My comment on bijoy developer Mustafa Jabbar article

MR. Mustafa Jabbar যিনি বাংলাদেশী তথ্যপ্রযুক্তি ম্যাগাজিন কম্পিউটার জগতের নিয়মিত কলামিস্ট এবং Bijoy এর ডেভলপার। গত বছরে তিনি উক্ত ম্যাগাজিনে বিনামূল্যের সফটওয়্যার এবং ওপেনসোর্স সফটওয়্যার সম্পর্কে অযৌক্তিক বক্তব্য দিয়েছিলেন। তারই জবাবে আমি এ বিষয়ে আমার মন্তব্যটি দুবার চিঠিমারফত কম্পিউটার জগতে পাঠিয়েছিলাম

( চিঠি প্রথমবার পাঠানোর পর পরবর্তী মাসে আমার মন্তব্য না দেখতে পেয়ে আবার পাঠিয়েছিলাম)


কিন্তু তা আজ অবধি দেখতে পাইনি। তাই ভাবলাম আমার ব্লগেই ঝালটা মেটাই বন্ধূ অমি আজাদের মত :)

তার লেখাটির কিঞ্চিত অংশ এখানে তুলে ধরছি আমার নিজেস্ব বক্তব্য সহ “যা ছাপানো হয়নি”

[ কম্পিউটার জগৎ ১৫তম বর্ষপূর্তি সংখ্যা]

[ এপ্রিল ২০০৬ সংখ্যা ১২]

[কভার আর্টিকেল- এ সময়ে প্রযুক্তির পথ চলা কোন দিকে?]

[পেজ - ২৬ "ডিজিটাল মিডিয়ার প্রেক্ষিত এবং পার্সোনাল কম্পিউটিং ২০০৭ - মোস্তফা জব্বার]

(২য় কলাম)

১)

আমাদের মতো গরিব দেশে আমরা কম্পিউটার শিক্ষিত জনগোষ্ঠিকে শূধূ বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরীর জন্য নিঃশেষ হতে দিতে পারিনা। আমাদের নিজেদের জন্য এই মেধা কে অর্থের অঙ্কে রূপান্তর করতে হবে।।

জব্বার সাহেব আমরা এতটাই গরীব নই যে বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করলে আমরা নিঃশেষ হয়ে যাব। আর আপনাকে কে বলেছে বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করলে কম্পিউটার শিক্ষিত জনগোষ্ঠি নিঃশেষ হতে পারে। ধরুন আমি একজন দক্ষ প্রোগ্রামার । একদিকে আমি বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করে সাধারন কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সেবা দিচ্ছি অপর দিকে আমার এই জ্ঞান এবং দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কোন ভালো কোম্পানীতে প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করে উপার্জন করছি। আপনার বক্তব্যটি অযৌক্তিক কারন কোন সফটওয়্যার ডেভলপার যে শুধূ বিনামূল্যেই সফটওয়্যার তৈরী করবে তা কিন্তু নয় সে তার এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থও উপার্জন করতে পারে।

আর ওপেনসোর্স সফটওয়্যার ডেভলপ করে একজন শিক্ষিত ডেভলপার কখনোই নিঃশেষ হতে পারেনা। কারন আমি একটি ওপেনসোর্স সফটও্যার ডেভলপ করলাম। এখন ধরুন আমি সফটওয়্যার ডেভলপ শিখছি বলতে পারেন শিক্ষার্থীর অবস্থায় আছি । এখন আমার প্রোগামিং এ ভূল ত্রুটি থাকা অসম্ভব নয় এমন কি দক্ষ ডেভলপারও ভূল ত্রুটি করতে পারেন যার কারনে সফটওয়্যারে বাগ দেখা যায়। এখন সফটওয়্যার টা ওপেনসোর্স হলে বিশ্বের যে কোন ডেভলপার সেটিকে মডিফাই করতে পারছে এবং তাতে কোন বাগ বা ত্রুটি থাকলে তা সহজেই বের করতে পারছে। সেই সাথে সফটওয়্যার টিও বাগমুক্ত হচ্ছে এবং আপনি জানতে পারছেন আপনার কোথায় ভূল হয়েছিল এবং আপনি তা থেকে নতুন কিছু শিখলেন। তো দেখতে পারছেন ওপেনসোর্স সফটওয়্যার শুধূ সফটওয়্যারেরই উন্নয়ন ঘটায় না আপনার দক্ষতার উন্নয়ন ঘটায়।

২)

