ধতিতে যে কেউ যেকোন কিছুই শেয়ার করতে পারে সেটা সফটওয়্যার হোক , মিউজিক হোক ,মুভি হোক বা গেম হোক । এখানে নির্দিষ্ট কাউকে ধরা সম্ভব নয় । কারন টরেন্ট কোন কোম্পানী নয় যেটা একটি ফাইল শেয়ারিং পদ্ধতি মাত্র । কাজা বা ন্যাপস্টার পি ২ পি শেয়ারিং সার্ভিস দেয় । তারা যেহেতু একটি প্রতিষ্ঠান তাই তাদের কে কোন কিছু করা হতে বিরত রাখা সম্ভব । কিন্তু টরেন্ট কে নয় । কারন টরেন্ট না কোন নির্দিষ্ট কোম্পানী , না কোন নির্দিষ্ট সার্ভারে সংরক্ষিত , না কোন নির্দিষ্ট ব্যাক্তি দ্বারা শেয়ার কৃত । তাই হলিউড ও টরেন্টের কাছে হার মানতে বাধ্য হচ্ছে । ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সাথে bittorrent.com এর চুক্তি হয়েছে । এখন থেকে তাদের রিলিজকৃত চলচ্চিত্র গুলো টরেন্টের মাধ্যমেই সরবরাহ করছে bittorrent.com একটি নির্দিষ্ট মূল্যে , রিলিজ হবার সাথে সাথেই । তবে এটিও তেমন কার্যকর নয় । যখন যে কেউ ফ্রি ডাউনলোড করতে পারবে এটা তবে অর্থের বিনিময় ডাউনলোড করবে কেন ?

এখন বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট আপনার প্রয়োজন হবে টরেন্ট ডাউনলোডের জন্য । এখানে কিছু বিটটরেন্ট ক্লায়েন্টের নাম এবং ওয়েব এ্যাড্রেস দিলাম ।

১. BitTorrent – http://www.bittorrent.com/

২. BitLord – http://www.bitlord.com/

৩. BitComet – http://www.bitcomet.com/

৪. uTorrent – http://www.utorrent.com/

৫. Azureus – http://azureus.sourceforge.net
(Java Based)

ইন্টারনেটে খুজলে আরো অনেক ক্লায়েন্ট খুজে পাওয়া যাবে । এখন একটা তথ্যের অভাব বোধ করছেন তাইনা । সেটা হল টরেন্ট সাইট যেখানে অসংখ্য টরেন্ট খুজে পাবেন । এমন ই কিছু সাইটের লিন্ক দিচ্ছি :

http://www.torrentreactor.net/

http://isohunt.com/

http://www.2torrents.com/

http://www.demonoid.com/

http://thepiratebay.org/

http://www.torrentspy.com/

বাংলাদেশী টরেন্ট :

http://www.banglatorrents.com

এখানে বাংলাদেশী টরেন্ট কন্টেন্ট সহ টরেন্ট তৈরী এবং ডাউলোডডিং সম্বন্ধিত অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন । এছাড়াও টরেন্ট তৈরীর টিউটোরিয়ালের জন্য যেতে পারেন

http://www.utorrent.com/guides.php

http://www.utorrent.com/torrent.php

http://www.torrentreactor.net/btfaq.php?id=1

http://www.torrentreactor.net/btfaq.php?id=3

এছাড়াও en.wikipedia.org তে গিয়ে bittorrent দিয়ে সার্চ করলে অনেক তথ্য পাবেন ।


Download Google video in mobile

আপনি কি জানেন আপনি এখন গুগল ভিডিও সার্ভিস এর ভিডিও ডাউনলোড করতে পারেন মোবাইলে এবং মোবাইলের কমন মিডিয়া ফরমেট .3gp ফরমেটেই সত্যিই শুধু আপনার মোবাইলের ব্রাউজার থেকে http://www.tinytube.net ব্রাউজ করুন তবে tinytube সাইটের মোবাইল ভার্সন দেখতে পাবেন এবার পছন্দের ভিডিওর জন্য সার্চ করুন রেজাল্ট আসলে Low,Mid,high লিন্ক গুলো দেখতে পাবেন যেকোন একটি তে গেলে ভিডিওটি .3gp ফরমেটে ডাউনলোড করতে পারবেন আমি ট্রাই করে দেখেছি খুব চমৎকার

powered by performancing firefox