অনেকেই মনে করেন ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরী ও বিতরনের মাধ্যমে জনগন ও সরকারের অপারেটিং সিস্টেম এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগাম বাবদ অর্থ বাচিয়ে আমরা সফটওয়্যার শিল্প গড়ে তুলতে পারবো। একটি সমাজতান্ত্রিক দেশে একটি পর্যায়ে পর্যন্ত এটি অবশ্যই কার্যকর হতে পারে । কিন্তু আমাদের মত মুক্তবাজারে বিনামূল্যের বলতে কোন কিছূর অস্তিত্ব নেই।

আঙ্কেল আপনিইতো একটু আগে আমাদের দেশকে গরিব দেশ বলে সম্বোধিত করলেন। তো আপনার কথা যদি মেনেই নি তবে আমাদের মত গরিব দেশে ফ্রি এবং ওপেনসোর্স সফটওয়্যার কে বানিজ্যিক সফটওয়্যারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে আমরা যদি দেশ ও সরকারের মূল্যবান অর্থ বাঁচিয়ে দিতে পারি তবে কেন নয়?

এখানে আপনি সফটওয়্যার শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বানিজ্যিক সফটওয়্যারের গুরুত্বকে ও খাটো করে দেখছিনা বরং এটিও আমাদের সফটওয়্যার শিল্পে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে। আমরা বিদেশে সফটওয়্যার রপ্তানী করে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করছি। কিন্তু মাইক্রোসফট অফিসের মত দামী সফটওয়্যার যদি একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানে বৈধ ভাবে ক্রয় করে ব্যবহার করা হয় তখন আমরা সফটওয়্যারটির জন্য যে বিপূল অর্থ প্রদান করছি তা কি আমাদের দেশে থাকছে নাকি মাইক্রোসফটের টাকশালে চলে যাচ্ছে। এখন মাইক্রোসফট অফিসের বদলে যদি আমরা ফ্রি এবং ওপেনসোর্স অফিস এ্যাপলিকেশন ওপেনঅফিস ব্যবহার করি তবে দেখুন আমরা কত গুলো দেশীয় মূদ্রা সাশ্রয় করতে পারছি।

আপনি বলেছেন “আমাদের মত মুক্তবাজারে বিনামূল্যের বলতে কোন কিছূর অস্তিত্ব নেই।”

কিন্তু আপনার পরবর্তী বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে যে বিনামূল্যের সফটওয়্যারই আপনার মত ব্যবসায়ীর অস্তিত্বকে হুমকির সম্মুক্ষীন করে তুলেছে এবং বিনামূল্যের সফটওয়্যারের প্রতি আপনার আক্ষেপের কারন ও জানা গেল।

(কলাম ২-৩)

৩)

মুনাফার লক্ষ্য না থাকলে মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ব্যাবসায়-বানিজ্য বা শিল্প বলতে কিছূ তৈরী হয়না। ফলে যারা ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার চর্চা করছেন, তারা তাদের কাজ অব্যহত রাখা সত্বেও অনুগ্রহ করে আমাদের মত ব্যবসায়ীদেরও একটি শিল্পখাত গড়ে তোলার স্বার্থে বানিজ্যিক ভাবে কাজ করতে দিন।

মূনাফার লক্ষ্যের বিষয় টি নির্ভর করে সেই ডেভলপাররের উপর যিনি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরী করছেন তার উপর ।
এখন সফটওয়্যারটি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের হলেই যে তা হতে মূনাফা অর্জন করা যাবেনা তা কিন্তু নয়। আপনি সার্ভিসিং বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যেমও মুনাফা অর্জন করতে পারেন। দেখুন মোজিলা ফায়ারফক্সের মত ওপেনসোর্স ব্রাউজার কেমনি ওয়েবব্রাউজারের মার্কেটে উইন্ডোজের সাথে দেয়া ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের সাথে সদর্পে টিকে আছে এবং তারা নানা ভাবে আয় ও করছে।

আপনার শেষের লাইনের বক্তব্য পড়ে আমি হাসবো না কি করবো বুঝে উঠতে পারছিনা??!!!

আপনি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার চর্চাকারীদের প্রতি এ কি ধরনের অনুরোধ করছেন??? তারা আপনাদের বানিজ্যিক ভাবে কাজ করতে আটকাচ্ছে কোথায়?? বরং আপনারা যেমন বাংলাকম্পিউটিং কে অসম্ভব দামী করে তুলেছিলেন তখন অমিক্রন,অভ্র, একুশে এরা আমাদের ফ্রি বাংলা কম্পিউটিং এর সুযোগ করে দিয়ে আপনাদের মত ব্যাবসায়ীদের মূঠোর ভেতর থাকা হতে আমাদের রক্ষা করেছে। এজন্য আমরা তাদের প্রতি চিরঋনী।

আপনার শেষের লাইনের বক্তব্য আমি সঠিক ভাবে বুঝতে পারিনি তাই আপনার যুক্তি খন্ডন করতে পারলাম না :)

(কলাম ৪)

৪)

আমি এখনো এটি বিশ্বাস করি ,ম্যাক ওএস ১০ হচ্ছে পারসোনাল কম্পিউটারের সর্বশ্রেষ্ঠ অপারেটিং সিস্টেম । “এমনকি যারা লিনাক্সকে পিসির সবচেয়ে শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম মনে করেন , তারাও স্বীকার করবেন লিনাক্সের মতই ম্যাক ওএস ইউনিক্স নির্ভর”

নিঃসন্দেহে ম্যাক ওএস একটি অসাধারন অপারেটিং সিস্টেম কিন্তু আপনি বলতে ভূলে গেছেন এটি ফ্রি নয় এবং ম্যাক ওএস ব্যবহার করতে হলে আপনাকে এ্যাপল পিসি কিনতে হবে যে টা ব্যায় বহূল। অন্যদিকে আপনার বক্তব্য অনুযায়ী সেই শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম আমরা ব্যবহার করতে পারছি বিনামূল্যে এবং নিম্ন কনফিগারেশনের পিসিতেও।

(পৃষ্ঠা:৩ / কলাম ৩)

৫)

কম্পিউটার বিজ্ঞান পাঠদানকারীরা ওপেনসোর্স আর ফ্রি সফটওয়্যার বানানোর কৌশল শিখিয়েছেন , কিন্তু কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর কৌশল তাদের শেখাননি”

আমি আপনার আর্টিকেল টা যতটুকু পড়েছি ততটুকু অবাক হয়েছি। একজন আইটির লোক কেমন করে এমন কথা বলে!!

ওপেনসোর্স আর কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর কি আলাদা আলাদা কৌশল আছে কি? আমার তো জানা ছিলনা। ওপেনসোর্স আর কমার্শিয়াল সফটওয়্যারের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে একটির প্রোগ্রামিং সোর্স কোড উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে অন্যটির সোর্স কোড প্রদান করা হচ্ছেনা। নতুবা দুটো সফটওয়্যারই প্রোগ্রামার ডেভলপ করছে।

আঙ্কেল কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর যদি আলাদা কৌশল থাকে তবে তা আপনি কি আমাদের শেখাবেন? :D

About these ads

22 thoughts on “My comment on bijoy developer Mustafa Jabbar article

  1. যদিও বিষয়টি ব্লগে দেরিতেই প্রকাশ করলাম। আসলে ভূলেই গিয়েছিলাম তবে এখানে

    http://forum.projanmo.com/p23428.html

    কথায় কথায় এই প্রসঙ্গ আসায় মনে পড়ল তাই লিখে ফেললাম।

    সতর্কতাঃ মোস্তফা জব্বার কে কেউ মেইল করলে তিনি ইমেইল এ্যাড্রেসটি সংরক্ষন করে রাখেন পরবর্তিতে তিনি যখন তার সন্তানতূল্য বিজয়ের প্রেস রিলিজ ছাড়েন তখন সব এ্যাড্রেসে তার প্রেস রিলিজ CC:
    করে দেন । আমি সহ অনেকেই এই স্প্যাম মেইল বা বিজয়ের এ্যাডভারটাইজিং মেইলের শিকার।

  2. হ্যা আরেকটা বিষয় নিজের প্রোডাক্টের গুনগান গাওয়া খারাপ কিছুনা । কিন্তু নিজের অধিকাংশ লেখায় কোননা কোন ভাবে নিজের প্রোডাক্ট বিজয়ের প্রসঙ্গ টেনে আনা বিজয় ছাড়া অন্য লেখনি সম্পর্কে অতি সমালোচনা করা (উপরের দেয়া লিন্কে অমি আজাদের ব্লগে দেখুন তিনি কাউকেই ছাড়েননি)

    তার ব্লগ থেকে

    [..] যখনই কোন বাংলা সফ্‌টওয়্যার বা বাংলা কম্পিউটিং এর সমাধান নিয়ে কথা বলা হয়েছে, তখনই উনি সেটা বিরোধিতা করেছেন। প্রথমে ফ্রি সফ্‌টওয়্যার হিসেবে বাজারে এলো একুশে, সেখানে উনার সমস্যা, পরে বাজারে এলো ইউনিকোডভিত্তিক সমাধান নিয়ে অভ্র, সেখানেও উনার সমস্যা। কিছুদিন আগে এলো অক্ষরবাংলা সেখানেও উনার সমস্যা। এছাড়া প্রশিকা, আল্পনা, এগুলো তালিকাতে আছেই। [..]

    এর থেকে তার বাজে মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়।

  3. ধন্যবাদ রাসেল ভাই। ওনার মত কলামিস্ট যা ইচ্ছা তাই লিখে যাবে আর আমরা বসে বসে পড়বো তা কি হয়। বিজয়ের কল্যানে উনি বাঙলাদেশের অনেক কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কাছে পরিচিত একজন ব্যাক্তি। এখন উনি যদি কিছু লেখেন সেটা তারা সাদরেই গ্রহন করবে। আর তিনি এই সুযোগে যা খুশি তাই লিখে যাচ্ছেন, এছাড়াও তার লেখায় প্রায় সময় একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতি আঙ্গুল তোলেন।

  4. ধন্যবাদ ডাল্ডা মারা চকবারের(mostafa jobbar) দারুন কিছু অবান্তরতা তুলে ধরার জন্য। আপনি কি এটা জানেন বাংলা ১৯৮৯ সালের প্রেক্ষিতে এতোটা উন্নত হয়নি এর প্রধান ও মূখ্যম ভূমিকায় ডামাচক(ডাল্ডা মারা চকবার) দায়ী। কি ভিমড়ি খেলেন!!!! কারন বাংলাকে সে শুধু ব্যবসা হিসাবে দেখেছেন। দেখুক ভালো। open source করেনি তাও ভালো। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সে যদি একটা sdk release করত তাহলে দেশের বিভিন্ন inventory,cms….. ইত্যাদি সফটওয়্যারের ব্যবহারের ফলে বাংলাটা ব্যপক আকার ছড়িয়ে যেত। আমার মতে ব্যবসা এমন কিছু নিয়ে করা উচিত যা বিপুল জনহিতিকর। বিজয়ের bussiness policy আংশিকভাবে জনহিতিকর। ভাষা মোলিক অধিকারের থেকেও বড় কিছু। কারন কেউ না খেয়ে থাকলেও মুখের ভাষা ত্যাগ করা সম্ভব না। কারন JAPANI রা সবসময় তাদের ভাষাকে মূল হিসাবে দেখে এটির জন্য ছাড় দিয়েছে সর্বত্র । আর তাই ভাষাকে ভিত্তি করে তারা আজ কোথায় পৌছে গেছে। বিজয়ের ব্যাবহার শুধু মাত্র ব্যবসায়িক হওয়ার কারণে এর চর্চা হয়নি ততোটা। শুধু আমরা চোর হয়ে সাভ্যস্ত হয়েছি। এবার আসা যাক অভ্রের ব্যপারে। যদিও আমি অভ্রের বিশাল বড় fan তবুও কিছু কথা না বললেই নয়। অভ্রের splash screen এ বর্তমান স্লোগান হচ্ছে “ভাষা হোক উন্মুক্ত” কিন্তু তারা উন্মুক্ত নয়। এর কারণ তারা ভয় পায় যদি তাদের মত সফটওয়্যার অন্য কেঊ বানিয়ে ফেলে তারা তাদের credit হারাবে। তাদেরকে একটু GNU GPL লাইসেন্সটা পড়তে বলব। আর যদি মনে এতটুকু সৎ সাহস না থাকে দেশের জন্য তাহলে আর কিছু বলার নেই শুধু স্লোগানটি বদলে ফেলুন। তারা যদি এটিকে open source করে তাহলে এই project এর হাত ধরে আরও কিছু প্রজেক্ট আসতে পারে ভাষার উন্নয়ন ঘটাতে পারে। অনেক কথা লিখছি ভাই ! গালি দিয়েন না (ডামাচক হলে গালি দিয়েন কারন ডামাচক=bellless)।

  5. আমি একটা ঘটনা কাছ থেকে দেখেছি। সেটা হল:
    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্সের এক ছাত্রী বাংলা লেখার একটা সফটওয়্যার তৈরি করেছিল। সেটা বিশেষত্ব হল কোন ইনস্টলের প্রয়োজন নেই। ডাবল ক্লিক করে স্টার্ট করলেই টাইপ করা যায়। প্রাথমিক ভাবে বিজয়ের ফন্ট ব্যবহার করেছিলেন। কারণ তিনি ফন্ট তৈরি করা জানেনা না। ইচ্ছা ছিল সেটা পরে করবেন।

    তার কিছুদিন পরেই তিনি সেই প্রজেক্টটি সফটওয়্যার মেলায় প্রদর্শন করতে চাইলেন। দূভ্যাগ্যবসত সেই মেলার সিলেকশন কমিটিতে জব্বর কাকু ছিলেন। তিনি তাকে ডেকে পরে তার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

    হতাশ হয়ে তিনি সম্ভবত আর কাজ করেননি। আমি অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।

    এই হল বাংলা হিতকর(!) জব্বর সাহেব!

  6. ভাল লিখেছেন, পরে মন্তব্য করব (I hope)।

  7. মোস্তফা জব্বার এক কালে বাংলাকে জনপ্রিয় করেছেন ইত্যাদি। কিন্তু তিনি একই সফটওয়্যার কত কাল বেচে খাবেন? এখন একুশের কীবোর্ড লেআউট উইন্ডোজের সাথে সরাসরি ব্যবহার করা যায়। আর ওনার অ্যাপল প্রীতি তো আর আজকের না। মাধ্যমিক বইতে উনি সব ম্যাকিনটোশের সফটওয়্যার ব্যবহার প্রণালী ঢুকিয়ে রেখেছিলেন। উনি পয়সা দিয়ে প্রোগ্রামার রেখে কেন ওপেন সোর্স সফটওয়্যার গুলোকে হারাতে পারেন না বুঝি না। বাংলাদেশকে মুক্ত বাজার অর্থনীতি বলেন তিনি, তাহলে অন্য পণ্যের বিরোধিতা কেন? মুক্ত বাজার মানেই তো ব্যপক প্রতিযোগিতা। মানুষ এখনো বিজয় ব্যবহার করে দুটি কারণে। এডবি এর জনপ্রিয় সফটওয়্যার গুলো এখনো ইউনিকোড সমর্থন করে না (আমি CS3 ব্যবহার করেছি।) এবং backward compatibility এর জন্য। আজ থেকে ১০ বছর পর আশা করি বিজয় জাতীয় জাদুঘরে স্থান পাবে।

  8. যারা বিজয় লে-আউট শিখে গেছে তারা ইচ্ছা থাকলেও অভ্র ব্যবহার করতে পারছে না। অভ্রর ইউনিবিজয় বিজয়ের মতো, কিন্তু হুবুহু বিজয় নয়। বিজয়কে জাদুঘরে পাঠাতে হলে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ বন্ধুদেরকে বিজয়ের বদলে অভ্র ব্যবহার করাতে হবে। আর বিজয়ের ব্যবহারকারীদের জন্য আমি অভ্রর Key-Board Layout ব্যবহার করে Kbijoy (Kallol’s bijoy) তৈরী করেছি। এটা হুবুহু বিজয়ের ডুপ্লিকেট। একটি অক্ষরও এদিক ওদিক নেই। কেউ এটা চাইলে আমাকে ই-মেইল করুন। এছাড়া বিজয়ে লেখা ডকুমেন্টগুলোকে ইউনিকোডে যে রুপান্তর করা যায় এটা সবাইকে বিশেষ করে বিজয়ের ব্যবহারকারীদেরকে বোঝাতে হবে। আমি আইনের ছাত্র হিসেবে বলছি, মোস্তফা জব্বার সাহেব এটা ভুলে গেছেন যে Keyboard ম্যাপিং এর কোন কপিরাইট হয় না, সফটওয়্যার এর হয়। তবে আরও বিভিন্ন রকম বাংলা ফন্ট দরকার।
    ধন্যবাদ সবাইকে।

  9. Pingback: The 3rd world view Celebrating The Bangla Open Source Activists On The Inte… « The 3rd world View

  10. ভাই যে বুঝে না তাকে বুঝানো যায়… যিনি বুঝেও বুঝেন না তাঁকে কেমনে বুঝেবেন?
    [জব্বারে সাহেবের ভাষা বলতে হয়: fvB ‡h ey‡S bv Zv‡K eySv‡bv hvq, whwb ey‡SI ey‡S bv Zvu‡K ‡Kg‡b eySv‡eb? ]

  11. Sir,
    My name is nasir.my phone is symphony m50.please addvise me on bangla software suport in my phone.qucikly,,

  12. One of the very most lucrative businesses women
    can be into could be the creation of accessories.

    s no secret that illegal file sharing remains to be rampant in many
    countries, such as the US, however, it will not be government interference that eventually leads for the end with
    the age of illegal downloads. The Vi – O comes pre set most abundant
    in widely used cellular devices, which includes Blackberry,
    i – Pod, i – Phone amongst others.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

%d bloggers like this: